লোকসমাজ ডেস্ক॥ ইরানের রেভুলিউশনারি গার্ডের এলিট শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ইরাকে মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই তাকে হত্যা করে হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন সামরিক বাহিনীর চালানো এক হামলায় নিহত হন সোলাইমানি। ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে বিক্ষোভকারীদের হামলার একদিন পর এই হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র। সোলাইমানি নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে ইরানও। হামলায় তিনি সহ, ইরাকি মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল-মুহানদিসও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মেজর জেনারেল কাসেম সুলাইমানি
১৯৯৮ সাল থেকে কুদস ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি।
বিগত ২০ বছরে তার ওপর বহু হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল সহ বহু আরব গোয়েন্দা সংস্থা। কিন্তু বৃহস্পতিবারের আগে কোনো হামলাই সফল হয়নি। গত বছরের শুরুর দিকেও খবর বের হয়েছিল যে, তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোলাইমানি নেতৃত্বাধীন কুদস ফোর্স বিদেশে চোরাগুপ্তা অভিযান চালিয়ে থাকে। সিরিয়ায় বাহিনীটির হস্তক্ষেপের অভিযোগ স্বীকার করেছে ইরান। ২০১১ সালে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ যখন গৃহযুদ্ধে হারার পথে ছিলেন তখন তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে যান কুদস ফোর্স প্রধান। পাশাপাশি বাশারের পক্ষে যুদ্ধ করতে অস্ত্র দিয়েছে কয়েক হাজার শিয়া মিলিশিয়াকে। এছাড়া, ইরাকে আইএস বিরোধী লড়াইয়েও তার ভ’মিকা বিশাল। ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধকৌশলের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।
ইরানে সুলেইমানি বিখ্যাত তারকাদের চেয়েও জনপ্রিয়। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে ইরানের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে তার নেতৃত্বাধীন কুদস ফোর্স। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত বছরের এপ্রিলে ইরানের রেভুলিউশনারি গার্ডস ও কুর্দস ফোর্সকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
১৯৯৮ সাল থেকে ইরানের সবচেয়ে ক্ষিপ্র, চতুর ও প্রভাবশালী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন সোলাইমানি। প্রথম দিকে তার বাহীনির তৎপরতা ছিলো খুবই নগণ্য। সেসময় লেবাননে হিজবুল্লাহ, সিরিয়ায় আসাদ ও ইরাকে শিয়া মিলিশিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন তিনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় লাইমলাইটে এসেছেন। প্রায়ই ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খোমেনি ও অন্যান্য প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দেখা গেছে তাকে। তার নেতৃত্বে ইরানের বাইরে গোয়েন্দা, আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব অর্জন করে কুদস ফোর্স।
তবে সোলাইমানির উত্থান হয়েছে একেবারে সাধারণ একজন হিসেবে। তার জন্ম ইরানের পূর্বাঞ্চলে দরিদ্র পিতা-মাতার ঘরে। পরিবারকে সাহায্য করতে ১৩ বছর বয়স থেকেই কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৭৯ সালে ইরানে বিদ্রোহের সময় সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। মাত্র ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যাপক কৌশলগত ক্ষিপ্রতা ও চতুরতা প্রদর্শন করেন। ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় তার অবদানের জন্য জাতীয় বীরের পরিচিত পান এ জেনারেল।
২০০৫ সালে ইরাকে ফের সরকার গঠনের পর সেখানকার রাজনীতিতে প্রভাব বৃদ্ধি করেন সোলাইমানি। সে সময় ইরাকে গঠিত হয় শিয়া-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ও প্যারামিলিটারি বাহিনী বদর অর্গানাইজেশন। দেশটিতে ইরানের সবচেয়ে পুরনো প্রক্সি বাহিনী হিসেবে পরিচিত তারা।
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের সময় ইরাকি মিলিশিয়াদের আসাদ সরকারের পক্ষে যুদ্ধ করতে নির্দেশ দেন সুলাইমানি। এছাড়া, ইরাকে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস বিরোধী যুদ্ধে ইরান-সমর্থিত শিয়া প্যারামিলিটারি ইউনিটগুলো ও বিখ্যাত হাশদ আল-শাবি (পপুলার মোবালাইজেশন ফোর্সেস) ইরাকি মিলিটারির সঙ্গে মিলে লড়াই করে। এসব সংগঠনের অনেকগুলোই ছিল সুলেইমানির নিয়ন্ত্রণে।
বহুবার মরেছেন তিনি
এখন পর্যন্ত বহুবার সোলাইমানি নিহত হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়েছে। ২০০৬ সালে ইরানে এক বিমান দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। তখন গুজব ছোড়ায় যে, সুলেইমানি মারা গেছেন। এরপর ২০১২ সালে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে এক বোমা হামলার পরও তার মৃত্যুর খবর ছড়ায়। ২০১৫ সালে গুজব ছড়ায় যে, আসাদপন্থি বাহিনীর নেতৃত্ব দিতে গিয়ে সিরিয়ায় এক হামলায় নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন সুলেইমানি।
গত বছরের আগস্টে সিরিয়াজুড়ে রেভুলিউশনারি গার্ডের ঘাঁটিগুলোয় ব্যাপক ড্রোন হামলা চালায় ইসরাইল। ইসরাইলের গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসরাইল কাতজ পরে জানান, সেসময় সোলেইমানিকে হত্যার চেষ্টা করছিল ইসরাইল। সর্বশেষ গত অক্টোবরে তেহরান দাবি করেছে, তারা সুলেইমানির ওপর ইসরাইলি ও আরব সংস্থাগুলোর একটি হামলা নস্যাৎ করেছে।
কে ইরানের জেনারেল কাসেম সুলাইমানি?
ভিন্ন মেজাজে ভূমি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরে ছুটি কাটাচ্ছেন তারকারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপচে পড়ছে সেই সব ছবি। আলিয়া-রনবীর থেকে অনুশকা-বিরাট কিংবা সাইফ-কারিনা হোক বা মালাইকা আরোরা-অর্জুন কাপুর, নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন তাদের ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে। সেই সঙ্গে বিকিনি পড়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পাণ্ডেকর। নতুন বছরে ইন্সটাগ্রামে এ ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, আগামী দশকের জন্য এটাই আমার মুড। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভূমি সবুজ বিকিনিতে সমুদ্রতটে উত্তাপ ছড়িয়ে নতুন বছরকে যেন আষ্টেপৃষ্ঠে আপন করে নিলেন তার সঙ্গে। খোলা আকাশের নীচে, নতুন বছরের সূর্যকে সাক্ষ্মী রেখে প্রকৃতি থেকে যেন অফুরন্ত প্রাণপ্রাচুর্য খুঁজে নিলেন ভূমি। ভিন্ন মেজাজের এ ছবির সঙ্গে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন ভূমি।
সেই ভিডিওর সঙ্গে লিখেছেন, জীবন যেমন অনেক কিছু দেয় তেমনি কেড়েও নেয়। গত বছর আমাকে অনেক নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে। যাতে আমি সমৃদ্ধ হয়েছি। অনেক ভালো ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। কাজ করে আমার স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছেছি। সকলের থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। একইসঙ্গে আবার অনেক ভালোবাসার মানুষ ছেড়ে চলে গিয়েছে। সব মিলিয়ে ভালোয়-মন্দ মিশিয়ে কেটে গেল আরো একটা বছর। আবারও অপেক্ষা, এ বছরটাকে দেখার। অপেক্ষা নতুন শেখারও। তার এ ছবি ও ভিডিওর নিচে অনেকেই শুভকামনা জানিয়েছেন। তার বিকিনি পরিহিত ছবির প্রশংসাও করেছেন অনেকে। এদিকে কাজের জগতে আর কয়েকদিনের মধ্যে ভূমিকে দেখা যাবে ‘ড্রামা ভূত-পার্ট ওয়ান’ ছবিতে। এর বাইরে নতুন আরো কয়েকটি ছবি হাতে রয়েছে তার।
স্বস্তিকাকে নিয়ে বিতর্ক
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নাম স্বস্তিকা হোক বা শবনম কিংবা রাজিয়া, যে নামই হোক না কেন, তিনি এখন যেমন ভারতের নাগরিক, নাম পাল্টে গেলেও ভারতের নাগরিকই থাকবেন। তিনি যেমন প্রতিদিন শ্রম দিয়ে নিজের খাবার জোগাড় করছেন, নাম পাল্টে গেলেও সেই একই কাজই করবেন। সমপ্রতি এভাবেই সোস্যাল সাইটে নিজের মত প্রকাশ করেন কলকাতার আলোচিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। আর নিজের এই মত প্রকাশ করে কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছেন টলিউডের এই প্রথম সারির অভিনেত্রী। কারণ সোস্যাল সাইটে নিজের মতামত প্রকাশের সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শকেও স্পষ্ট করেন স্বস্তিকা। অভিনেত্রীর এ পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়। পাশাপাশি স্বস্তিকার ওই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পর তাকে নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক ও সমালোচনা। নেটিজেনদের একাংশের তরফে জোরদার কটাক্ষ করা হয় তাকে।
যদিও কটাক্ষ বা সমালোচনা কোনো কিছুকেই গায়ে মাখেননি এই অভিনেত্রী। তবে তার ওই পোস্ট দেখে কেউ কেউ প্রশংসাও শুরু করে দেন অভিনেত্রীর।
‘ফের মুখ খুললেন সানি, বললেন পুরুষদেরও নির্যাতন করা হয়’
লোকসমাজ ডেস্ক॥ আবারও ‘#মিটু’ নিয়ে মুখ খুললেন সানি লিওন। বললেন, শুধু নারীরাই নয়, পুরুষদেরও যৌন নির্যাতন করা হয়! এর মধ্যদিয়ে প্রায় দু’বছর পর #মিটু নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। খবর দ্য শিলং টাইমস এর।
সানি বলেন, #মিটু আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। একই সঙ্গে অনেকেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন, তবে নারীদের পাশপাশি পুরুষরাও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। তারা কখনও সেই বিষয়ে কথা বলেন না। কিন্তু এই নিয়ে তাদের মুখ খোলা দরকার বলেও জানান তিনি।
এই অভিনেত্রী পুরুষদের আরও জানান, চুপ করে থাকলে তাদের সাহস আরও বাড়বে এবং এই জঘন্য কাজ তারা ক্রমাগত করবে। তাই এই বিষয়ে মুখ খুলুন। আমার মতে অনেকেটাই পরিবর্তন এসেছে।
এবার গান গেয়ে ভাইরাল শাকিব-অপু পুত্র জয়(ভিডিও)
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বলিউডে স্টারকিডরা বেশ জনপ্রিয়। সাইফ আলি খান-কারিনা কাপুরের ছেলে তৈমুরকে নিয়ে প্রায়ই দেখা যায় ইন্ডিয়ার গণমাধ্যমগুলো নানা সময় বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। পিছিয়ে নেই আমাদের দেশের সুপারস্টার শাকিব খান ও ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসের এক মাত্র ছেলে আব্রাম খান জয়।
পৃথিবীর বুকে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্টারকিড জয়। নানা সময়ে শাকিব-অপু পুত্র জয় সংবাদের শিরোনাম হয়েছে নানা কারণে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এই স্টারকিড। এবার মা-বাবাকে নিয়ে সুরে সুরে গাইলেন জয়। আর তারই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস।
‘মাম্মি অ্যান্ড ড্যাডি আই লাভ ইউ/ কাম টু মি হোয়েন আই কল ইউ/ গিভ মি এ কিস হোয়েন আই আসক ইউ/ মাম্মি অ্যান্ড ড্যাডি আই লাভ ইউ।’—এমন কথার ছড়াটি ভাঙা ভাঙা সুরে গেয়ে ভাইরাল হয়েছে জয়। মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিওটি আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় অপু তার ফেসবুকে পোস্ট করেন। তারপর থেকেই ভক্তরা এ ভিডিওতে মন্তব্য করছেন।
জয়ের ব্যাপারে বরাবরই বেশ সচেতন মা অপু বিশ্বাস। গেলো বছর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা’ তে প্লে-গ্রুপে ভর্তি হয়েছে আব্রাম খান জয়। ভর্তির পর থেকেই স্কুলে জয়ের ছবি আঁকা সহ নানা ছবিই ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
স্বামী রণভীরের নাম শুনেই রেগে গেলেন দীপিকা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ দীর্ঘ দিন প্রেম করে বিয়ে করেছেন রণভীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন। এখন জমিয়ে সংসার করছেন তারা। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে নিয়মিতই মিডিয়ায় কথাও বলতে দেখা যায় দীপিকাকে। নিজের স্বামীকে নাম্বার ওয়ান বলেও মন্তব্য করেন। সব মিলিয়ে রণভীর-দীপিকাকে একে অপরের প্রতি বেশ দায়িত্বশীল মনে হয়।
সব তো ঠিক চলছে, তবে হঠাৎ করে রণভীর সিংয়ের নাম শুনে রেগে গেলেন কেনো দীপিকা পাড়ুকোন? মুক্তির অপেক্ষায় আছে দীপিকা ও বিক্রান্ত অভিনীত ‘ছপাক’। মেঘনা গুলজার এ ছবিতে তুলে ধরেছেন অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মী আগরওয়ালের গল্প। ১০ জানুয়ারি মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
বর্তমানে ‘ছপাক’ সিনেমার প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দীপিকা। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রেগে যান দীপিকা। সাংদিক জানতে চেয়েছিলেন, ‘ছপকক’ সিনেমার ট্রেলার দেখে রণভীর সিং এর অনুভূতি কী?
এই প্রশ্ন শুনে দীপিকা বলেন, ‘ছবিটি তৈরি হয়েছে আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে।
ছপাক তৈরির জন্য যে অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে, তা একদম দীপিকার নিজস্ব৷ সেখানে রণবীরের কোনও ভাগ নেই৷ তাহলে রণভীর কীভাবে এই সিনেমা নিয়ে কথা বলবেন!’
এই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মী আগরওয়াল। তার জীবনের গল্পেই এই ছবি। সেখানে লক্ষ্মী আগরওয়লের হাত শক্ত করে ধরে রাখেন দীপিকা। কিন্তু দীপিকার হাত ধরেও শেষ পর্যন্ত শঙ্কর মহাদেবনের গান শুনে কেঁদে ফেলেন লক্ষ্মী আগরওয়াল।
নতুন অফার দিয়ে বছর শুরু হুয়াওয়ের
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে গ্রাহকদের জন্য ‘বাই অ্যান্ড উইন’ অফার নিয়ে এসেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।
গ্রাহকরা ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে চলমান এ অফারের আওতায় হুয়াওয়ে হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেটসহ নানা অ্যাকসেসরিজ কিনে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার।
বাজারে হুয়াওয়ের প্রায় সব হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেট, ওয়াচ জিটি-২, ফ্রিবাডস লাইট এবং ফ্রিবাডস-৩ কিনে জেতার সুযোগ রয়েছে দারুণসব উপহারের। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াই ফাইভ ২০১৯ স্মার্টফোন, ওয়াচ জিটি-১, ব্যান্ড-৪, ব্যান্ড-২, পাওয়ার ব্যাংক, ভিআর ৩৬০ ক্যামেরা, সেলফি স্টিক ও টি-শার্ট।
দেশে হুয়াওয়ের অনুমোদিত যেকোনো ব্র্যান্ডশপ ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের (জিঅ্যান্ডজি) আউটলেট থেকে পণ্য কিনেই এ অফারটি পাওয়া যাবে। হুয়াওয়ের জাতীয় পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজি (বিডি) লিমিটেড ঘোষিত মাসব্যাপী এই অফারটি পেতে এসএমএস অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে Huawei<Space>Retailcode<Space>IMEI Number লিখে পাঠাতে হবে ২৬৯৬৯ নম্বরে। আর ফিরতি এসএমএসে গিফটের নাম জানতে পারবেন ক্রেতারা।
রাশিয়ায় একের বেশি সন্তান জন্ম দিলে ৭৪৭৫ ডলার দেবে সরকার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ভবিষ্যতে নাটকীয়ভাবে কমে যেতে পারে রাশিয়ার জনসংখ্যা। সম্প্রতি এমনটা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ সতর্কতার পর, একের বেশি সন্তান জন্মদানে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশদের অধিক সন্তান নিতে আগ্রহী করে তুলতেই এই পদক্ষেপ। এ খবর দিয়েছে দ্য টাইমস।
খবরে বলা হয়, ২০০৭ সাল থেকে ‘মাতৃত্ব ভাতা’ (ম্যাটার্নিটি ক্যাপিটাল) দেয়া শুরু করে রুশ সরকার। কোনো পরিবার যদি একের বেশি সন্তান নেয় তাহলে দ্বিতীয় সন্তানের শিক্ষা, বাসস্থান বা মায়ের ভাতা হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়ে থাকে। সম্প্রতি সে অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন পুতিন। তার নির্দেশ অনুসারে, এখন থেকে ‘মাতৃত্ব ভাতা’র পরিমাণ হবে ৭ হাজার ৪৭৫ ডলারের বেশি।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার রাষ্ট্র পরিচালিত পরিসংখ্যান সেবা সংস্থা রসস্ট্যাট জানায়, আগামী দুই দশকের মধ্যে রাশিয়ার জনসংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ কমে যেতে পারে। ২০১৮ সালে দেশটির জনসংখ্যা ৮৭ হাজার কমে ১২ কোটি ৬৮ লাখে দাঁড়িয়েছে। রসস্ট্যাট আরো জানায়, দেশজুড়ে কমছে সন্তান জন্মদানের হার। অন্যদিকে বাড়ছে মৃত্যু হার। এমন সতর্কতার পরই পুতিন নির্দেশ জারি করেন।
মাতৃত্ব ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অ্যালকোহল ও সিগারেটের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছেন পুতিন। গত বছর পার্লামেন্টের জন্য প্রস্তুত করা এক প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ায় প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে ৩৮ শতাংশের মৃত্যু হয় অ্যালকোহল সংশ্লিষ্ট কারণে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, অধিকমাত্রায় অ্যালকোহল গ্রহণের কারণে পুরুষরা কারাগারের তুলনায় মুক্ত অবস্থায় বেশি মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকে। সেখানে পুরুষদের গোড় আয়ু হচ্ছে ৬৮ বছর। অন্যদিকে নারীদের গড় আয়ু হচ্ছে ৭৮ বছর।
বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন মাহি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। বেশ কিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে ফাটল ধরেছে এই নায়িকার সংসারে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। এত দিন চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন মাহি।
শুক্রবার মাহি তার ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেন লিখেছেন, আমাদের সংসার নিয়ে এক সঙ্গে আছি এবং ভালো আছি- আলহামদুলিল্লাহ্। আপনাদের উল্টাপাল্টা নিউজে সত্যিই মানুষ বিভ্রান্ত হয়। প্লিজ স্টপ ইট।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও মাহমুদ পারভেজ অপুর বিয়ে সম্পন্ন হয়। দুজনের মধ্যে পূর্ব পরিচয় থাকলেও উভয় পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে করেন মাহি-অপু। এর আগে, ওই বছর ১২ মে গোপনে মাহি ও অপুর বাগদান হয়।
একে একে মাহি উপহার দিয়েছেন অন্যরকম ভালোবাসা, পোড়ামন, ভালোবাসা আজকাল, তবুও ভালোবাসা, অনেক সাধের ময়না, অগ্নি, অগ্নি ২, রোমিও বনাম জুলিয়েট, কৃষ্ণপক্ষ, দেশা দ্য লিডার ও ঢাকা অ্যাটাক এবং জান্নাতের মতো সফল চলচ্চিত্র।
বন্ধের শঙ্কায় চট্টগ্রামের ১৫ পোশাক কারখানা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ পোশাক খাতের কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও শ্রমনিরাপত্তা মূল্যায়নে কারখানা সংস্কারে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল সরকার। পরবর্তী সময়ে এসব কারখানা ও বিভিন্ন সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একাধিকবার সংস্কারের সময় বৃদ্ধি করে কর্তৃপক্ষ। তবে চলতি বছরের জুনের পর নতুন করে কারখানাগুলোকে আর সময় দিতে আগ্রহী নয় কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। অন্যদিকে এ বর্ধিত সময়ের মধ্যে অনেক কারখানা সংস্কার সম্পন্ন করতে পারবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর্থিক ও প্রয়োজনীয় অন্য সহযোগিতা না পেলে অন্তত ১৫ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কর্মপরিবেশ ও শ্রম নিরাপত্তা মূল্যায়নে কারখানা সংস্কারে বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চট্টগ্রামের কারখানার সংখ্যা ৫০টির বেশি। এখন পর্যন্ত কিছু কারখানা সংস্কার সম্পন্ন করতে সমর্থ হলেও বেশির ভাগের পক্ষেই এখনো তা সম্ভব হয়নি। এমনকি অনেক কারখানা সংস্কার না করতে পেরে বন্ধ হয়ে গেছে।
চট্টগ্রামের পোশাক খাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিজিএমইএর প্রস্তুতকৃত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৬৮৬টি পোশাক কারখানার মধ্যে ২০১৮ সালে চালু ছিল ৩৬৪টি। তবে চালু থাকা এসব কারখানার সংখ্যা চলতি বছর কমে দাঁড়িয়েছে ৩২৮-এ। এর মধ্যে বর্তমানে সরাসরি রফতানি কার্যক্রমে আছে ১৮৬টি কারখানা। অর্থাৎ স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে ৩৬টি পোশাক কারখানা। পাশাপাশি সরাসরি রফতানি কার্যক্রমে জড়িত কারখানার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। পোশাক কারখানা মালিক ও খাতসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্ধের শঙ্কায় আছে কমপক্ষে ১৫ পোশাক কারখানা।
চট্টগ্রাম কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মো. আল-আমীন জানান, নিয়মানুযায়ী স্থাপন না করা চট্টগ্রামের কতগুলো পোশাক কারখানার একটি তালিকা গত বছর আমাদের হাতে আসে। সেগুলো ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার করার কথা ছিল। কারখানাগুলো সংস্কার করতে না পারায় অনেকবার সময় বাড়ানো হয়। ২০২০ সালের জুনে কারখানা সংস্কারে এ বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার কথা। সময় আর নতুন করে বাড়ানো হবে কিনা এমন সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি।
এ বিষয়ে বিজিএমইএর প্রকৌশলী মো. মঈন জানান, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের বিভিন্ন শর্তের কারণে কারখানাগুলোকে সংস্কার করার কথা বলা হয়। অ্যালায়েন্সের বেঁধে দেয়া সময় শেষ হয়েছে। তবে অ্যাকর্ডের সময় ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বর্ধিত আছে। অ্যাকর্ডের সময় শেষ হলে তখন এ কাজের তদারক করবে আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিল (আরএসটি)। তখন ব্র্যান্ড কোম্পানি, শ্রমিক সংগঠন ও বিজিএমইএর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত দল এ বিষয়গুলো মনিটরিং করবে।
কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের তালিকায় থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কারখানায় সংস্কার শুরু করা হলেও এখনো কাজ শেষ করা যায়নি। এজন্য শেয়ারিং কারখানা বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। তবে নতুন করে জায়গা কিনে কারখানা আবার চালুর বিষয়ে আলোচনা করছি। তবে পেরে উঠব কিনা সে বিষয় নিশ্চিত নই। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিপদে আছি। অন্য কারখানাগুলোর অবস্থাও একই। এ বিষয়ে বিজিএমইএ বিশেষ ভূমিকা না নিলে আমাদের মতো ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয় যাবে।
এদিকে সংস্কার করতে হবে এমন কোম্পানির তালিকায় থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, তালিকায় চট্টগ্রামের যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেছে কল-কারখানা পরিদপ্তর, তার মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান চালু আছে, তার মধ্যে ৩০-৩৫টি প্রতিষ্ঠানের ইউডি চালু আছে, বাকিগুলো বন্ধ আছে। তাছাড়া রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনস বিপর্যয়ের পর অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে চট্টগ্রামে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন শিল্পপল্লী এ অঞ্চলে গড়ে না ওঠায় অনেকে শহরের বাইরে জমি কিনে প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। সেখানে এ ধরনের চিঠি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের বিরূপ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে। সেজন্য ছোট ব্যবসায়ীরা এ বাজারে টিকে থাকতে পারবেন না। ছোট কারখানার ব্যাপারে সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজিএমইএর পরিচালক জানান, পোশাক খাতের সূচনা হওয়া এ চট্টগ্রামেই সবচেয়ে বেশি কারখানা একের পর এক বন্ধ হচ্ছে। কারণ শুরু থেকেই শেয়ারিং করে এখানে কারখানাগুলো চালু ছিল। সংস্কারে ভবন মালিকগুলোর সহযোগিতা না পাওয়ায় ফায়ার সেফটিসহ অন্যান্য কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চট্টগ্রামের কারখানা বেশি বন্ধ হচ্ছে। তাছাড়া দু-একজন শহরের বাইরে জায়গা কিনে নতুন করে কারখানা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেও সবার পক্ষে সম্ভব নয়। সমস্যা সমাধানে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছি।










