যশোরে যানবাহন তল্লাশি পুলিশের

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে শনিবার একযোগে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি এবং রেজিস্টেশনবিহনী গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের সদর দফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

নির্বাচনের আগে ও পরে কেউ যাতে অবৈধ যানবাহন ব্যবহার করে কোনো ধরনের কাজ করতে না পারে সেই জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।

যশোর সদর ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ ইউসুফ আলী পিপিএম জানান, পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশা অনুযায়ী শনিবার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যশোর শহরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে যানবাহনে অভিযান চালানো হয়।

অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটারকারসহ বিভিন্ন যানবানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি তাদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ জানান, যশোর শহরের মধ্যে মণিহার মোড়, দড়াটানা মোড়, বাদশা ফয়সাল স্কুল মোড়, সিভিল কোর্ট মোড়, কোতয়ালি থানার মোড়, রেল রোড চারখাম্বার মোড় এবং উপশহরে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এছাড়া মনিরামপুর, শার্শা ও অভয়নগরেও এধরনের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের অভিযানের কাজ তদারকি করেন এবং দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তারা মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার থামিয়ে গাড়ি এবং সন্দেহভাজন আরোহীদের শরীরে তল্লাশি চালান। যাদের গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি ওইসব গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম অভিযান প্রসঙ্গে দৈনিক লোকসমাজকে জানান, তাদের নিয়মিত প্রক্রিয়ার একটি অংশ। বর্তমানে দেশে রেজিস্ট্রিশনবিহীন আনেক গাড়ি আছে। আবার কাগজপত্র থাকলেও আপটেড থাকেনা সেগুলোকে আইনের আওতায় আনতে তাদের এই প্রচেষ্টা।

তাছাড়া নির্বাচনের আগে ও পরে কেউ যাতে অবৈধ যানবাহন ব্যবহার করে কোনো ধরনের কাজ করতে না পারে সেজন্য অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।