যশোরে তিনটি ঘটনায় পাঁচজন ছুরিকাহত

0

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে পৃথক তিনটি ঘটনায় পাঁচজন ছুরিকাহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পরে সদর উপজেলার ফতেপুর হাসলা এবং মনিরামপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি ঘটনায় ফতেপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের পুত্র সোলাইমান হোসেন (২৫), আমির হোসেনের পুত্র ইব্রাহিম হোসেন(২৪) এবং আজগর হোসেনের পুত্র মোহাম্মদ শান্ত(২৭) আহত হয়েছেন। এছাড়া হালসা গ্রামের রবিউল বিশ্বাসের পুত্র কামরুল বিশ্বাস (৪৫) এবং নুরপুর গ্রামের মোস্তফার পুত্র ইয়াছিন(২৭) পৃথক দুটি ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাদের সকলকে যশোর – ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফতেপুর গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আবুল কাশেম জানান, শুক্রবার বিকালে নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের দেয়াপাড়া গ্রামের অপর ব্যবসায়ী কাজী জাহিদের কাছে তিনি কাঠ বিক্রি করছিলেন। এ সময় কাঠ ওজন করা নিয়ে তার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এঘটনাটি কাজী জাহিদ দায়তলা গ্রামের নিকট আত্মীয় হাসানকে জানান। পরে হাসান তার সহযোগীদের অনুসারীদের সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহকারে ফতেপুর বটতলায় ক্রিকেট খেলার মাঠের পাশে থাকা সোলায়মান হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন ও মোহাম্মাদ শান্তকে কুপিয়ে আহত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আবুল কাশেম ঘটনার সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে আসেন।
একই উপজেলার হালসা গ্রামের কামরুল বিশ্বাসের স্ত্রী নুপুর খাতুন জানান, প্রায় এক বছর আগে তার স্বামীর ফুফাতো ভাই গ্রামের আব্দুলের পুত্র আরিফ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। আরিফ পাওনা টাকা না দিয়ে তার স্বামীকে ঘোরাতে থাকে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর তার স্বামী কামরুল বিশ্বাস বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। সেখানে আরিফ, তার পিতা আব্দুল ও ছেলে আসিফকে সাথে নিয়ে কামরুল বিশ্বাসকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। স্থানীয় লোকজন সংবাদ পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের ইজিবাইক চালক ইয়াছিন হোসেন জানান,শহরের ভোলাট্যাংক রোডের রমজান আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে মনিরামপুরে ঘুরতে যাবার কথা বলে বাইক ভাড়া করে নিয়ে যায়। খেদাপাড়ার ইউনিয়নের জালালপুরের মাঠে নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খেদাপাড়া বাজারে নিয়ে যায়। পরে বাজারের লোকজন তাকে একটি মাইক্রোবাস যোগে যশোর-২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সংবাদ পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে আসেন।