মেধাবী ফরিয়ার লেখপড়ায় সহযোগিতার আবেদন পিতা-মাতার

ডুমুরিয়া (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ অভাব-অনটন আর শত প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ফারিয়া। সে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম মোড়লের কন্যা। মায়ের নাম জোহরা খাতুন। তিন বোনের মধ্যে ফারিয়া দ্বিতীয়। ২০১৭ সালে এসএসসি পাস করার পর বড়বোন রিমা খাতুনের বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর ঘরে থেকেই ২০১৯ সালে চুকনগর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। লেখাপড়ার প্রতি গভীর মনোযোগী ফারিয়া বেড়ে উঠেছে সীমাহীন দারিদ্র্যতা আর বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে। পিতা রবিউল ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে যা রোজগার করেন তা দিয়ে সংসার চালিয়ে তিন মেয়ের পড়াশুনার খরচ জোগানো তার পক্ষে খুব কঠিন ছিল। তার উপর একটি ঝামেলায় জড়িয়ে কয়েকবার জেলে যেতে হয়েছে রবিউলকে। বারবার জামিন করাতে গিয়ে শেষ সম্বল চাষাবাদের জমিটুকু খোয়াতে হয়েছে। পিতার অনুপস্থিতিতে সংসার চালানোর জন্যে একটি সেলাই মেশিনকে সম্বল করে এগিয়ে যান মা জোহরা বেগম। সন্তানদের মুখে তিনবেলা ঠিকমত আহারও তুলে দিতে পারেননি বলে কেঁদে ফেলেন তিনি। এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে ফারিয়ার মা জোহরা বেগম জানান, এখন স্বামীর আর নিজের রোজগার দিয়ে সংসারটা কোনমতে চললেও দুই মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগানো তাদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। এ জন্য মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে রবিউল ইসলাম ও জোহরা বেগম সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ভাগ