যশোরে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার সময় আটক যুবককে কারাদণ্ড

0
ছবি: প্রতারক, হাসান মুন্সী।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে পুলিশ সদস্য পরিচয়ে দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টাকালে হাসান মুন্সী নামে এক প্রতারক হাতেনাতে ধরা পড়েছে।

রোববার সকালে শহরতলীর পুলেরহাট থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে প্রতারক হাসান মুন্সীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেওয়া হলে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রতারক হাসান মুন্সী নড়াইল শহরের মাদ্রাসা রোডের আব্দুল হাই মুন্সীর ছেলে।

কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই অমৃত লাল দে জানান, সকালে হাসান মুন্সী নামে ওই ব্যক্তি পুলেরহাটের একটি কাপড়ের দোকানে যান। এ সময় তার কাছে ওয়াকিটকি সদৃশ একটি বস্তু ছিলো। তিনি ওই দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নেওয়ার পর নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। পুলেরহাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিনি কর্মরত আছেন বলেও জানান। এরপর তিনি কর্মস্থল থেকে ২০ হাজার টাকা এনে দিচ্ছি এই বলে থ্রিপিস নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে দোকানিসহ স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়।

এ সময় তারা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বীকার করেন তিনি পুলিশ সদস্য নন। তখন স্থানীয় লোকজন তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এরপর বিকেলে তাকে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইনের কার্যালয়ে হাজির করা হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৭ দিনের কারাদন্ড প্রদান করে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে আটক হাসান মুন্সী দাবি করেন, তার কাছে ২০ হাজার টাকা ছিলো। তবে এই টাকা কে নিয়েছে এ সম্পর্কে তিনি একেক সময় একেক কথা বলেছেন।

প্রথমে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ২০ হাজার টাকা দারোগা সাহেব নিয়েছেন। পরে তিনি আবার বলেন, পাবলিক নিয়ে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে এসআই অমৃত লাল দে বলেন, তিনি তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি। ওই ব্যক্তি অসত্য কথা বলছেন।