তিনদিনের ভারী বর্ষণে পাইকগাছার ১০ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

0

এইচ.এম.শফিউল ইসলাম,কপিলমুনি (খুলনা) ॥ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে একটানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে চিংড়ি ঘের, রাস্তা-ঘাট, আমনের বীজতলা, পানের বরজসহ ফসলি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক কাঁচা ঘর-বাড়ি।
মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিন অবিরাম ভারী বর্ষণে কপিলমুনি পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান, টানা বৃষ্টিতে অধিকাংশ এলাকার মৎস্য ঘের তলিয়ে একাকার হয়েগেছে। পানিতে মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার
আমনের বীজতলা। অনেক এলাকার রাস্তা-ঘাট, বাড়ি-ঘর, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহনি¤œাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।
প্রতাপকাটি নাছিরপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকার মাছের ঘের, রাস্তা-ঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ওই এলাকায় নেট- পাটা দিয়ে অবৈধভাবে মাছের চাষ হওয়ায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে বেশ বেগ পেতে হয়।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন পল্লীর অবস্থা আরও ভয়াবহ। একদিকে জোয়ারের পানিঅন্যদিকে অতিবৃষ্টির পানির চাপে পল্লীর কয়েকটি কাঁচা ঘর ভেঙে কপোতাক্ষ নদীগর্ভে ভেসে যায়। বৃষ্টির পরও সেখানকার অনেক পরিবার এখনো ঝুঁকির মধ্যেরয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে থাকা পরিবারগুলোর পক্ষে জানানো হয়, ভাঙনের ঝুঁকিতে
এখনো তাদের একপ্রকার নির্ঘুম রাত কাটছে।পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু ও উপজেলা নির্বাহীঅফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী পৌরসভাসহ উপজেলার লস্কর, চাঁদখালী,
রাড়ুলী ও গদাইপুর হরিঢালী কপিলমুনি ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন
করেছেন।কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াাদ্দার জানান, টানাবৃষ্টিতে
তার ইউনিয়নের বেশ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। মৎস্য ঘেরের পাশাপাশি নিচু এলাকার
বীজতলার ক্ষতিসাধন হয়েছে। জেলে পল্লীর অনেক কাঁচা ঘর ধসে পড়েছে।