যশোর বোর্ডে এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ

ফেল থেকে পাস ৩৮০, নতুন জিপিএ-৫ পেল ১৮২ পরীক্ষার্থী

0
ছবি: সংগৃহীত।

তহীদ মনি॥ যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষার ফলে ১ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।

এছাড়া ১ হাজার ৭৪৪ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে এবং ফেল থেকে পাস করেছে ৩৮০ জন শিক্ষার্থী। নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১৮২ জন। আবেদনের ভিত্তিতে ফল পরিবর্তনের হার দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মোট ২৮ হাজার ৮৬২ জন পরীক্ষার্থীর ৭৪ হাজার ৭১৭টি আবেদন জমা পড়ে। পুনঃনিরীক্ষার পর বিভিন্ন বিষয়ে নতুন করে এ-প্লাস গ্রেড পেয়েছে ৭৫২টি খাতা।

বৃহস্পতিবার সকালে পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশকালে এসব তথ্য জানান যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী।

তিনি বলেন, এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ২৫টি বিষয়ে জমা পড়া ৭৪ হাজার ৭১৭টি আবেদন পুনঃনিরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। নতুন করে এ-প্লাস পেয়েছে ৭৫২টি খাতা এবং ফেল থেকে পাস করেছে ৩৮০ জন শিক্ষার্থী।

পুনঃনিরীক্ষার ফল অনুযায়ী, নতুন করে ১৮২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ফলে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬৬০ জনে। এর আগে গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত মূল ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী।

বোর্ডের তথ্যমতে, ফেল থেকে পাস করা ৩৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এ গ্রেড পেয়েছে ১ জন, এ- মাইনাস পেয়েছে ৩ জন, বি গ্রেড পেয়েছে ৩৩ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ১৯ জন এবং ডি গ্রেড পেয়েছে ৩২৪ জন।

এছাড়া ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডি গ্রেড থেকে এ- মাইনাস পেয়েছে ১ জন এবং সি গ্রেড পেয়েছে ১৪ জন। সি গ্রেড থেকে এ গ্রেড পেয়েছে ১ জন, এ- মাইনাস পেয়েছে ১ জন এবং বি গ্রেড পেয়েছে ৬৫ জন। বি গ্রেড থেকে এ-প্লাস পেয়েছে ২ জন, এ গ্রেড পেয়েছে ১২ জন এবং এ- মাইনাস পেয়েছে ১৫০ জন। এ- মাইনাস থেকে এ-প্লাস পেয়েছে ১৯ জন এবং এ গ্রেড পেয়েছে ৩০৮ জন। অন্যদিকে এ গ্রেড থেকে এ-প্লাস পেয়েছে ৭৩১ জন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী বলেন, “এবারের এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রতিটি খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে। ফলে ১ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। বিষয়ভিত্তিক এ-প্লাসের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

যেসব শিক্ষকের ত্রুটির কারণে এ ধরনের ভুল হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০২৭ সালের পরীক্ষায় তাদের কাউকে খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হবে না।”