একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় বাড়লো, নতুন সূচি প্রকাশ

0
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে অনলাইন আবেদনের সময় ১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জটিলতা নিরসনে সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করে ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ৫ অক্টোবর ঠিক করেছে শিক্ষাবোর্ড।। প্রতীকী ছবি: এআই/লোকসমাজ

একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের অনলাইন আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন, মাইগ্রেশন এবং চূড়ান্ত ভর্তির সময়সূচিও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন বাতিল না করা এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করায় এক ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই জটিলতা নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে দ্বিতীয় ধাপের সার্বিক সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ ধাপে মূলত তিনটি ক্যাটাগরির প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন—যারা আগে আবেদন করেননি বা আবেদন করেও প্রথম ধাপে কোনো কলেজে নির্বাচিত হননি, যারা মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন বা ভর্তি সম্পন্ন করতে পারেননি এবং যারা ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে ভর্তি হতে পারেননি।

পুনর্নির্ধারিত নতুন সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৫ অক্টোবর রাত ৮টায়। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৮ অক্টোবর রাত ৮টার মধ্যে সিট নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন করতে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর আবেদন ও নির্বাচন বাতিল বলে গণ্য হবে। পরবর্তীতে মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৯ অক্টোবর রাত ৮টায়।

আন্তশিক্ষা বোর্ড স্পষ্ট করেছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না। শিক্ষার্থীরা কেবল ভর্তিবিষয়ক অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কলেজের নাম ও পছন্দক্রম সংশোধন বা নির্বাচন করতে পারবেন। প্রতি শিক্ষার্থীকে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে রাখতে এবং আবেদনকালে নিজ কোটার সঠিকতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।