আজ শেষ হচ্ছে সাগরদাঁড়ির মধুমেলা

0

জয়দেব চক্রবর্তী, কেশবপুর (যশোর)॥ আধুনিক বাংলা কাব্যের রূপকার অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক ও সনেট প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা আজ শেষ হচ্ছে। ২৪ জানুয়ারি এ মেলা শুরু হয়।

এখন মধুপ্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত মেলা প্রাঙ্গন। মধুমেলা মাঠে কঠোর নিরাপত্তা বলয় রয়েছে।সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটারিং করা হচ্ছে। উন্মুক্ত মধুমঞ্চে প্রতিদিন চলছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক ও যাত্রাপালা। মেলাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে রয়েছে বিজ্ঞান ভিক্তিক কৃষিমেলা, সার্কাস, যাত্রা, যাদু, পুতুল নাচ, মৃত্যুুকুপ, ডাম্পিং নাচ, নাগরদোলা, রকমারি স্টলসহ ১৫৭ টি বড় স্টল। এছাড়া বিভিন্ন খাবারের দোকানসহ ছোট ছোট অনেকে দোকান। হস্ত শিল্প ও শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মেলায় ঘুরতে আসা ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের বিল্লাল হোসেন বলেন, মধুমেলায় এসে কবির বসতভিটা, কপোতাক্ষ নদের পাড়, বিদায় ঘাট, কবির স্মৃতি বিজড়িত বুড়ো কাঠবাদাম গাছতলা ও মধুমেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে খুবই ভালো লেগেছে।

এদিকে মেলায় মিষ্টি, মণ্ডা মিঠাই দোকানিদেরও বিরাম নেই। হরেক রকম সাইজের বাহারি নামে মিষ্টিতে ঠাসা যেন দোকানগুলো। এক- দেড় কেজি ওজনের এক একটি রসগোল্লা ৪-৫ জন ভাগ করে খাচ্ছে। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মধুমেলায় প্রতিদিনই এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ আসছেন।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মধুমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব জাকির হোসেন বলেন, মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৭ দিনব্যাপী মধুমেলা আগামী আজ ৩০ জানুয়ারি শেষ হবে। আজ সমাপনী দিনে মধু মঞ্চে মধুসূদন পদক বিতরণ করা হবে।