যশোর-মাগুরা সড়কে দুর্ঘটনায় চালক নিহত : আহত ৬ যাত্রী

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট তেঁতুলতলা নামক স্থানে গতকাল ভোরে সড়ক দুর্ঘটনায় দিগন্ত পরিবহনের চালক নিহত ও ৬ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। ঢাকা থেকে বাসটি বেপরোয়া গতিতে খুলনায় যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাসচালক সোহাগ মিয়ার (২৫) বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার চিত্রাপাড়া এলাকায়। পিতার নাম বাবলু মিয়া। নিহতের আত্মীয় যশোর শহরের বারান্দীপাড়ার সিরাজ মিয়া জানিয়েছেন, সোহাগ মিয়া দিগন্ত পরিবহনের চালক। ঢাকার গাবতলী থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি (সোহাগ) খুলনা যাচ্ছিলেন। ভোর পৌঁনে ৫টার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট তেঁতুলতলায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি রাস্তার পাশে একটি গাছে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে চালক সোহাগ মিয়াসহ ৬ জন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহতদের সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উদ্ধার করার পর যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সোহাগ মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। আহতদের ভেতর অজ্ঞাতনামা এক নারীসহ ২ জনের অবস্থার অবনতি ঘটে। তখন ওই পরিবহনের লোকজন ৩৫ বছর বয়স্ক নারী এবং মীর মোহাম্মদ (১৫) নামে একজনকে খুলনায় নিয়ে যান। মীর মোহাম্মদ খুলনা তেরখাদার শামীম আহমেদের পুত্র। মহিলার পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত অন্যরা হলেন- যশোর সদর উপজেলার জোত রহিমপুরের হাবিবুর রহমানের পুত্র ফরহাদ হোসেন কাজল (২২), রাজারহাট এলাকার শাহজাহান আলীর স্ত্রী ফাতেমা (৪৫), চৌগাছা উপজেলার রায়নগর মোহাম্মদপুরের আলাউদ্দিনের স্ত্রী নুরজাহান (৬০), মশিয়ারনগর গ্রামের আলাউদ্দিন (৬০), খুলনা দিঘলিয়ার চন্দরমহলের আলতাফ হোসেনের পুত্র রিপন (৩০) ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফসলী গ্রামের লিটন (৪৫)। যাত্রীরা জানিয়েছেন, বেপরোয়া গতিতে চালক বাস চালাচ্ছিল এবং ঘুমাচ্ছিল। অবস্থা বেগতিক দেখে যাত্রীরা তাকে সাবধানে চালাতে বলেন। তখন চালক সোহাগ মিয়া যাত্রীদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয় এবং সবাইকে মেরে ফেলবো বলে হুমকি দেয়। পরে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে সোহাগ মিয়া নিজেই নিহত হয়।