স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচ্য নয়, আইনি বাধ্যবাধকতাও নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

0
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সাথে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি।। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচ্য নয় এবং এ বিষয়ে নির্বাচন আইনেও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্র বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। অপরদিকে, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কুল ও কলেজ জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫’-এ পদটিকে লাভজনক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, বিকেন্দ্রীকরণ, আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

একই বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামো সুদৃঢ় করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বিকেন্দ্রীকরণ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বদ্ধপরিকর।