কেশবপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, চাঁদা দাবির অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকার বালি ব্যবসায়ী দেবতোষ কর্মকারকে অপহরণ ও চাঁদাদাবির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। উপজেলার মির্জানগর গ্রামের সাদেক আল খাঁনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ওরফে সুজন খাঁনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন ওই ব্যবসায়ী। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আরমান হোসেন অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে আদেশ দিয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দায়ের করা মামলার দেবতোষ কর্মকার উল্লেখ করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে বালি ও মাটির ব্যবসা করে আসছেন। তার এই ব্যবসার ওপর কুদৃষ্টি পড়ে আসামি সুজন খাঁনের। লোকজন দিয়ে সুজন খাঁন বেশ কিছুদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত ১১ মার্চ রাতে তিনি বালি কেনার জন্য মির্জানগর গ্রামের মিন্টু ওরফে বালু মিন্টুর বাড়িতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে সুজন খাঁনের নেতৃত্বে আসামিরা তার গতিরোধ করেন। এ সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে সুজন খাঁনসহ অন্যরা তাকে একটি জিপগাড়িতে উঠিয়ে গোপালপুর বাজারে নিয়ে যান। সেখানে দেবতোষ কর্মকারকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তারা তার কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেন। এরপর হত্যার হুমকি দিয়ে তিনটি ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে দেবতোষ কর্মকারকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। এ কারণে বাধ্য হয়ে দেবতোষ কর্মকার আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।