প্রতিবাদের আড়ালে নাশকতার খোঁজে তৎপর গোয়েন্দারা

0

রিয়াদ তালুকদার॥ সম্প্রতি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনগুলো প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনও নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। এছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৮ মার্চ ঘোষিত হরতালকে কেন্দ্র করে যে কোনও অপতৎপরতা ঠেকাতেও গোয়েন্দারা তৎপর— বলছেন সংশ্লিষ্টরা। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক সংগঠনগুলো তাদের কর্মসূচি পালন করবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কর্মসূচির আড়ালে কোনও নাশকতার পরিকল্পনা থাকলে কিংবা এ ধরনের তথ্য গোয়েন্দারা জানতে পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতির চুলচেরা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টির পেছন থেকে যারা কলকাঠি নাড়ছেন তাদের বিষয়েও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যারা সয়াবিন তেল আমদানি করছেন কিংবা ডিলার— তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দাম বৃদ্ধির কারণে দেশজুড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যেকোনও যৌক্তিক আন্দোলন রাজনৈতিক সংগঠনের গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে আন্দোলনকে পুঁজি করে কোনও সংগঠন কিংবা গোষ্ঠী যেন নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে এ বিষয়ে গোয়েন্দারা তৎপর। ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২৮ মার্চ ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে নাশকতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিট তৎপর। এসব কর্মসূচিতে কেউ যদি কোনও গাড়ি পোড়ানো, অস্থিতিশীলতা তৈরি কিংবা জানমালের ক্ষতির পাঁয়তারা করে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’