বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যদেশের তুলনায় ঝুঁকি কম বলা বিভ্রান্তি বলছেন অর্থনীতিবিদরা

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ [২] অর্থনীতিবিদ ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতির দুটি মূল শক্তি হলো রপ্তানিখাত ও রেমিটেন্স। এ দুটি খাতেই ধ্বস নেমেছে। আগামীতেও ভাল হবে এমন প্রত্যাশা নেই। সুতরাং ইমার্জিং দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ঝুঁকি কম বলাটা একটা বিভ্রান্তি। ইকনমিস্ট জিডিপির তুলনায় ঋণ নেয়ার সক্ষমতার যে কথা বলেছে, এটিও নির্ভর করে ঋণ দেয়ার ও ঋণ নেয়ার সক্ষমতার উপরে। এখানেও ঘাটতি রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
[৩]অর্থনীতিবিদ তৌফিক আহমেদও প্রায় একই মত প্রকাশ করে বলেন, করোনায় সবার অবস্থাই খারাপ হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশের অবস্থাও খারাপই হবে। এখন ইকোনমিস্ট বলছে খারাপের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা ভাল। এটি একটি বিভ্রান্তি মূলক কথা কারণ আগে দেশের অবস্থা ভাল ছিল। এখন খারাপের মধ্যেওতো ভালই থাকবে। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম আগেই করোনা থেকে বের হতে পরেছে। তাদের চেয়ে আমরা ভাল হবো কি করে। আর কৃষিতো দক্ষিণ এশিয়ার সবারই ভাল হয়েছে। যদি অন্যদেও খারাপ হতো তবে আমরা সুবিধা নিতে পারতাম।
[৪] সাবেক গভর্ণর সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জিডিপির তুলনাইয় আমাদের বৈদেশিক ঋণ মাত্র ১২ থেকে ১৩ শতাংশ। সেখানে ঋণ নেওয়ার একটা সুযোগ আমাদের রয়েছে। এখন এগুলো সর্ট লোন হলে ভাল হয়। ইকনমিকে সচল রাখতে ঋণ একটি ভাল ভ’মিকা রাখতে পারে। তবে যারা ঋণ নেওয়ার দক্ষতার অভাব রয়েছে।
[৫]অর্থনৈতিক ভিত্তি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিচারে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে অর্থ বাণিজ্যের সাময়িকী ইকোনমিস্ট, যেখানে করোনাভাইরাস সঙ্কটে সবচেয়ে কম ঝুঁকিতে থাকা দশ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।বিশ্বের ৬৬টি দেশের এই তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে নবম স্থানে, যা চীন ও ভারতের চেয়েও ভালো। সম্পাদনা : রাশিদ