পাবলিক লাইব্রেরিতে ডিজিটাল ভার্সন চালু করা হবে : প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

যশোরে তিন দিনব্যাপী বই মেলার উদ্বোধন

0
ছবি: লোকসমাজ।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে ডিজিটাল ভার্সন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি। তিনি বলেন, যাদের সরাসরি পাঠ্যপুস্তক পড়ার সুযোগ নেই তারা যেন ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পারেন আমরা সেই ব্যবস্থা করব। বই পড়ার মাধ্যমে আমাদের সন্তানরা আনন্দ খুঁজে নিতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সহযোগিতা করব।

শুক্রবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ছবি: লোকসমাজ।

যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে আয়োজিত বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বইয়ে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের সন্তানদের বইমুখী করতে চান।

যে কারণে তিনি বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাথে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন, কীভাবে বই পড়ার অভ্যাসটা আবারও স্কুল থেকে করা যায়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী যশোর পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। এই লাইব্রেরির ঐতিহ্য সম্পর্কে জেনেছেন এবং দুর্লভ সংগ্রহ স্বচক্ষে দেখেছেন। সেদিন তিনি বইমেলার কথা বলেন। তিনি পাবলিক লাইব্রেরি উন্নয়নে ৭৮ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছেন।

বি সরকার মেমোরিয়াল হল, দুর্গোৎসব মঞ্চ, শিল্পকলা একাডেমির উন্নয়নের ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আজকে যে পরিসরে এখানে বইমেলা হচ্ছে আমরা ছোটবেলায় ঠিক এমনটি দেখেছি। এই লাইব্রেরির অনেক সুনাম ও ঐতিহ্য ছিল যা দেশব্যাপী ছড়িয়েছিল। আজকে আমাদের সন্তানরা অনেকে সেটি জানে না। বিভিন্ন কারণে প্রতিষ্ঠানটি তার ঐতিহ্য হারিয়েছে। প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সাথে সাথে আমরাও অনেকে বইবিমুখ হয়েছি।

আমাদের ছেলেমেয়েদের আবার বইমুখী করতে হবে। বই শুধু জ্ঞান আহরণের মাধ্যম নয়, বই পড়ে যেমন আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায় ঠিক তেমনই ভাষার ওপর দক্ষতা অর্জন করা হয়। ভালো লেখার পূর্বশর্ত বই পড়া। যে যত বই পড়বে তার তত শব্দ এবং ভাষার ওপর দক্ষতা বাড়বে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। এ সময় অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরাম-উদ-দৌলা প্রমুখ। তিন দিনব্যাপী বইমেলায় মোট ১৬টি স্টল অংশ নিয়েছে।