চৌগাছায় যত দুর্ভোগ এক কিলোমিটার সড়কে

0
ছবি: সংগৃহীত।

মুকুরুল ইসলাম মিন্টু, চৌগাছা (যশোর) ॥ চৌগাছার পল্লীতে এক কিলোমিটার ইটের সলিং রাস্তা যেন স্থানীয়দের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। সড়কের দুই পাশে আছে একাধিক পুকুর। বছরের পর বছর সড়কটি মেরামত না করায় তা ভেঙে পুকুরে পড়েছে। এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে চলাচল করছেন কয়েক গ্রামের মানুষ।

উপজেলার সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম আন্দুলিয়া ও আড়শিংড়িপুকুরিয়া। আন্দুলিয়া বাজার হতে আড়শিংড়িপুকুরিয়া গ্রামে যাওয়ার সড়কটি প্রায় এক কিলোমিটার। প্রায় দুই দশক আগে সড়কটি কাঁচা হতে ইটের সলিং করে তৎকালিন চারদলীয় জোট সরকার।

এরপর কেটে গেছে বছরের পর বছর। কিন্তু সড়কটি পাকাকরণ কিংবা সংস্কার কিছুই করেনি সরকার। ফলে ইটের সলিং রাস্তার ইট উঠে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন, উজ্জল হোসেন ও সোহেল রানাসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত পাকা না করলে এটি আর চলাচলের উপযোগী থাকবে না।

ইজিবাইকচালক মো. ইসলামও ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আ্দুলিয়া বাজার হতে আড়শিংড়িপুকুরিয়া পর্যন্ত পাকা। অথচ মাঝে এক কিলোমিটার সড়ক সলিং। এই সলিং রাস্তার যে অবস্থা তাতে প্রতি দিনই যানবাহন নষ্ট হচ্ছে। আর যাত্রী সাধারণ নিয়ে সলিং সড়কে চলতে পারি না। তাদেরকে নামিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি পার হতে হয়।

ইউপি সদস্য মহিদুল ইসলাম বলেন, এই সড়কটি পাকাকরণের জন্যে আমি বহুবার পরিষদে আলোচনা করেছি বিষয়টি উপজেলার মিটিংয়ে তোলার জন্যে। আলোচনা হয়তবা হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই কষ্টে আছে কয়েক গ্রামের মানুষ।

সুখপুকুরিয়া ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবিবর রহমান হবি বলেন, সড়কটি বহু আগেই পাকা হয়ে যেত। বিগত জনপ্রতিনিধি সড়কের আইডি ভুল করে আবেদন করায় অন্য সড়ক পাকা হয়ে গেছে। আমি আইডি সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করেছি। আশা করছি স্থানীয়দের দুর্ভোগ দ্রুতই কেটে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার কুন্ডু বলেন, আন্দুলিয়া গ্রামে একটি সড়ক পাকাকরণের কাজ চলছে। অফিস খুললে আমি সরেজমিনে দেখে এসে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবশ্যই অবহিত করবো।