জুমাতুল বিদায় যশোরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে যশোরে জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। পবিত্র রমজানের শেষ জুমার নামাজ আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। শুক্রবার নামাজ শেষে আল্লাহর শুকরিয়া আর দোয়া করে বাড়ি ফিরেছেন মুসল্লিরা। যশোরের প্রত্যেক মসজিদে বিশেষ মুনাজাতে দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার কাছে দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করা হয়।
খুৎবার বয়ানে ইমামরা এ বছরের রমজানের শেষ জুমার বিশেষ তাৎপর্য তুলে ধরেন। বিশেষ করে পবিত্র লাইলাতুল কদরের পরদিন জুমাতুল বিদা হওয়ায় এর গুরুত্ব পায় বেশি ধর্মপ্রাণ মুুসল্লিদের কাছে। রমজান মাস জুড়ে রোজা রাখা আর ইবাদত বন্দেগীর পর জুমাতুল বিদার দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমান এই পবিত্র রমজান মাসকে বিদায় জানাতে মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। শহরের দড়াটানা জামে মসজিদ, চৌরাস্তা জামে মসজিদ, কালেক্টরেট জামে মসজিদ, জজ কোর্ট মসজিদসহ প্রতিটি মসজিদে নামাজে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মসজিদের নামাজের সারি চলে আসে সড়কেও। একেবারেই ঈদের নামাজের আদলে মুসল্লিরা তাদের ছোট্ট সোনামনিদের নিয়ে জায়নামাজ হাতে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন।
জুমাতুল বিদার খুতবায় উচ্চারিত হয় ‘আলবিদা, আল বিদা, ইয়া শাহর রামাদান। অর্থাৎ বিদায়, বিদায় হে মাহে রমজান। জুমা শেষে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও রহমত কামনা করেন মুসল্লিরা।
উল্লেখ্য, রমজান মাসের সর্বোত্তম বা উৎকৃষ্ট দিবস হলো জুমাতুল বিদা। রমজান মাসের শেষ শুক্রবার অথবা শেষ জুমাবারের দিন জুমাতুল বিদা হিসেবে মুসলিম বিশ্বে পরিচিত। এ মাসের শেষ জুমার দিন পালিত হয় আল কুদ্স দিবস। তাই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। তবে এ বছরের রমজানের লাইলাতুল কদরের রাতের পরদিন শেষ জুমা হওয়ায় দিবসটির গুরুত্ব আরও বেশি সমৃদ্ধ হয়।