প্রাথমিকে নিয়োগপত্র পাননি ৮১৭ জন, যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

0
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ৮১৭ জনের তথ্য ও ঠিকানা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত রিভিউ শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে এখনো ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র প্রদান প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে। এনিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নানা গুঞ্জন তৈরি হলেও প্রকৃত তথ্য সামনে এনেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি জানিয়েছেন, বাকি ৮১৭ জনের ঠিকানা ও তথ্যাদি যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এই রিভিউ ও ভেরিফিকেশন পর্ব চলবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে বিষদ ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সঠিক নিয়ম মেনে ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিও) কার্যালয়গুলোতে পৌঁছায়।

তবে ডিপিও থেকে নিয়োগপত্র ইস্যুর সময়ে দেখা যায়, অনেকের পুলিশ ভেরিফিকেশন অসম্পূর্ণ রয়েছে কিংবা অনেকে স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। এসব তথ্য ধাপে ধাপে যাচাই করা হচ্ছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্থগিত অংশ নিয়ে তৈরি হওয়া সমালোচনা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যম বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করায় প্রার্থীদের মাঝে অহেতুক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ।

যাচাই-বাছাই এখনো শেষই হয়নি, অথচ অনেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভেবে নিয়েছেন। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভেরিফিকেশন পর্যবেক্ষণ ও রিভিউ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।