১৯ সেপ্টেম্বর প্রেস ক্লাব যশোরের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন

0
ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর প্রেস ক্লাব যশোরের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ সভা। প্রেস ক্লাব আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভাতেই এ সিদ্ধান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ক্লাবের শহীদ সাংবাদিক শামছুর রহমান মিলনায়তনে আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলার সভাপতিত্বে আহ্বায়ক কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সদস্য সচিব মবিনুল ইসলাম মবিন।

সভায় সদ্য সমাপ্ত বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে আগামী দেড় মাসের মধ্যে ক্লাবের নতুন সদস্যপদ প্রদান, দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আয়োজন এবং সঠিকভাবে ক্লাব পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া সদস্য চাঁদা, মিডিয়া হাউসের ঘরভাড়া এবং ক্লাবের কাছে সদস্যদের কোনো দায়-দেনা থাকলে তা পরিশোধ করতে হবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে দ্রুত ক্লাবের অডিট সম্পন্ন করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া আহ্বায়ক কমিটির দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য কয়েকটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সভায় বিশেষ সাধারণ সভার ভিডিও ধারণ করে তা বিকৃতভাবে উপস্থাপন এবং ক্লাবের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের জন্য বাইরে সরবরাহ করার ঘটনায় সদস্যরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সদস্যরা বলেন, বিশেষ সাধারণ সভা চলাকালে ট্রেজারি বেঞ্চ ও সাধারণ সদস্যদের পক্ষ থেকে ভিডিও ধারণ না করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। এরপরও যারা ভিডিও ধারণ করে তা বাইরে সরবরাহ করেছেন, তারা প্রেস ক্লাব যশোরের ভাবমূর্তি নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন।

এর ফলশ্রুতিতে ষড়যন্ত্রকারী ও কুচক্রী মহল প্রেস ক্লাব যশোর এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে যশোরের অভিভাবক ও ক্লাবের সদস্য প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে নিয়েও মিথ্যাচার চালিয়ে তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন বলে সভায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

সভায় বলা হয়, প্রেস ক্লাব যশোরের একজন সদস্য হিসেবে নিজের অধিকারের জায়গা থেকে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ক্লাবের ঐক্য, শান্তি ও সম্প্রীতি ধরে রাখার স্বার্থেই সবার উদ্দেশ্যে তার মতামত ব্যক্ত করেছেন এবং তার ওপর ভিত্তি করে বিশেষ সাধারণ সভায় সদস্যরা নিজেদের মতো করে আলোচনা করেন।

এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য স্বাভাবিক বিষয়। পরে সদস্যদের সর্বসম্মতিতেই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সভায় অভিমত প্রকাশ করা হয়, বিশেষ সাধারণ সভার ঘটনাকে নোংরাভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে ক্লাবের মধ্যেই ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে কঠোর সাংগঠনিক ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফকির শওকত, আহসান কবীর, আনোয়ারুল কবির নান্টু, ওহাবুজ্জামান ঝন্টু, আমিনুর রহমান মামুন, নূর ইসলাম, সরোয়ার হোসেন, জাহিদ আহমেদ লিটন, এম. আইউব ও আকরামুজ্জামান।