চাহিদায় সন্তুষ্টি চাষি ও ব্যবসায়ী ফুলের রাজ্যে লাভের হিসাব-নিকাশ

0

তরিকুল ইসলাম, ঝিকরগাছা (যশোর)॥ পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারি তিন দিবসে ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী-পানিসারা ও নাভারন ইউনিয়নের চাষি ও ব্যবসায়ীদের ২৫কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সারাদেশের খুচরো বাজারগুলো ভালো চললে পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে এ বছর ফুলের রাজধানী খ্যাত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী-পানিসার ও নাভারনে সোমবার পর্যন্ত প্রায় ২০কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছে বলে এ অঞ্চলের ফুলের জনক শের আলী সরদার, ফুলচাষি ইসমাইল হোসেন ও শাহাজাহান আলী মেম্বার জানিয়েছেন। এ ফুল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা শহরে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে। দেশের সবচেয়ে বড় ফুলের বাজার যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী বাজার, পানিসারা ও নাভারন ইউনিয়নের হাড়িয়ার মোড়ে সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, এদিন পাইকারি দরে প্রতিপিস গোলাপ ১২ থেকে ১৩ টাকা, ক্যাপ গোলাপ ১৪ থেকে ১৫ টাকা, চায়না গোলাপ ১৫-১৮ টাকা, জারবেরা ১০ থেকে ১২ টাকা, গ্লাডিওলাস সাদা ১০ থেকে ১২ টাকা, গ্লাডিউলাস প্রিন্ট ১৮ থেকে ২০ টাকা, চন্দ্র মল্লিকা প্রতিপিস ২ থেকে ৩ টাকা, গাঁদা প্রতি হাজার ২৫০-৩০০ শ টাকা, জিপসি পাতা প্রতি আঁটি ৪০-৫০ টাকা, টিউলিপ ৬০-৮০, রজনী প্রতিপিস ১০-১২টাকা, ভুট্টা প্রতিপিস ১৪-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে ফুলের ভরা মৌসুম হওয়ায় পাইকারি ছাড়াও প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী এলাকায় বেড়াতে আসছেন এবং তাদের চাহিদানুযায়ী ফুল কিনছেন। এদিন সব থেকে বেশি দর্শনার্থী দেখা গেছে পানিসারার ইসমাইল হোসেন ও নাভারন হাড়িয়ার মোড়ের শাহাজাহান আলী মেম্বারের ফুল সেড ও পার্কে।
এদিকে বিশ্ব ভালবাসা দিবস, পহেলা ফাল্গুন ও ২১ ফেব্রয়ারি পালন উপলক্ষে উপজেলার গদখালী বাজার থেকে হাড়িয়ার মোড়-পানিসারা বাজার মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুধার দিয়ে সেজে উঠেছে ফলের দোকান। যা ইতোমধ্যে ফুল মেলায় রূপান্তরিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষসহ সব বয়সের মানুষ আসতে শুরু করেছেন। তবে খুলনা-বেনাপোল কমিউটার ট্রেনে বগি কম থাকায় যাত্রীরা বাড়ি ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অচিরেই এই লাইনে বগি বাড়ানোর দাবি করেছেন খুলনা-বেনাপোল রেলের যাত্রিরা।