সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ: যশোরের আরবপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর স্বজনদের হামলা হুমকি

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ৫ ফেব্রুয়ারি যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নে সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে সন্ত্রাসী এবং তাদের মদতদাতাদের আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী খন্দকার ফারুক আহমেদ বাবু। তিনি নৌকার প্রার্থী মীর আরশাদ আলী, তার ভাই ও ৩ ছেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, প্রার্থী বাবুসহ ৬ জনকে কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করাসহ নানা অভিযোগ আনেন। গতকাল দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খন্দকার ফারুক আহমেদ বাবু অভিযোগ করেন যে, গত ২০ ডিসেম্বর তিনি ও তার লোকেরা নির্বাচনী প্রচারে পাকদিয়া গ্রামে ঢোকার সময় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মীর আরশাদ আলীর ৩ ছেলে মীর ফিরোজ, মীর মিলন ও মীর মনিরের নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের সন্ত্রাসী, দা, হকিস্টিক, বার্মিজ চাকু, জিআই পাইপ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে তাদের রক্তাক্ত জখম করে। এসব বাবু নিজেও আহত হন। পরে তাকে এবং আহত মন্ডলগাতীর রেজাউল ইসলাম, বালিয়া ভেকুটিয়ার রফিকুল ইসলাম, ভেকুটিয়ার মুজিবুর রহমান, পতেঙ্গালীর মনা ও বালিয়া ভেকুটিয়ার আব্দুর রহিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবু দাবি করেন তার মাথায় ৬টি সেলাই দেওয়া লেগেছে। এছাড়া বুকে-পিঠে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খন্দকার ফারুক আহমেদ বাবু বলেন, এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা রেকর্ড না করে সাধারণ অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করে। শুধু তাই নয়, অদ্যবধি আসামি ধরতে থানা কোন ভূমিকা রাখেনি। বাবু বলেন, নৌকার প্রার্থী, তার ভাই এবং ছেলেদের সন্ত্রাসীবাহিনী এলাকায় সাধারণ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্যে। তিনি দাবি করেন, ভোটারদেরকে জীবননাশের হুমকিও দেয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী খন্দকার ফারুক এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে ইতিবাচক ও নিরপেক্ষ ভূমিকা গ্রহণের দাবি জানান। একই সাথে সন্ত্রাসী ও তাদের মদতদাতাদের আইনের আওতায় নিতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী চশমা প্রতীকের আসাদুজ্জামান খোকন, হামলায় আহত জাহাঙ্গীর আলম, কর্মী ওবায়দুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, স্বপন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।