৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে যুবকের হাটুতে গুলি, ৪ পুলিশ কর্মকর্তার নামে যশোর আদালতে মামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সাড়ে ৯ বছর আগে যশোর সদর উপজেলার আবাদ কচুয়া গ্রামের মজনু নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে সোমবার আমলী আদালতে কোতয়ালি থানার ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মজনুর মা নুরজাহান বেগম খুকি মামলাটি করেছেন। তিনি একই গ্রামের মৃত আছমত আলীর স্ত্রী। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম কিবরিয়া অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসিকে আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলেন, কোতয়ালি থানার সাবেক এসআই জামান, এসআই সোহেব, এসআই শেখ আজগর আলী ও এসআই আমীর আব্বাস।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে আবাদ কচুয়া গ্রাম থেকে মজনুকে আটক করেন আসামিরা। এ সময় তারা তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরিবারের সদস্যরা চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা মজনুকে গুলি করে হত্যা করার হুমকি দেন। এরপর তারা মজনুর হাত পিছনে দিয়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে তাকে নিয়ে চলে যান। পরে তারা যশোর-খুলনা মহাসড়কের এসকে ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন টাউন ব্রিক্সের পাশে মজনুকে নিয়ে যান এবং মাটিতে ফেলে দিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে হাঁটুর নিচে গুলি করেন। পরবর্তীতে তারা গুরুতর আহত মজনুকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু মজনুর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এরপর মজনুর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তারা তাকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান। কিন্তু আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় মজনু জামিনে মুক্তি পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি। তবে বর্তমানে পরিবেশ অনুকুলে হওয়ায় তার মা আদালতে এ মামলা করেছেন।