সাতক্ষীরা সংবাদদাতা॥ গাছে গাছে ঝুলছে আম, সেই সঙ্গে দুলছে চাষির স্বপ্ন, কয়েকদিন পরেই আম পাড়ার ধুম পড়ার কথা । তবে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে বসেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। সাতীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, চলতি মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় চার হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে ৫ হাজার ২৯৯টি আম বাগানে আম চাষ হচ্ছে। ১৩ হাজার ৯৯ জন চাষি আম উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে আরও কয়েক হাজার আম চাষি রয়েছেন। চলতি মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদনের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আম পাড়া শুরু হবে। তার আগেই পাকা আম বাজারে উঠতে শুরু করবে।
জানা যায়, গত সপ্তাহে সাতীরায় ঝড়ে আমের ব্যাপক তি হয়েছে। ঝড়ে পড়া সেই কাঁচা আম ৫ থেকে ১৫ টাকা পাইকারি দরে ক্রয় করে ট্রাকে ভরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়েছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৩১ মে থেকে হিমসাগর আম বাজারজাতের সিদ্ধান্তের হলেও ঘূণিঝড় আম্পানের খবরে উৎকণ্ঠা ভর করছে সাতীরার আম চাষিদের মধ্যে। যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি আম বাজারজাতের ব্যবস্থা করা না গেলে চাষিরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়বেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাতীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, করোনা পরিস্থিতিতে নিরাপদে আম বাজারজাত করতে ইতোমধ্যে সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় আগামী ৩১ মে থেকে হিমসাগর, ৭ জুন ল্যাংড়া ও ১৫ জুন থেকে আম্রপালি আম ভাঙা ও বাজারজাতকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




