শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন ও মেস ভাড়া মওকুফের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ করোনাকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতনাদি ও মেস ভাড়া মওকুফের দাবিতে যশোর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলা ছাত্রদলসহ ছাত্রদলের কয়েকটি ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। সোমবার প্রেরিত এই স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে। লকডাউনের কারণে স্থবির হয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের বেতনসহ পড়াশোনার খরচ চালানো অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে টেলিভিশন অনলাইনে কিছুটা কার্যক্রম চালু থাকলেও সেটি সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না। কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন দুই হাজারের বেশি কলেজ রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে কাস চালানো সম্ভব না। এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের। তাদের অনেকেরই স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট কেনার সামর্র্থ নেই। তাছাড়া অনেক শিক্ষার্থী টিউশনি করে তাদের শিক্ষা ব্যয় করেন। সেটাও এই মহামারির কারণে সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় উচ্চমূল্য, ইন্টারনেট ও ডিভাইস কেনা অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে অসম্ভব। তাই অনলাইনভিত্তিক কাস বা পড়াশোনা অব্যাহত থাকা তাদের পক্ষে একেবারই অসম্ভব। অনলাইনভিত্তিক কাস ও পরীক্ষা যশোর জোর দাবি জানান। পাশাপাশি যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপর নির্ভরশীল সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ঘাটতি সরকারি তহবিল থেকে পূরণের জোর দাবি জানান। এই অবস্থার মধ্যে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের ইতি না হয় তার জন্য আর্থিক সহায়তা ও মেস ভাড়া মওকুফেরও জোর দাবি জানানো হয়। জেলা ছাত্রদলের পক্ষে সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ ইমরান, এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে একই দাবিতে নগর ছাত্রদলের পক্ষে ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান বাশার সোহান, সরকারি এমএম কলেজ ছাত্রদলের পক্ষে নূর ইসলাম রুবেল, সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষে মফিজুল ইসলাম বুলবুল, সরকারি পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রদলের পক্ষে আবুল কাশেম, জেলা শহীদ জিয়া ছাত্র পরিষদের পক্ষে সভাপতি জাহিদ হাসান টগর, সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন পৃথকভাবে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

ভাগ