ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক স্ত্রী ভাগিয়ে নেয়ার ঘটনায় আ’লীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চৌগাছার স্বরূপদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক স্ত্রী সালমা খাতুনকে ভাগিয়ে নেয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেসকাব যশোর তার ১১ বছর বয়সী সন্তান আবু বক্কার সিদ্দিকীকে সাথে নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোলায়মান হোসেন জানান, তার ২য় স্ত্রী ও আবু বক্কার সিদ্দিকের মা সালমা খাতুনের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন চৌগাছা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সাদেকুর রহমান। সাদেকুরের বাড়ি সোলায়মানের নিজ গ্রাম মাধবপুরের পাশের গ্রাম ছোট দিঘড়ি গ্রামে। তার পিতার নাম আইজেল হক। লেখাপড়ার খরচ এবং এবং দলীয় আদর্শের কারণে বিভিন্ন সময়ে সাদেকুরকে নগদ অর্থ সহায়তা করতেন। এ সুযোগে সে অবাধে সোলায়মানের বাড়িতে যাতায়াত করতো। এভাবে চলতে চলতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী সালমা খাতুনের সাথে সাদেকুরের অবৈধ প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। নানা ছুতোয় তার স্ত্রী সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করতো। এক পর্যায়ে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই তার অনুপস্থিতিতে সাদেকুর সালমাকে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। পরে তিনি বাড়ি ফিরে দেখেন তার ঘরের স্টিলের আলমারি ভেঙে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং প্রায় ৮ ভরি ওজনের বিভিন্ন স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে তারা। বিষয়টি নিয়ে সোলায়মান তার ভাইসহ নিজ শ্বশুর বাড়িতে যেয়ে স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়তা চান। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি থেকে সহযোগিতা করার চেয়ে তাদেরকে গালিগালাজ করে বের করে দেয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ৩ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলা দায়েরের পর সাদেকুর ও তার স্ত্রীর ভাইয়েরা বিভিন্ন সময় সোলায়মানকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে, চাঁদা দাবি করে এবং ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো দাবি করেন, সাদেকুরের অপকর্মের কথা উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকে জানানোর পরও সাদেকুরের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ভাগ