তালা (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা ॥ সাতক্ষীরার তালার হরিহরনগরে বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় শাওন (১০) নামের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। সে হরিহরনগর গ্রামের শফিকুল সরদারের ছেলে এবং হরিহরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শাওন বাড়ি থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে কিছুদূর গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালিভর্তি ট্রাক অতিক্রম করার সময় রাস্তার পাশে কেটে রাখা তালগাছে সাইকেলের প্যাডেল বেঁধে রাস্তার মধ্যে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের পিছনের চাকা শাওনের কোমর ও তলপেটের উপর দিয়ে চলে যায়। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়। তালা হাসপাতালের চিকিৎসকরা শাওনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।
নির্যাতনে জর্জরিত একজন নেতাকর্মীও ছাত্রদল ছেড়ে যায়নি: আলীম
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে যারা দুর্বল ও ভঙ্গুর সংগঠন আখ্যায়িত করেন, তাদেরকে সমালোচনা থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম। বলেছেন, ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীরা বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা। কারা নির্যাতন আর হামলায় তারা জর্জরিত। তারপরও একজন নেতাকর্মীও ছাত্রদল ছেড়ে যায়নি। রাজপথ ছেড়ে যায়নি।
রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর গণতন্ত্রের সংগ্রামের আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যে সংগঠনের বিকাশ- সেই সংগঠনকে কেউ ধ্বংস বা বিনাশ করতে পারবেনা দাবি করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলীম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে ছাত্রদলের হাত ধরেই। ২০২০ সাল হবে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের বছর। আর সে বিজয় আসবে ছাত্রদলের হাত ধরেই। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনের জেলা শাখা। এ উপলক্ষে নগরীতে বিশাল ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন থানা থেকে একের পর পর এক মিছিল এসে সমাবেশে যোগ দেয়। সমাবেশের মূল দাবি ছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- শফিকুল আলম তুহিন, অধ্যাপক সেলিম আহমেদ মিয়া, শেখ সাদী, মাসুদ পাভেজ বাবু, মাহবুব হাসান পিয়ারী, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, ইবাদুল হক রুবায়েদ, হাফিজুর রহমান, মিরাজুর রহমান মিরাজ, আতাউর রহমান রুনু, খান ইসমাঈল হোসেন, মতিউর রহমান বা”চু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বিকাশ মিত্র, শহিদুল ইসলাম শহিদ। বিশেষ বক্তা ছিলেন ছাত্রদল নির্বাহী সম্পাদকের সহ সভাপতি পার্থদেব মন্ডল ও সহ সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তার, কেন্দ্রীয় নেতা মোকলেছুর রহমান, বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল আহমেদ সুমন।
১৬ বছর পর ঘোড়শাল আ.লীগের সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ ॥ ১৬ বছর পর জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘোড়শাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে বুধবার বিকেলে নারিকেলবাড়িয়া হাইস্কুল মাঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. আব্দুর রশীদ। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিত্য গোপাল শিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-মাগুরা সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খালেদা খানম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশিদুর রহমান রাসেল, কালীগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিবলী নোমানি, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল। আলোচনা সভার শুরুতেই ঘোড়শাল ইউনিয়নের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরু মিয়াসহ নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে ভোটারদের সর্বসম্মতিক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে নিত্য গোপাল শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক পদে রণজিৎ কুমারকে নির্বাচিত করা হয়। রাতে অধিবেশন শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুন্দরবনে ফাঁদসহ হরিণ শিকারী আটক
বাগেরহাট সংবাদদাতা ॥ সুন্দরবনে ফাঁদসহ হরিণ শিকারের অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক শেখ (৩০) নামের একজনকে আটক করেছে বনরক্ষীরা। বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের নন্দবালা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় ১০০ মিটার ফাঁদ ও একটি নৌকা জব্দ করা হয়। সে মোংলা উপজেলার জয়মনিরঘোল এলাকার নুর আলী শেখের ছেলে। বিকালে তাকে বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের ডিএফও মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, চাঁদপাই রেঞ্জের নন্দবালা এলাকার টহল ফাঁড়ির অফিসার্স ইনচার্জ আলামিনের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এ সময় খালে থাকা একটি নৌকা থেকে আব্দুর রাজ্জাক বের হয়ে আস। তখন তাকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে সে বনে হরিণ ধরার ফাঁদ পাতার কথা স্বীকার করে। পরে ওই এলাকার বনের মধ্যে থেকে ১০০ মিটার হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরাজয়ের বদলা নিয়ে সবার ওপরে রাজশাহী
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দেখায় রাজশাহী রয়্যালসকে ৪৭ রানে হারিয়েছিল রংপুর রেঞ্জার্স। একদিন পর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সেই পরাজয়ের বদলা নিয়ে নিলো রাজশাহী। রংপুরকে ৩০ রানে হারিয়ে বিপিএলের পয়েন্ট তালিকারও শীর্ষে ওঠে গেছে শোয়েব মালিকের দল। ৯ ম্যাচে ৬ জয়ে এখন ১২ পয়েন্ট রাজশাহীর। সমান ম্যাচে সমান জয়ে পয়েন্ট সমান হলেও নেট রানরেটে পিছিয়ে থাকায় দুই নম্বরে আছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তিনে খুলনা টাইগার্স আর চারে আছে ঢাকা প্লাটুন।
সিলেটে ১৮০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় রংপুর। শেন ওয়াটসন টানা চতুর্থ ম্যাচে দশের নিচেই সাজঘরের পথ ধরেন। মাত্র ২ রান করে অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার বোল্ড হন মোহাম্মদ নওয়াজের বলে। ঝড় তুলতে গিয়েও বেশিদূর এগোতে পারেননি ক্যামেরুন ডেলপোর্টও। ৭ বলে ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ১৪ রান করেন তিনি। তারপরও দারুণ খেলছিলেন নাইম শেখ। চার ছক্কায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন সামনের দিকে। কিন্তু শোয়েব মালিকের এক ঘূর্ণি ডেলিভারিতে বুঝতে না পেরে আলতো করে ব্যাটে লাগিয়ে দেন তিনি, বল ওঠে যায় আকাশে। রবি বোপারার ক্যাচটি নিতে কষ্ট হয়নি। ১৮ বলে ২টি করে চার ছক্কায় নাইম তখন ২৭ রানে।
চতুর্থ উইকেটে টম অ্যাবেলকে নিয়ে ৪৬ বলে ৬৪ রানের এক জুটিতে রংপুুরকে লড়াইয়ে ফেরান ফজলে মাহমুদ। কিন্তু তিন বলের ব্যবধানে এই জুটির দুই ব্যাটসম্যানকেই হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে যায় ওয়াটসনের দল। ২৪ বলে ২৯ রান করে আউট হন অ্যাবেল, পরের ওভারে ফিরে যান ফজলে মাহমুদও। ২৬ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৪ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান নওয়াজ।
পরের ব্যাটসম্যানরা আর অসাধ্য সাধন করতে পারেননি। রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ১৪৯ রানেই থামে রংপুর রেঞ্জার্সের ইনিংস। শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ নওয়াজ আর কামরুল ইসলাম রাব্বি নেন ২টি করে উইকেট। এর আগে আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, রবি বোপারাদের ব্যাটে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজশাহী। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল রাজশাহী। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৪.৫ ওভারে ৫১ রান যোগ করেন আফিফ ও লিটন দাস। তবে দুজনের কেউই ব্যক্তিগত ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। লিটন ১৫ বলে ১৯ এবং আফিফ মাত্র ১৭ বলে করেন ৩২ রান। এরপর ইরফান শুক্কুর ২০ বলে ২০ ও শোয়েব ৩১ বলে ৩৭ রান করলে খানিক স্লথ হয়ে আসে রাজশাহীর ইনিংস। তবে শেষদিকে ঝড় তোলেন রবি বোপারা। মোস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভার থেকেই ৪টি চারের মারে নেন ২২ রান। যার সুবাদে ১৭৯ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী। মাত্র ২৯ বলে ৫০ রান অপরাজিত থাকেন বোপারা। নিজের ইনিংসে ইংলিশ এই অলরাউন্ডার ৪টি চারের সঙ্গে হাঁকান ৩টি ছক্কা। রংপুরের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান নেন ২ উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি ও মোহাম্মদ নবীর ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।
কালীগঞ্জে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা ॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, প্রতিবন্ধীদের মাঝে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড এবং সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অফিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ থেকে এক র্যালি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণ রানী সাহার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস.এম জাহাঙ্গীর সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী ও শাহনাজ পারভীন। আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. কৌশিক খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মধুসূদন সাহা। সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে প্রতিবন্ধীদের মাঝে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড ও সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ করা হয়।
ঢাবি প্রক্টরের অপসারণ দাবিতে স্মারকলিপি
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার ও নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য প্রক্টরকে অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্য। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ শেষে শিক্ষার্থীরা ভিসি কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা ভিসির কাছে স্মারকলিপি দেন।
সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্য ১২টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত। ১২টি সংগঠনের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, নাগরিক ছাত্র ঐক্য, স্বতন্ত্র জোট ও ছাত্র গণমঞ্চ। শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ভিপি নুরুল হক নুরসহ সব শিক্ষার্থীর ওপর হামলাকারীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও আইনানুগ বিচার করতে হবে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরকে অপসারণ করতে হবে, ডাকসুতে হামলায় আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে। হামলায় আহতদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। হলে হলে দখলদারিত্ব, গেস্টরুম-গণরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাকসু ভবনে নৃশংস হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরসহ আহত শিক্ষার্থীদের নামে মামলা করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য আমরা পাইনি। উপরন্তু আহতদেরই দোষারোপ করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত।’ ভিসির উদ্দেশ্যে আরও বলা হয়, ‘আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ঢাবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে, এস এম হলে, বিজয় ৭১ হলসহ ক্যাম্পাসে বারবার নুরুল হক নুরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা করা হচ্ছে। কিন্তু হামলাকারীরা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। ফলে সহিংসতা বেড়েই চলছে। যার দায়ভার প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
আপনি জানেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের সন্ত্রাস-সহিংসতায় আবুবকর, হাফিজুর মোল্লাসহ অনেক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। হলে আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানে হল প্রশাসন বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। সন্ত্রাসী দখলদারদের কাছে জিম্মি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অনেক ঘটনা প্রতিদিন ঘটে, যা তারা প্রশাসনের কাছে প্রকাশ করার মতো নিশ্চয়তাও পান না। সরকারের মদদপুষ্ট ছাত্রলীগের পক্ষ নিতে গিয়ে প্রতিটি ঘটনায় প্রক্টর শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি আবাসিক হলে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব জারি রেখে, ছাত্রদের গেস্টরুমে ম্যানার শেখানোর নামে ভয় দেখিয়ে গেস্টরুমগুলোকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করেছে। গেস্টরুম নির্যাতনে ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঢাবির শিক্ষার পরিবেশকে দীর্ঘস্থায়ী আতঙ্কের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। শিক্ষাঙ্গনের এমন অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য অর্জনের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। ছাত্রদের মতপ্রকাশের অধিকার ভুলুণ্ঠিত। মত প্রকাশ করা একজন ছাত্রের স্বাভাবিক অধিকার হলেও বুয়েটের আবরার ফাহাদকে স্বাধীন মতপ্রকাশের কারণে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হতে হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির কারণে বেশকিছু শিক্ষার্থী নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।
ডাকসু ভবনে ঢুকে ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা করা হয়েছে। সেই হামলার দিন আমাদের নেতারা প্রক্টরকে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নৃশংসতা বন্ধ করতে উদ্যোগী হওয়ার কথা বললেও উনি যথাসময়ে সেখানে উপস্থিত হননি, তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন। তিনি ইনিয়ে-বিনিয়ে হামলাকারীদের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করছেন। তার এ আচরণ এটা স্পষ্ট করে যে, তিনি হামলাকারী মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের মদদদাতা এবং হামলার সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছেন। অর্থাৎ ছাত্রদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত প্রক্টর দায়িত্ব পালনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এরকম পক্ষপাতদুষ্ট নির্লজ্জ একজন ব্যক্তি কোনোভাবেই প্রক্টরের পদে বহাল থাকতে পারে না। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি লাগানো হয়েছে অথচ সেই সিসিটিভির ফুটেজ গায়েব করা হয়েছে। আমরা মনে করি, প্রক্টরিয়াল প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, আমরা আপনার মাধ্যমে অবিলম্বে নিম্নোক্ত ৪ দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই। অন্যথায়, আমরা আমাদের অধিকার আদায়ে ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলবো। আমরা ক্যাম্পাসে চলমান সন্ত্রাস দখলদারিত্ব ও সহিংসতার অবসানের জন্য গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন ও ছাত্রসমাজের স্বার্থে আন্দোলনকারী গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল ১২টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে ‘সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্য’ গঠন করেছি। যেকোনো সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক ও স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে আমরা আমাদের লড়াই-সংগ্রাম পরিচালনা করবো।’
সাঁতার শিখেছি, এবার আটলান্টিক পাড়ি দেবো
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে দশ-এর দশক শেষ হলো (২০১০-২০১৯)। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এটি মূলত শূন্যতার দশক। দশে ধ্স—এভাবেও বলছেন কেউ কেউ। সিনেমা, সংগীত, টিভি এমনকি মঞ্চেও নেই উল্লেখযোগ্য কোনও অর্জন। সঙ্গে চলে গেছেন অনেক গুণিজন। তবে শুরু হওয়া নতুন বছর কিংবা বিশ দশক (২০২০-২০২৯) নিয়ে প্রত্যাশার গল্পও শোনাচ্ছেন অনেকে। বিশে (২০) বিষক্ষয়—এভাবেও মূল্যায়ন করছেন কেউ কেউ। বলছেন, এই বছর থেকে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে আসবে গুণগত পরিবর্তন। সুরাহা হবে বেশিরভাগ সমস্যার। বিশ দশক হবে দেশীয় সংস্কৃতির বৈপ্লবিক জাগরণের। আবার এমনও অনেকে আছেন, যাদের কণ্ঠে হতাশার সুর। বলছেন—দশক কিংবা নতুন বছর বলে কথা নয়। ক্যালেন্ডার বদলালেও কাজের পার্থক্য ১৯ আর ২০! মানে সামান্যই। ‘দশে ধ্স’ আর ‘বিশে বিষক্ষয়’ অথবা ‘১৯/২০’ বিষয়ে সংস্কৃতির বিভিন্ন বিভাগের উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা নিজেদের পর্যালোচনা তুলে ধরলেন বাংলা ট্রিবিউন-এর বিশেষ এই আয়োজনে।
২০১০ সালে আমি ‘ও লেভেল’ দিয়েছি। ২০১১ সালে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াই। প্রথমে একটা টিভিসি, পরে একটি টেলিছবি করি। শুরু হয়ে গেলো আমার অ্যাকটিং ক্যারিয়ার। ২০১৪ সালে এসে আমি প্রথম অনুভব করি ‘ভালোবাসা’ বিষয়টি! মানে প্রেম। এক বছরের মাথায় ২০১৫ সালে সেই প্রেম ভেঙে গেলো! মানে প্রথম মন ভাঙার স্বাদ গ্রহণ করি। সেটি ছিল এ পর্যন্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত। তবে এ নিয়ে অনুতপ্ত নই। কারণ, এই ভাঙাগড়া ইস্যুটা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। ফিনিক্স পাখির মতো ২০১৬ সালে আমি আবার উঠে দাঁড়ালাম। ২০১৭ সালে এসে একসঙ্গে দুটি সিনেমার কাজ করলাম। শুরু হলো আমার ফিল্ম ক্যারিয়ার। আবার ২০১৮ সালে এসে আমি অনেক কিছু হারিয়ে ফেললাম। শেষ বছর (২০১৯) আমি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস অনুভব করলাম। এই বছর আমার প্রথম এবং আরও দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে! বছর শেষে এসেছিল ‘কাঠবিড়ালী’।
তো বছরের শেষ দিনে (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯) দাঁড়িয়ে যখন আমি বাংলা ট্রিবিউনের অনুরোধে পেছনে তাকালাম, তখন পুরো একটা দশক আমার চোখের সামনে ভেসে উঠলো, মুহূর্তেই। এই ফিরে দেখা সত্যিই রোমাঞ্চকর বিষয়। তো এই ফিরে দেখার পর নিজেকে মনে হলো একজন অপরাজিতার মতো। যে আসলে ভাঙার নয়, হেরে যাওয়ার নয়, থেমে যাওয়ার নয়। এই দশ বছরে আমি কিশোরী থেকে নারী হয়ে উঠেছি!
এই দশ বছরে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন কোনটা জানেন? সাঁতার শিখেছি! বিশ দশকে আমি আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেবো। কথা দিচ্ছি। শেষে এটুকু বলি, এই শহর, সমাজ, মিডিয়া, রাষ্ট্র কিংবা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ নিজের মতো ভালো থাকুক—সেই প্রত্যাশা সবসময় করি।
খাজুরায় ১৬ দলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে মির্জাপুর চ্যাম্পিয়ন
খাজুরা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে যশোরের খাজুরার মথুরাপুর যুব কল্যাণ সংঘের আয়োজনে ১৬ দলীয় ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার রাতে খাজুরা বাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। মাহমুদুল হাসানের পরিচালনায় টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাঘারপাড়ার শিশির বন্ধন দলকে হারিয়ে মির্জাপুর যুব ব্যাটমিন্টন দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই জুম্মান খান। চ্যাম্পিয়ন দলকে ৮ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও ট্রফি এবং রানার্সআপ দলকে ৫ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও ট্রফি প্রদান করা হয়।
আ’লীগ সন্ত্রাস নির্ভর রাজনৈতিক দল : মির্জা ফখরুল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে হামলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) বিএনপির সহদফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন সাক্ষরতি এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (১ জানুয়ারী) পটুয়াখালীতে সকাল সাড়ে ১১টার সময় পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী জেলা বিএনপি’র সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনের প্রধান ফটক ভেঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা বাড়ির দামী আসবাবপত্রসহ সবকিছু ভেঙ্গে তছনছ করে। ইতোপূর্বেও আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় এধরণের হামলা সংঘটিত হয়। বারবার আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দ্বারা এহেন ঘৃণ্য, ন্যাক্কারজনক ও কাপুরোষোচিত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন,‘আওয়ামী নেতাদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আরো বেপরোয়া হওয়ার শিক্ষা পেয়েই ইংরেজি নববর্ষ বরণের মতো দিনে কোন কারণ ছাড়াই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে ছাত্রলীগ এটি জানান দিলো যে, অতীতের বছরগুলোর মতোই ২০২০ সালেও তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিএনপি-কে রাজনীতির ময়দান থেকে বিদায় করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে। সুতরাং এটি নি:সন্দেহে বলা যায়-ছাত্রলীগ ও সন্ত্রাস ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। সারাদেশে ছাত্রলীগের যে পৈশাচিক ও বর্বরোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলছে, আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে সংঘটিত বারবার হামলা সেটিরই নিরবচ্ছিন্ন অংশ। তিনি আরো বলেন, আজকের এই হামলা আবারো প্রমাণ করলো- আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস নির্ভর একটি রাজনৈতিক দল, এরা সন্ত্রাসের পরিকাঠামো তৈরী করে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতা কব্জায় রাখতে চায়। এসময় তিনি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।










