মাথা গোজার ঠাঁই নেই সালেহা-ছামেদ দম্পতির

0

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ ॥ ভাঙাচোরা বেড়ার ঘরে ষাটোর্ধ সালেহা বিবির সংসার। খেজুরের বেড়া আর উপরে পলিথিনের ছাউনির রান্নাঘর। শোবার ঘরের দেয়াল নেই। সাপ, ব্যাঙ আর কেঁচোর সাথে নিত্য যুদ্ধ। গ্রামের অনেকেই সরকারিভাবে বাড়িঘর পেয়েছেন। কিন্তু সালেহা ও ছামেদ আলী দম্পতির কপালে জোটেনি সরকারি বাড়ি। সামান্য বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে ঘরের ছাউনির সাথে নিজেদের প্রাণও যেন উড়ে যায়। এ ভাবেই এই বৃদ্ধ দম্পতি বসবাস করছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে। তাদের চোখে কোন রঙ্গিন স্বপ্ন নেই। তারা চান একটু নির্ভরতা। মাথা গোজার ঠাঁই। জরাজীর্ণ ছাবড়া ঘরে মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছেন তারা। কিছুদিন আগে মাথা গোজার একমাত্র ছাবড়া ঘরটি ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। দু বেলা দু মুঠো খাবারের সন্ধান করতে গিয়ে ঘর মেরামত করার চিন্তা তারা ভুলেই গেছেন।
সালেহা বিবি বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের চাল-ডাল দিয়েছে। স্বামীর বয়স্ক ভাতা হয়েছে। তা দিয়ে এবং পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চলছিল। কিন্তু ঝড়ে মাথা গোজার একমাত্র জায়গাটুকু লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। তিনি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সরকারি ঘর দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি জানান, রামচন্দ্রপুর গ্রামের ওই পরিবারকে আমি চিনি। করোনাকালীন সময়ে তাদের অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সালেহা বিবির স্বামী ছামেদ আলীর বয়স্ক ভাতা করে দিয়েছি। ঘরের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।