লোকসমাজ ডেস্ক ॥ গত ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের রাতে অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর ‘ভোট ডাকাতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ ঘটনাকে পৃথিবী ইতিহাসে অভাবনীয় রেকর্ড আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই দিনটিকে (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপি গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালন করবে।
গতকাল রবিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মুখপাত্র আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অভাবনীয় রেকর্ড সৃষ্টিকারী রাতের ভোটে ক্ষমতা দখলের এক বছর পূর্ণ হবে রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে। রাতটি দেশবাসীর কাছে তাদের ভোটাধিকার হরণের কালো রাত হিসেবে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। তিনি অভিযোগ করে, ‘২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর কালো রাতে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয় আওয়ামী লীগ। সেদিন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। তাই ৩০ ডিসেম্বর কোনো ভোট হয়নি।’ রিজভী বলেন, সোমবার ৩০ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করা হবে। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী বিএনপি সভা-সমাবেশ, মিছিল, কালো ব্যাজ ধারণ এবং দলীয় কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করবে। এ উপলক্ষে ঢাকায় সোমবার নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ হবে বলেও জানান তিনি। সমাবেশের অনুমতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘প্রক্রিয়া চলছে। আজকের মধ্যেই অনুমতি পেয়ে যাব বলে আশা করছি।’ ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নীলনকশা অনুযায়ী সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অস্বচ্ছ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে ভোট নেওয়ার চক্রান্ত করছে।’ ইভিএম বাতিল চেয়ে রিজভী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সরকারের পুতুলে পরিণত হয়েছে। অন্যান্য ভোটের মতো সরকার এই ভোটাধিকার হরণের জন্যও ইভিএমের চক্রান্ত হাতে নিয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, খায়রুল কবির খোকন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
ইতিহাসে অভাবনীয় রেকর্ড রাতের ভোটে ক্ষমতা দখল: রিজভী
আজ দড়াটনা শহীদ চত্বরে কমরেড হেমন্ত সরকারের স্মরণসভা
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ আজ সোমবার বিকেল ৩ টায় যশোর দড়াটানা শহীদ চত্বরে কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে কমরেড হেমন্ত সরকারের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রবীণ নেতা বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলন তথা ঐতিহাসিক তে-ভাগা আন্দোলনে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে নিঃস্বার্থ, নিবেদিত প্রাণ, ত্যাগী, অভিজ্ঞ নেতা কমরেড হেমন্ত সরকার। তাঁর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তোজাম্মেল হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্রিগে. জেনারেল (অব.) এম. জাহাঙ্গীর হুসাইন। বিশেষ বক্তা থাকবেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্তসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানকারী কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লে¬খ্য, প্রয়াত কমরেড হেমন্ত সরকার ১৯৯৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর ৮২ বছর বয়সে নড়াইলে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৯১৬ সালে নড়াইল জেলার সদর থানার বড়েন্দার গ্রামে এক গরিব কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শ্রমিকশ্রেণীর বিপ্ল¬বী রাজনীতি ও কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সম্পর্কিত হন ১৯৪০-এর দিকে এবং ১৯৪২ সালে পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন। ঐতিহাসিক তে-ভাগা আন্দোলনে তিনি দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখেন। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে গ্রেপ্তার হয়ে পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বন্দী জীবন কাটান। ৬০ এর দশকে বিশ্ব কমিউনিস্ট আন্দোলনে ক্রুশ্চেভ সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তিনি দৃঢ় ভূমিকা রাখেন। এ প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) এর যশোর জেলা পার্টি পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখেন এবং যশোর জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের লাইন গৃহীত হলে তিনি তা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৭১ সালে পার্টি পরিচালিত বিপ্ল¬বী যুদ্ধে তিনি নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন করেন।
জাপায় ৭ নেতাকে কো-চেয়ারম্যান নিয়োগ
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ জাতীয় পার্টিতে (জাপা) একজন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যানসহ সাত জন কো-চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় নবম জাতীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দিয়েছেন। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাপায় সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি। এছাড়া অপর ৬ কো-চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন যথাক্রমে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এবং অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা ২০-এর উপধারা ১/(১)ক এবং ২/খ মোতাবেক এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
শ্রীনগরে তাপমাত্রা মাইনাস ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
লোকসমাজ ডেস্ক॥ চল্লিশ দিনের ‘চিল্লাই কালান’ চলছে কাশ্মীরের শ্রীনগরে। শীত মওসুমের সবচেয়ে কঠিন ৪০ দিনকে এই অভিধায় অভিহিত করা হয়। এ সময়ে ঘন ঘন তুষারপাত হয়। তাপমাত্রা পড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। রোববারও সেখানকার বিখ্যাত ডাল লেকে তাপমাত্রা ক্রমাগত নেমে যাচ্ছিল। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে শনিবার দিবাগত রাতে সেখানে এ মওসুমে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল। তা হলো মাইনাস ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাশ্মীর উপত্যকা ও লাদাখ ইউনিয়ন টেরিটোরি অঞ্চলজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের অনেক নিচে।
এর ফলে পুরো এলাকা ঠাণ্ডায় জমে যায়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ।
একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এ বছর এ মওসুমের গড় তাপমাত্রা বেশ কয়েক ডিগ্রি নিচে নেমে গেছে। ফলে জম্মু অঞ্চলে তীব্র হিম শীত গ্রাস করেছে। এই অঞ্চলে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় মহাসড়ক। এর মধ্যে বানিহল শহরে তো তুষারপাত হয়ই। ওই তাপমাত্রা মাইনাস ২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। এর চেয়ে তাপমাত্রা বেশি ছিল দোদা জেলার ভাদেরওয়াহতে। সেখানে রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ০.৮ সেলসিয়াস।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেছেন, জম্মুতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মওসুমের এই সময়ে সাধারণত যে তাপমাত্রা থাকে এই তাপমাত্রা তার চেয়ে ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আগের রাতে এই তাপমাত্রা ছিল ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রিয়াসি জেলায় অবস্থিত বৈষ্ণ দেবীর সমাধিতে যাওয়ার জন্য তীর্থ যাত্রীদের বেস ক্যাম্প হলো কাত্রা। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাপত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই শহরে শুক্রবার দিবাগত রাত ছিল সবচেয়ে ঠাণ্ডা। ওই সময় পারদস্তম্ভের তাপমাত্রা ছিল ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঘন মেঘের আড়ালে থাকার কারণে সূর্যের আলো আসতে পারছে না পৃথিবীতে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই অবস্থা বিরাজমান। সরকারি ওই কর্মকর্তা বলেছেন, শনিবার দিবাগত রাতে শ্রীনগর শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের রাতে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ শুক্রবার দিবাগত রাতের চেয়েও তাপমাত্রার পতন হয় শনিবার দিবাগত রাতে। এর ফলে ডাল লেকের পানি জমে বরফ হয়ে যায়। অন্য পানি সরবরাহ ব্যবস্থারও একই অবস্থা হয়।
অভিনয় ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গে যা বলেলন পূর্ণিমা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের জন্য মক্কা ও মদিনা যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবের মক্কা শহরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
পূর্ণিমা বলেন, অনেক আগেই যাওয়ার প্ল্যান ছিল। কিন্তু নানা কারণে সময় মেলাতে পারিনি। তবে এবার সব চূড়ান্ত। প্রথমবারের মতো ওমরাহ হজ পালনের জন্য পবিত্র মক্কায় যাচ্ছি। সবার কাছে দোয়া চাই। যেন সুন্দরভাবে হজ পালন করে ফিরে আসতে পারি।
এদিকে গুঞ্জন উঠেছে হজ করে অভিনয়কে বিদায় জানাবেন পূর্ণিমা। এবিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, অনেকেই ভাবছেন হজ করে এসে আর অভিনয় করবো না। এটা একদমই গুজব। কারণ, অভিনয় আমার পেশা। এটা ছাড়া বাঁচা সম্ভব না। সততার সঙ্গে এই কাজটি করে যেতে চাই আজীবন।
এদিকে পূর্ণিমা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ নামে দুটি ছবিতে কাজ করছেন পূর্ণিমা। তারমধ্যে ‘গাঙচিল’ ছবিতে পূর্ণিমার নায়ক ফেরদৌস এবং ‘জ্যাম’ ছবিতে আরিফিন শুভ। দুটি ছবি নতুন বছরে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।তবে দুটি ছবিরই সামান্য কিছু কাজ বাকি আছে এখনও। হজ পালন থেকে ফিরে বাকি কাজটুকু শেষ করবেন।
অ্যান্টি এজিং ফেসিয়াল মাস্ক বানাবেন যেভাবে
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের নিচে বলিরেখা পড়া, চুল পেকে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। অনেকের আবার বয়সের আগেই এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। পার্লারে গিয়ে নিয়মিত রূপচর্চার মাধ্যমে অনেকেই ত্বক বা চেহারায় বয়সের ছাপ লুকানোর চেষ্টা করেন। তবে এতে খরচও কিন্তু কম হয় না। সেক্ষেত্রে ঘরে বসেই অ্যান্টি এজিং ভেষজ ফেসিয়াল মাস্ক তৈরি করতে পারেন। ত্বকের ধরন বুঝে এসব মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। তাহলে দ্রুতই উপকার পাবেন। যেমন-
শুষ্ক ত্বকের জন্য ডিম ও মধুর ফেসমাস্ক : এজন্য ১টি ডিমের কুসুম, ১ চামচ দই, ১ চামচ মধু আর আধা চামচ আমন্ড অয়েল নিন। একটি বড় পাত্রে সবকটি উপাদান একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি গাঢ় এবং আঠালো হলে মুখে লাগিয়ে অন্তত ১০ মিনিট রেখে ভালো করে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।
স্বাভাবিক ত্বকের যত্নে অ্যাভোকাডো ও মধুর ফেসমাস্ক: ২ চামচ মধু, ২ চামচ অ্যাভোকাডো, ১টা ডিমের কুসুম একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন বা ভালো করে চটকে মেখে নিন। এবার মুখ পরিষ্কার করে এ পেস্টটি মেখে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। এরপর মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এ ফেসিয়াল সাধারণ ত্বকে অ্যান্টি-এজিংয়ের কাজ করবে। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মধু ও গাজরের ফেসমাস্ক : অর্ধেক গাজর আর আধা চামচ মধু নিন। এবার গাজর ভালো করে সিদ্ধ করে, চটকে পেস্ট বানিয়ে নিন। এখন এতে মধু মিশিয়ে দশ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এর পর মুখ ধুয়ে এ পেস্টটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
সব ধরনের ত্বকের জন্য মধু ও ল্যাভেন্ডার ফেসমাস্ক : ১ চামচ মধু, ৩ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। এটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখটা ধুয়ে ফেলুন। অ্যান্টি-এজিং ফেসিয়াল মাস্ক হিসেবে এ মাস্কটি সব ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রেই খুব উপকারী। সূত্র: জি নিউজ
প্রেমে পড়লেন হেমা মালিনী!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ তিনি যখন নায়িকা ছিলেন তার সৌন্দর্য্যে মেতে ছিল বলিউড। সেই এভারগ্রিন অভিনেত্রী হেমা মালিনীর বয়স সত্তর পেরিয়েছে। কিন্তু তার গ্ল্যামারে আঁচ পড়েনি একটুও। এবার তিনি প্রেমে পড়লেন এক তরুণ নায়কের। তবে তা বাস্তবে নয়। সিনেমায়। ‘সিমলা মির্চি’ ছবিতে তরুণ নায়ক রাজকুমার রাওয়ের সঙ্গে প্রেম করবেন তিনি। এই ছবিতে আবার দর্শক দেখবেন তাদের সেই চিরপরিচিত লাস্যময়ী হেমা মালিনীকে।
ছবিটিতে দক্ষিণী নায়িকা রাকুলপ্রীত সিংও অভিনয় করেছেন। ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। ছবির গল্পে ভুলবশত নায়িকা রাকুলপ্রীত সিংকে লেখা একটি চিঠি তার মা হেমা মালিনীর হাতে গিয়ে পড়বে। এবং তিনি ভেবে বসবেন এ চিঠি তাকেই উদ্দেশ্য করে লেখা। এরপর খুব বেকায়দায় পড়বে ঐ তরুণ অর্থ্যাৎ রাজকুমার রাও। এদিকে তার সমস্যা হলো সে কিছুতেই ভালোবাসার কথা নায়িকাকে বলতে পারে না। এই বিব্রতকর পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে শেষ হবে, তা জানা যাবে ছবিটি মুক্তি পেলেই। প্রসঙ্গত, ছবির মুক্তি পাওয়া ট্রেলারে ৭১ বছরের হেমা মালিনীর পাশে রাকুলপ্রীতকে বেশ ম্রিয়মাণ লেগেছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রমেশ সিপ্পি এবং প্রযোজনা করেছে ভায়াকম। ‘সিমলা মির্চি’ নতুন বছরের শুরুতে আগামী ৩রা জানুয়ারি ভারতজুড়ে মুক্তি পাবে।
বাজারে নতুন পেনড্রাইভ
লোকসমাজ ডেস্ক॥ অ্যাপাসার ব্র্যান্ডের এএইচ১৮০ মডেলের পেনড্রাইভঅ্যাপাসার ব্র্যান্ডের এএইচ১৮০ মডেলের পেনড্রাইভটাইপ সি পোর্টের ডুয়েল ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বাজারে এনেছে টেক রিপাবলিক। অ্যাপাসার ব্র্যান্ডের এএইচ১৮০ মডেলের পেনড্রাইভটি যেকোনো স্মার্টফোন ও ট্যাবেও ব্যবহার করা যাবে। ৩২ ও ৬৪ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফ্ল্যাশ ড্রাইভটির সঙ্গে এর ঢাকনা এমনভাবে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যেন ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরানো যায়।
৩২ গিগাবাইটের দাম ১,৫০০ এবং ৬৪ গিগাবাইটের দাম ২,৯০০ টাকা। এ ছাড়া ৫ জিবিপিএস গতির এএইচ১৭৯ মডেলের ৩২ গিগাবাইটের ওটিজি ইউএসবি পেনড্রাইভের দাম ১,৪০০ এবং ৬৪ গিগাবাইটের দাম ২,৮০০ টাকা। সঙ্গে আছে লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি।
মহানবী (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রতিযোগিতা আয়োজন
লোকসমাজ ডেস্ক॥ প্রথম দফায় বিরত ছিলেন নেদারল্যান্ডের ইসলামবিরোধী এমপি গার্ট উইল্ডার্স। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় পরে আবার তিনি তার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্রের প্রতিযোগিতা আয়োজন করছেন। শনিবার তিনি এমন ঘোষণা দিয়েছেন। দিনশেষে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছেন টুইটারে। তাতে উইল্ডার্স লোকজনকে এই প্রতিযোগিতায় মহানবী (স.)কে নিয়ে আঁকা ব্যাঙ্গচিত্র পাঠানোর আহ্বান করেছেন। নেদারল্যান্ডসের সবচেয়ে বড় বিরোধী দলীয় এই নেতা টুইটে লিখেছেন, সহিংসতা ও ইসলামি ফতোয়াকে কাটিয়ে মুক্ত মত প্রকাশ হতেই হবে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গার্ট উইল্ডার্স গত বছর আগস্টে একই রকম একটি প্রতিযোগিতা বাতিল করেন। ওই সময় এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করার জন্য তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন একজন। এ অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তারপরই তিনি প্রতিযোগিতা বাতিল করেন। গত বছর তার এমন কর্মকা-ের ভয়াবহ প্রতিবাদ হয় পাকিস্তানে। ইসলামপন্থি দল তেহরিকে লাব্বাইক এর আয়োজন করেছিল। তারা নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সব ইসলামিক দেশকে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছিল।
উল্লেখ্য, মহানবী (স.)কে নিয়ে কল্পিত ছবি বা কার্টুন আঁকা ইসলামে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। বেশির ভাগ মুসলিম তাকে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্রকে দেখে থাকেন ভয়াবহ অপরাধ হিসেবে। ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডেরই পত্রিকা জিল্যান্ডস-পোস্টেন মহানবী (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করে। তার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে মুসলিম বিশ্ব। ওই পত্রিকার সম্পাদক অথবা কার্টুনিস্ট কার্ট ওয়েস্টারগার্ডকে হত্যার চেষ্টা করা হয় কয়েকবার। এর দশ বছর পরে ইসলামপন্থি দু’জন ব্যক্তি প্যারিসে শার্লি হেবডো ম্যাগাজিন অফিসে হত্যা করে ১২ জনকে। তারাও মহানবী (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করেছিল।
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় ‘লবঙ্গ চা’
লোকসমাজ ডেস্ক॥ মানুষ যেমন আছে তেমনি তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানান সমস্যাও। ছোট থেকে বড় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে হয় এই মানবদেহকে। তবে আমাদের প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে রোগ মুক্তির উপায়।
চা শধু রসনা তৃপ্তিরই উৎস নয়, রোগ মুক্তির উপায়ও। প্রাকৃতিক শক্তিতে ভরপুর লবঙ্গ চা। এই বিশেষ চা-টি রোগমুক্তির জন্য নানাদিক থেকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করে যায়। লবঙ্গে উপস্থিত ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম নানাভাবে শরীরের উপকার করে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক লবঙ্গ চায়ের নয়টি অসাধারণ উপকারিতা সম্পর্কে-
দাঁতের ব্যাথা কমায়
লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে এক কাপ গরম গরম লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।
ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে
একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, নিয়মিত এক কাপ করে লবঙ্গ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরে ভেতরে অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপাটিজের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, শরীরের কোনো জায়গায় টিউমার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সাইনাসের প্রকোপ কমায়
মাঝে মধ্যেই কি সাইনাসের আক্রমণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল? আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজো এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
দুপুর কিংবা রাতের খাবারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। উপকার মিলবে অবশ্যই।
সারা শরীরে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ চা খাওয়া মাত্র শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর কর্মক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে শরীরের সচলতাও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে
গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগের প্রকোপ যে হারে বেড়েছে তাতে সবারই প্রতিদিন লবঙ্গ চা খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভেতরে থাকা নাইজেরিসিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনো আশঙ্কাই থাকে না।
আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমে
লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্টের ব্যথা কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ওষুধটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে
এবার থেকে কোনো ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গ চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।
নিমেষে জ্বরের প্রকোপ কমায়
লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।










