জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

0
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র ভুক্ত বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল।। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলায় পলাতক থাকা পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ প্রদান করেন। আদেশে বিচারক কারাগারে থাকা সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা তানবীর হাসান সৈকতকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানকালীন সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযুক্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আটজনের মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকত বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দী রয়েছেন। অপর দিকে অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও মাজহারুল কবির শয়ন পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।