অসময়ে কেন এ প্রতিবিপ্লব কারা এর নির্দেশদাতা

0

শান্তনু ইসলাম সুমিত ।। প্রতিবিপ্লবের আরেকটি ঘটনার প্রত্যক্ষ করলাম আমরা। প্রথমে বিচারক, পরে পুলিশের অধঃস্তন কর্মকর্তা এবং শেষে আনসার বাহি- নীকে দিয়ে এই চেষ্টা চালানো। অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে সুস্থির হতে না হতেই প্রতিবিপ্লবের এইসব চেষ্টাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।
বর্তমানে সারা দেশে মহাপ্লাবন চলছে। বন্যার পানিতে ভেসে গেছে মানুষ, ঘড়বাড়ি, ফসলের জমি। সারা দেশ যখন বন্যা
মোকাবেলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সে সময়ই আনসারদের সচিবালয় ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটলো। তাদের দাবি ছিলো মূলত চাকরি জাতীয়করণ করা। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার তার শেষ সময়ে দলীয় বিবেচনায় প্রায় এক লাখ লোককে আনসারে চাকরি দেয়।
গত ২৫ আগস্ট তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আলোচনায় বসে আনসারদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়েছিলো। কিন্তু তারপরও তারা সচিবালয় ঘিরে রেখেছিলেন এবং
উপদেষ্টাসহ সচিবালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ কাউকেই বেরুতে দিচ্ছিলেন না। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, শেখ হাসিনার দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের সময় আনসাররা এভাবে সচিবালয় ঘিরে কি দাবি-দাওয়া জানানোর সাহস দেখাতে পারতেন? তাহলে এখন কেন? এখন কেন এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে সবাই তাদের দাবি-দাওয়া এই অন্তর্র্বতী সরকারের কাছে পেশ করছেন? যেভাবেই দেখা হোক, আনসার সদস্যরা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় ছাত্রদের এগিয়ে আসতে হয়েছে। আনসারদের তারা নিবৃত্ত করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিবিপ্লব ঠেকানোর দায়িত্ব কার? পুলিশ, বিজিবি ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারতো। কিন্তু ছাত্রদের কেন এই দায়িত্ব পালন করতে হলো? বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা তাহলে কী করেছিলেন? আনসারদের পরিকল্পনার কোন খবরই কি তারা আগেভাগে জানতে পারেননি?
বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকারের বয়স মাত্র দুই সপ্তাহ। এরই মধ্যে প্রতিবিপ্লবের মাধ্যমে এই সরকারকে ফেলে দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে ফিরিয়ে আনার একাধিক চেষ্টা হয়েছে। ফলে এটা জানা জরুরি প্রতিবিপ্লবের নকশাটা কে সাজিয়েছে? দাবি কখন, কীভাবে এবং কোন সময়ে পেশ করতে হবে এই নির্দেশনা তারা কাদের কাছ থেকে পেয়েছেন?
ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন উৎখাত হয়েছে ঠিকই কিন্তু ফ্যাসিস্টের আশীর্বাদপুষ্ট কর্মকর্তারা রয়ে গেছেন প্রশাসনসহ বিভিন্ন বাহিনীতে। আনসার দ্বারা প্রতিবিপ্লবের এই চেষ্টায় আবারো প্রমাণিত হলো শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া ফ্যাসিস্ট গঠনতন্ত্র এবং প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সরকার বানিয়ে যে দুর্বল সরকার কায়েম করা হয়েছে ফ্যাসিস্ট শক্তি খুব সহজেই তাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এবং একের পর এক করেও যাচ্ছে। আবার হাসিনার নিয়োগ করা রাষ্ট্রপতি মো.সাহ- বুদ্দিনকে যতদিন ক্ষমতায় রাখা হবে বিপদের মাত্রা ততই দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা। ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনকে উৎখাত করে নতুন এক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এবং প্রতিবিপ্লবের পরিকল্পনাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করতে
হবে। প্রধান উপদেষ্টার উচিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দ্রুত আলোচনায় বসা। রাষ্ট্রপরিচালনায় তাদের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থন প্রতিবিপ্লব ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উপদেষ্টাসহ সচিবালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ কাউকেই বেরুতে দিচ্ছিলেন না। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, শেখ হাসিনার দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের সময় আনসাররা এভাবে সচিবালয় ঘিরে কি দাবি-দাওয়া জানানোর সাহস দেখাতে পারতেন? তাহলে এখন কেন? এখন কেন এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে সবাই তাদের দাবি-দাওয়া এই অন্তর্র্বতী সরকারের কাছে পেশ করছেন? যেভাবেই দেখা হোক, আনসার সদস্যরা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় ছাত্রদের এগিয়ে আসতে হয়েছে। আনসারদের তারা নিবৃত্ত করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিবিপ্লব ঠেকানোর দায়িত্ব কার? পুলিশ, বিজিবি ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারতো। কিন্তু ছাত্রদের কেন এই দায়িত্ব পালন করতে হলো? বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা তাহলে কী করেছিলেন? আনসারদের পরিকল্পনার কোন খবরই কি তারা আগেভাগে জানতে পারেননি?
বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকারের বয়স মাত্র দুই সপ্তাহ। এরই মধ্যে প্রতিবিপ্লবের মাধ্যমে এই সরকারকে ফেলে দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে ফিরিয়ে আনার একাধিক চেষ্টা হয়েছে। ফলে এটা জানা জরুরি প্রতিবিপ্লবের নকশাটা কে সাজিয়েছে? দাবি কখন, কীভাবে এবং কোন সময়ে পেশ করতে হবে এই নির্দেশনা তারা কাদের কাছ থেকে পেয়েছেন?
ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন উৎখাত হয়েছে ঠিকই কিন্তু ফ্যাসিস্টের আশীর্বাদপুষ্ট কর্মকর্তারা রয়ে গেছেন প্রশাসনসহ বিভিন্ন বাহিনীতে। আনসার দ্বারা প্রতিবিপ্লবের এই চেষ্টায় আবারো প্রমাণিত হলো শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া ফ্যাসিস্ট গঠনতন্ত্র এবং প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সরকার বানিয়ে যে দুর্বল সরকার কায়েম করা হয়েছে ফ্যাসিস্ট শক্তি খুব সহজেই তাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এবং একের পর এক করেও যাচ্ছে। আবার হাসিনার নিয়োগ করা রাষ্ট্রপতি মো.সাহ- বুদ্দিনকে যতদিন ক্ষমতায় রাখা হবে বিপদের মাত্রা ততই দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা। ছাত্র- জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনকে উৎখাত করে নতুন এক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এবং প্রতিবিপ্লবের পরিকল্পনাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করতে
হবে। প্রধান উপদেষ্টার উচিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দ্রুত আলোচনায় বসা। রাষ্ট্রপরিচালনায় তাদের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থন প্রতিবিপ্লব ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।