চৌগাছায় এম আহমদ আলী সাহিত্যরত্নের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা

0

স্টাফ রিপোর্টার চৌগাছা (যশোর)॥ চৌগাছার কৃতী সন্তান এম আহমদ আলী সাহিত্যরত্নের ৩১তম মৃত্যবার্ষিকীতে স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল ও কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টায় প্রেসক্লাব চৌগাছার কার্যালয়ে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।
আহমদ আলী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও চৌগাছা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জাহিদুর রহমান বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনা করেন যশোর সদরের কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব মশিউল আযম। চৌগাছা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম হাসান মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি আলমগীর মতিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কবি ও শাহানুর আলম উজ্জ্বল, ঝিকরগাছা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল, বাঁকড়া কপোতাক্ষ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, এম আহমদ আলী সাহিত্যরত্নের ছোট ছেলে কপোতাক্ষ গেজেট পত্রিকার সম্পাদক এম মুজাহিদ আলী, বেনাপোল সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রকি মাহমুদ, যশোর মুক্তেরশ্বরী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মোকারম হাসেন, গণজাগরণের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও খুলনা সাহিত্য পরিষদের সদস্য মেহেবুব মল্লিক প্রমুখ। এ সময় পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ মাফিজুল ইসলাম, মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইয়াকুব আলী, চৌগাছা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক আনন্দ মহন বিশ্বাস, সাপ্তাহিক চৌগাছার সম্পাদক খাজা ফজিলাইজ উজ্জল, সাবেক শিক্ষক এবি সিদ্দিক, কবি শাহিন মাহবুব, ফাতেমা পারভীন, খলিলুর রহমান জুয়েল, মাসুদ পারভেজ, টিপু সুলতান প্রমুখ আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় কবিতা পাঠের আসর। এম আহমদ আলী সহিত্যরত্ন ১৯০৫ সালে বৃটিশ শাসিত অবিভক্ত বাংলার অজপাড়া গাঁ যশোরের চৌগাছার কয়ারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি শিক্ষাকতা, সাংবাদিক, সাহিত্যচর্চা এবং সমাজসেবায় নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৬০ সালে যশোর গেজেট পত্রিকায় শেষ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সাল হতে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি মাসিক নকীব পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ১৯৪৫ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দৈনিক আজাদ পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি ছিলেন প্রেসক্লাব যশোরের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৬৮ সাল হতে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত খুলনা থেকে প্রকাশিত জনবার্তার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।