বাঘারপাড়ায় মদের আসরে বন্ধুর পিস্তলের গুলিতে আহত হানিফের মৃত্যু

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার একটি ইটভাটার অফিসে গত বুধবার রাতে মদের আসরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হানিফ (৫০) নামে এক ব্যক্তি।

একই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম টুটুলের পিস্তলের গুলিতে তিনি আহত হন। ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপন করেছেন কামরুল ইসলাম টুটুল। পুলিশ কামরুল ইসলাম টুটুলকে খুঁজছে। গুলিবিদ্ধ হানিফ সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের তারাগঞ্জ বাজার এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে।

ডিবি পুলিশের ওসি মো. মঞ্জুরুল হক ভ্ঞূা জানান, গত বুধবার রাতে হানিফ নামে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কামরুল ইসলাম টুটুল নামে এক ব্যক্তি তাকে গাড়িতে করে এনে হাসপাতালে রেখে যান। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

হানিফের স্ত্রী শিরিন জানান, ঢাকাতে নিয়ে যাওয়ার পর ঢাকা মেডিকেলে তার বড় একটি অপারেশন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত ২টায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে আইসিইউতে নেওয়ার প্রস্ততি চলছিল। ওই সময়ই হানিফ মারা যান। পরবর্তীতে তারা লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

কোতয়ালি থানা পুলিশের ইনসপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন, বাঘারপাড়া উপজেলার করিমপুরে এনআইবি ইটভাটার অফিসে গত বুধবার রাতে মদ পান করছিলেন হানিফ ও তার বন্ধু টুটুল। এ সময় টুটুলের কাছে থাকা পিস্তলের গুলিতে আহত হন হানিফ। পরে টুটুল নিজ প্রাইভেটকারে করে গুলিবিদ্ধ হানিফকে নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আসেন এবং তাকে রেখে চলে যান। তারা টুটুলকে খুঁজছেন।

ইটভাটার ম্যানেজার হোসেন জানান, টুটুলের ১টি পিস্তল ও ১টি শটগান রয়েছে। দুটি অস্ত্রই লাইসেন্সকৃত বলে তিনি দাবি করেছেন। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, ওই ইটভাটার অফিসে প্রায় রাতের বেলায় মদের আসর বসান টুটুল এবং তার সঙ্গীরা।

উল্লেখ্য, কামরুল ইসলাম টুটুল বাঘারপাড়া উপজেলার আমুড়িয়া গ্রামের শফিউদ্দিনের ছেলে।