শৈলকুপায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

হাসপাতাল থেকে ভর্তি রোগীর পলায়ন

0

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ॥ ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাশিনাথপুর গ্রামে শনিবার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার জের নিয়ে আ’লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আহতদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহতরা হলেন, মোঃ আসালত, সেলিম খান, রোজিনা খাতুন, মোসলেম খান, মোঃ তুহিন খান, হোসাইন হোসেন ও সাদ্দাম হোসেনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এদিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি আহতরা রোগীরা অদৃশ্য কারণে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপার ধলহরচন্দ্র ইউনিয়নে শিক্ষার্থী রানা হত্যা নিয়ে আ’লীগের নায়েব আলী জোয়ারদার ও একই দলের ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয়। রানা হত্যাকান্ড নিয়ে বহু মানুষের বাড়িঘর ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এরমধ্যে আসামী পক্ষের এক নারীর সঙ্গে বাদী পক্ষের এক ব্যক্তির পরকীয়া নিয়ে নগ্ন ছবি ছড়িয়ে পড়লে শৈলকুপা থানায় একটি ধর্ষন মামলা হয়।

সম্প্রতি হত্যা মামলার আসামীরা জামিন হয়ে গ্রামে ফিরে আসলে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। শুরু হয় হত্যা ও ধর্ষন মামলা তুলতে পাল্টাপাল্টি চাপ।

এ নিয়ে উত্তেজনা শুরু মঝেই শনিবার সকাল ৯টার দিকে আ’লীগ সমর্থিত আসালত খান ও মসলেম খানের সামাজিক দলের মধ্যে কাশিনাথপুর গ্রামের ব্রীজের উপর তর্কবিকর্তের এক পর্যায়ে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। উভয় গ্রুপ ধারালো অস্ত্র, ঢাল ও ভেলা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে ১৪ জন শৈলকুপাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করেন। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ওসি মোঃ মাসনুম খাঁন জানান, ধর্ষন ও হত্যা মামলা নিয়ে আ’লীগের মতিয়ার ও নায়েব জোয়ারদার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিশেষ করে হত্যা মামলার আসামীরা জামিন হয়ে বাড়ি ফিরে এলে এই সংঘর্ষের সুত্রাত ঘটে। তবে আহত’র কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। কেউ মামলা করলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও ওসি মাসুম খাঁন জানান।