এবারও পরীক্ষা ছাড়াই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে

0
পরীক্ষা ছাড়াই আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন। পর্যাপ্ত আসন থাকলেও মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভালো কলেজে ভর্তির প্রতিযোগিতা তীব্র হতে পারে।। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে। কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এবারও শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১২ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, “খসড়া সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণের সময় রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। যদি সেটি ঠিক থাকে, তাহলে সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।”

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রেখে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এরপর শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত ফল, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রম বিবেচনা করে বুয়েটের স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অন্যদিকে সারা দেশে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে পরীক্ষার্থীর তুলনায় অর্ধেকের বেশি আসন এবার খালি থাকবে। তবে মোট আসন খালি থাকলেও ভালো মানের কলেজগুলোতে আসন সীমিত থাকায় জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এবার সব বোর্ড মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতেগোনা কয়েকটি ব্যতিক্রম প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের সব সাধারণ কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতেই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজস্ব পৃথক প্রক্রিয়ায় ভর্তি সম্পন্ন হবে।