লোকসমাজ ডেস্ক॥ জিমেইলজিমেইলযদি বলা হয়, জিমেইলে সংযুক্তি হিসেবে একটি ই-মেইলে অন্য এক বা একাধিক ই-মেইল জুড়ে দেওয়া যাবে, তাহলে বেশ খটকা লাগতে পারে। কারণ, ই-মেইলে সাধারণত নানা ধরনের ফাইল বা ডকুমেন্ট জুড়ে দেওয়া যায়, পুরো ই-মেইল তো নয়। কিন্তু জিমেইলে এখন তা সম্ভব।
ইনবক্সে আসা একটি ই-মেইল অন্য একজনকে পাঠাতে সাধারণত ‘ফরওয়ার্ড’ করতে হয়। তবে এই কাজ প্রতিটি ই-মেইল বার্তার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে করতে হয়। জিমেইলের নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে এক বা একাধিক ই-মেইল, এমনকি সম্পূর্ণ ‘কনভারসেশন’ নতুন একটি ই-মেইলে পাঠানো যাবে। এক ব্লগ পোস্টে গুগল বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছে।
কাজটি করতে প্রথমে নতুন একটি ই-মেইল চালু করতে হবে। তারপর এক বা একাধিক ই-মেইল নির্বাচন করে তা সরাসরি নতুন ই-মেইলে টেনে এনে যুক্ত করতে হবে। এভাবে যুক্ত করা ই-মেইলগুলো ‘ডট ইএমএল’ ফাইল ফরম্যাট হিসেবে যুক্ত হবে। প্রাপক একটি পূর্ণাঙ্গ ই-মেইল হিসেবেই তা দেখতে পারবেন। সুবিধাটি ৯ ডিসেম্বর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যায়ক্রমে ছাড়ছে জিমেইল। সূত্র: ম্যাশেবল
জিমেইলে সংযুক্তি হিসেবে পাঠানো যাবে একাধিক ই-মেইল
যশোরে চরমপন্থিদের ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত ইনো আটক
স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের উত্তরাঞ্চলে চরমপন্থি সংগঠন সর্বহারা পার্টির স্থানীয়দের এক সময়কার ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত ইউনুস আলী ইনোকে আটক করেছে পুলিশ। সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রাম থেকে গত শনিবার রাতে আটক করা হয়। রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই ইদ্রিসুর রহমান জানান, ইউনুস আলী ইনো শ্যামনগর গ্রামের মৃত ফকির সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ডাকাতি প্রস্তুতির একটি মামলার ওয়ারেন্টে রয়েছে। ওই ওয়ারেন্টে গত শনিবার রাতে তিনি তাকে আটক করেছেন। রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, ইউনুস আলী ইনোর বিরুদ্ধে হত্যাসহ অর্ধডজন মামলা রয়েছে। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনুস আলী ইনো উত্তরাঞ্চলে চরমপন্থি সংগঠন সর্বহারা পার্টির স্থানীয়দের এক সময়কার ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ভারতে নিহত শ্যামনগর গ্রামের সর্বহারা পার্টির নেতা ও পেশাদার কিলার মোখলেছুর রহমান নান্নু এবং নোঙরপুরে কথিত গণপিটুনিতে নিহত আরেক চরমপন্থি আমিরুল ইসলাম বুলি ছিলেন তার শিষ্য। সূত্র জানায়, ইউনুস আলী ইনোর বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা, ডাকাতির প্রস্তুতির তিনটিসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. তমিজুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ড. আহমদ কায়কাউস বর্তমানে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মো. নজিবুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন। এদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অন্য এক আদেশে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হয়েছে। এ কারণে তিনি ৩০ ডিসেম্বর ‘সরকারি চাকরি আইন-২০১৮’-এর ধারা ৪৩(১) (ক) অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যাবেন বলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে।
এমপি পদ থেকে তাপসের পদত্যাগ
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ায় ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। রোববার দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিনিধি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এর আগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
রোববার দুপুর ১২টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সংবাদ সম্মেলনে দুই সিটির মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ১২৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে ক্ষমতাসীন দলটি। বিএনপি গতকাল শনিবার দুই সিটিতে দলের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। ঢাকা উত্তরে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তাবিথ আউয়াল। দক্ষিণে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন।
অন্যায় ও নির্যাতনের ঘটনা সামনে তুলে ধরবেন নওশাবা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নীরবে ঘটে যাওয়া অন্যায় কিংবা নির্যাতনের কোনও ঘটনা সামনে তুলে ধরবার নজির খুব কমই। বিনোদন মাধ্যমে সেটির ছায়া আরও কম। এমন অবস্থার বিপরীতে অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ বেশ ব্যতিক্রম। তবে একা নন, তার সঙ্গে আছেন একদল হুইলচেয়ার যোদ্ধা! ‘টুগেদার উই ক্যান’ শিরোনামে এক হয়ে যারা তুলে আনছেন সত্য ঘটনা অবলম্বনে কিছু নির্যাতনের গল্প।
চতুর্থবারের মতো তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মঞ্চে।চ সন্ধ্যায় নওশাবা দর্শকদের সামনে মঞ্চে তুলে ধরেছেন ‘মুক্তি আলোয় আলোয়’ নামের পুতুলনাট্য।
নওশাবা জানান, মূলত শৈশব থেকে নির্যাতনের শিকার এক কিশোরী মেয়ের (রত্না) জীবনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাটকটি রচিত হয়েছে। রত্না এখন হুইলচেয়ার বাস্কেটবল দলের সদস্য। নওশাবার মূল ভাবনা ও নির্দেশনায় পুতুলনাট্যটির চিত্রনাট্য ও সংগীত পরিচালনা করেছেন এজাজ ফারাহ্। পুতুলের মাধ্যমে এটি মঞ্চে পরিবেশন করবেন পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) চিকিৎসারত একদল হার না মানা তরুণ-তরুণী, যাদের নওশাবা মনে করেন হুইলচেয়ার যোদ্ধা।
কাজী নওশাবা আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই হুইলচেয়ার যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করেছি আমি। এর ফলে একদিকে যেমন তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, পাশাপাশি তারাও যে শিল্পসমাজে নিজেদের প্রতিভা আর জীবনের গল্প তুলে ধরতে পারে, সেটিও সবাই জানলো। আমাদের হুইলচেয়ার পাপেট শিল্পীরা আপনাদের মুগ্ধ করবে, ভাবাবে। এটুকু বিশ্বাস রাখুন।
শিশুদের জন্য নির্মিত তুমুল জনপ্রিয় পাপেট শো ‘সিসিমপুর’-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন কাজী নওশাবা আহমেদ। ফলে পাপেটের সঙ্গে তার সখ্য বেশ পুরনো। তাই পুতুল/পাপেট আর সুবিধাবঞ্চিত হুইলচেয়ার যোদ্ধাদের নিয়ে সমাজের জন্য কিছু করতে চাইছেন এই অভিনেত্রী।
ফোনের চার্জ নিয়ে যা জেনে রাখবেন
লোকসমাজ ডেস্ক॥ দ্রুতগতির চার্জারে ফোনে চার্জ দিলে ক্ষতি হয় না। ছবি: রয়টার্সদ্রুতগতির চার্জারে ফোনে চার্জ দিলে ক্ষতি হয় না। ছবি: রয়টার্সস্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে দুশ্চিন্তা থাকে ফোনে চার্জ থাকা নিয়ে। ফোন কেনার সময় স্ক্রিনের মাপের পাশাপাশি একবার চার্জে কতক্ষণ যাবে সে ফিচারটি জানার চেষ্টা করেন স্মার্টফোন ক্রেতারা। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কানটারের ওয়ার্ল্ড প্যানেল কমটেকের তৃতীয় প্রান্তিকের গবেষণা অনুযায়ী, স্মার্টফোনে দুর্দান্ত ক্যামেরার চেয়ে এর ব্যাটারিকে বেশি গুরুত্ব দেন ক্রেতারা। এ ছাড়া স্মার্টফোনের আয়ুর সঙ্গে এর ব্যাটারি কত দিন টিকবে, সেটিও জানার আগ্রহ থাকে ক্রেতাদের।
এখনকার যুগে স্মার্টফোনে দ্রুত চার্জিং সিস্টেম আসার পর ব্যাটারির আয়ু নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে। এখন যদি দিন ফুরানোর আগেই ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে যায়, তখন দ্রুত মোবাইলে চার্জ দেওয়ার বিষয়টি ভাবনায় থাকে। ১০ মিনিট চার্জ দিতে পারলেও অনেক ক্ষেত্রে নানা কাজ চালিয়ে নেওয়া যায়।
এখন অনেক ফোনের বাক্সে দ্রুতগতির বা ফাস্ট চার্জার দেওয়া হয়। স্যামসাং, হুয়াওয়ে, ওয়ান প্লাস এমনকি অ্যাপলও দ্রুতগতির চার্জার দেয়। এখন অনেকে প্রশ্ন তোলেন, দ্রুতগতির চার্জার ব্যবহারে ফোনের ব্যাটারি কতটা টেকসই হবে? প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট বিষয়টি নিয়ে ব্যাটারি গবেষক ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলেছে।
গবেষকেরা বলেছেন, অধিকাংশ মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিকস ডিভাইসে লিথিয়াম আয়ন রিচার্জেবল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। কয়েক দশক ধরে ব্যাটারি প্রযুক্তিতে খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি বলে দীর্ঘ সময় ব্যাটারিতে চার্জ ধরে রাখার বিষয়টি এখনো কঠিন। তবে এখনকার উন্নতির বিষয়টি এসেছে শক্তিসাশ্রয়ী কয়েকটি ফিচার যুক্ত হওয়ার পর। সফটওয়্যারের মাধ্যমে চার্জিং ও ডিচার্জিং বিষয়টি দক্ষভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয়।
গবেষকেরা বলেন, প্রচলিত চার্জারের আউটপুট থাকে ৫ থেকে ১০ ওয়াট। দ্রুতগতির চার্জারে যা ৮ গুণ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আইফোন ১১ প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেলের ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জার, গ্যালাক্সি নোট ১০ ও নোট ১০ প্লাসে ২৫ ওয়াট চার্জার ব্যবহৃত হয়েছে। স্যামসাং আলাদা ৫০ ডলারে ৪৫ ওয়াটের চার্জার বিক্রি করে। যদি ব্যাটারি বা চার্জার ইলেকট্রনিকসে কোনো কারিগরি ত্রুটি না থাকে, তবে দ্রুতগতির চার্জার ব্যবহারের দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাটারির কোনো ক্ষতি হয় না।
ফাস্ট চার্জিং ব্যাটারি দুই ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে খালি বা প্রায় খালি ব্যাটারিতে ভোল্টেজ বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে প্রথম ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ চার্জ হয়ে যায়। চার্জের প্রথম দফার ব্যাটারি কোনো রকম নেতিবাচক প্রভাব ছাড়াই দ্রুত চার্জ শোষণ করতে পারে। স্যামসাং দাবি করে, তাদের ৪৫ ওয়াটের চার্জার আধঘণ্টায় ৭০ শতাংশ চার্জ করে ফেলে। অ্যাপল দাবি করে, তাদের চার্জার ৩০ মিনিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করে ফেলতে পারে। চার্জের দ্বিতীয় ধাপে ব্যাটারিতে ধীরে ধীরে চার্জ শুরু হয়। এ সময় ধীরে চার্জ না হলে ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে ভেবে সে অনুযায়ী চার্জারের ব্যবস্থা থাকে।
প্রযুক্তি সাইট আইফিক্সিটের বিশেষজ্ঞ আর্থার শি বলেন, ‘ব্যাটারিকে স্পঞ্জের সঙ্গে তুলনা করুন। যখন শুকনো স্পঞ্জ থেকে পানি শুষবেন, শুরুতে অনেক পানি শোষণ করতে পারবে। ব্যাটারির ক্ষেত্রে এটিই প্রথম ধাপ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ব্যাটারির কোনো ক্ষতি হয় না। ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দুটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করে।’
অনেক সময় স্মার্টফোনে অতিরিক্ত চার্জ দেওয়া নিয়ে উদ্বেগে থাকেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। অনেকেই মনে করেন, দীর্ঘ সময় চার্জার ফোনে লাগিয়ে রাখলে ব্যাটারির আয়ু কমে যাবে। এ ছাড়া ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন ধরে যাওয়ার আশঙ্কা করেন অনেকেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, আধুনিক স্মার্টফোনে ব্যাটারি ব্যবস্থাপনার সিস্টেমে এমনভাবে তৈরি করা থাকে যাতে ব্যাটারি শতভাগ চার্জ হয়ে গেলে চার্জ বন্ধ হয়ে যায়। এতে অতিরিক্ত চার্জ হওয়ার সুযোগ থাকে না।
আরগন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ব্যাটারি গবেষক ভেঙ্কাট শ্রীনিবাস বলেন, ব্যাটারির সার্কিটে কোনো সমস্যা হলে আধুনিক ফোনেও অতিরিক্ত সময় ধরে চার্জ দেওয়া যাবে না। এখন আধুনিক স্মার্টফোনে অতিরিক্ত চার্জ ঠেকানোর সিস্টেম বিল্ট ইন থাকে।
তবে অনেক বিশেষজ্ঞ স্মার্টফোন ৮০ শতাংশ বা তার আশপাশে চার্জ রাখার কথাও বলেন। এতে স্মার্টফোনের ওপর চাপ কমে। স্মার্টফোন নিয়মিত চার্জিং চক্র রাখলে ব্যাটারি বেশি দিন টিকবে বলে মনে করেন তাঁরা। এ ছাড়া ব্যাটারি পুরোপুরি চার্জশূন্য করতে নিষেধ করেন গবেষকেরা। এতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে ব্যাটারির আয়ু কমে যেতে পারে। ব্যাটারির ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বেশ কিছু সেফটি ফিচার আছে, যা ব্যাটারি একেবারে চার্জশূন্য হওয়া ঠেকাতে পারে। ব্যাটারির চার্জ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এলে চার্জ দেওয়া উচিত।
মনে রাখতে হবে, স্মার্টফোনের ব্যাটারির সবচেয়ে বড় শত্রু অতিরিক্ত তাপমাত্রা। বেশি তাপমাত্রায় স্মার্টফোনের ব্যাটারি কমতে শুরু করে। তাই সরাসরি স্মার্টফোন রোদে রাখা ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরমে ফোন বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। ৮৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার ওপরে গেলেই ব্যাটারির কার্যকারিতা কমতে শুরু করে। তাই ফোনের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা যাতে না বাড়ে, সে জন্য খেয়াল রাখতে হবে। রোদে বা ড্যাশবোর্ডে ফোন রাখলেও তোয়ালে দিয়ে ঢেকে বা পানির বোতলের পাশে রাখতে হবে।
ভুয়া বা নকল চার্জার, কেবল ব্যবহার না করলে নিজ স্মার্টফোনের কেবল ছাড়া অন্য কেবল বা চার্জার ব্যবহারে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তবে নিজের ডিভাইসের সঙ্গে দেওয়া চার্জার ও কেবল ব্যবহারই সবচেয়ে নিরাপদ।
সাধারণত ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে স্মার্টফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা, ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ সংযোগ প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখা, সেটিংস থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার বন্ধ করার মতো কাজগুলো স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মানতে হবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন সিডল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ টেস্ট ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা ছিলেন পিটার সিডল। ৩৫ পেরোনো এই পেসার বিদায় বল দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। মেলবোর্নে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন খেলার আগে আকস্মিক এই সিদ্ধান্তটি সতীর্থদের জানিয়েছেন সিডল। সবার কাছে সিদ্ধান্তটি আকস্মিক ঠেকলেও সিডল এমনটি ভেবে রেখেছিলেন এই বছরের অ্যাশেজেই, ‘আসলে সঠিক সময়টা কখন এটা বুঝতে পারা খুব কঠিন। তবে এটা অ্যাশেজেই ছিল। যদিও আমার মূল লক্ষ্য ছিল, সফরকারী দলটির সঙ্গী হয়ে যেন চেষ্টা করতে পারি।’
এরপরেই অবসর ভাবনা নিয়ে কোচ ল্যাঙ্গার ও অধিনায়ক পেইনের সঙ্গে সেই সিরিজে আলোচনা করেছিলেন তিনি। সেই থেকেই ঘরের মাঠে অবসর নেওয়ার ভাবনাটা তাকে পেয়ে বসে, ‘যখন সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলি, তখন পেইন ও ল্যাঙ্গারের সঙ্গে ওই সিরিজে আলোচনা করেছি। আমি সেখানেই এটা করে ফেলতে পারতাম। কিন্তু ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ায় আরেকটি টেস্ট খেলতে পারলে সেটা হতো দারুণ কিছু।’
২০০৮ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া সিডল এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৬৭টি টেস্ট। এ সময়ে ৩০.৬৬ গড়ে নিয়েছেন ২২১ উইকেট। এই গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারেও ছিল তার ভূমিকা। ২০১০-১১ মৌসুমের অ্যাশেজে নিজের ২৬তম জন্মদিনে হ্যাটট্রিকের দুর্লভ কীর্তি আছে তার। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার অবশ্য তেমন সমৃদ্ধ নয় তার। ২০টি ওয়ানডেতে নিয়েছেন ১৭টি উইকেট আর দুই টি-টোয়েন্টিতে নিয়েছেন মাত্র ৩ উইকেট! তবে ২০১৬ সালে পিঠের ইনজুরিতে মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েন প্রায় দুই বছরের জন্য। গত বছরের অক্টোবরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে আবার ফেরেন দলে। সর্বশেষ অ্যাশেজেও ছিলেন। এরপর পাকিস্তান সিরিজে না থাকলেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজের দলে ছিলেন। তবে একাদশে জায়গা হয়নি। তাই এই বছরের সেপ্টেম্বরে ওভালে খেলা অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট হয়ে রইলো।
ভেঙে যাচ্ছে সজল-নাদিয়ার সংসার!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ সজল আর নাদিয়া মিমের দুই বছরের সংসার কোনো মতেই সুখের হচ্ছে না। সারাক্ষণ এটা ওটা নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকে। ফলে দুজন মিলে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। নিজেদের স্বার্থেই আপসে তারা বিচ্ছেদের পথে পা রাখেন।
এক ছাদের নিচের জীবন থেকে আলাদা জীবনে ভিন্ন অভিজ্ঞতা শুরু হয় দুজনের। গল্প মোড় নেয় অন্যদিকে। এমন গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘এতটুকুই চেয়েছিলাম’।
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আবদুন নুর সজল ও নাদিয়া আফরিন মিম জুটি বেঁধে এ নাটকে অভিনয় করেছেন। তরুণ নির্মাতা বিপু পালের পরিচালনায় এতে আরো অভিনয় করেছেন রিদুয়ানা রিদু, শাহারিয়ারসহ অনেকে।
নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে সজল বলেন, ভিন্নধর্মী একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। সব সময় আমি ব্যতিক্রমী গল্পে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এ নাটকটি তেমনই ভিন্ন ধারার একটি গল্প। আশা করি নাটকটি সবার ভালো লাগবে।
‘এতটুকুই চেয়েছিলাম’ নাটকটি শিগগিরই যে কোনো একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হবে বলে জানান নির্মাতা বিপু পাল।
স্বপ্ন পূরণের পথে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল নির্মাণ একল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পদ্মাসেতু নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলার নির্মাণ ও স্প্যান বসানোর কাজও প্রায় শেষ। ২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) সরকারের ১০ মেগা প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদ্মা সেতুতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৭১৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এ প্রকল্পে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে মেট্রোরেল প্রকল্পে ৭ হাজার ২১২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, নানা জটিলতা কাটিয়ে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ২০১৭ সালে নদীর গভীরতার কারণে সেতুর ১৪টি পিলারের নকশা পরিবর্তন করা হয়। মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৯টি স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে ২ হাজার ৮৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ শতাংশ।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জটিল সব কাজ শেষ। এখন শুধুই অগ্রগতি। ২০২১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সব কাজ শেষ করে সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।’ এদিকে, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পটির কাজও এগিয়ে চলেছে। সেতু উদ্বোধনের দিন থেকেই চলবে ট্রেন। এই রেলপথ নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা ৬৯ পয়সা। ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত রেললাইন নির্মিত হয়ে গেছে। ভাঙ্গা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে মাওয়া পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের কাজ খুব অল্প সময়ে শেষ করা হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যেই শেষ হবে পদ্মাসেতুতে রেলের সব কাজ—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রেলওয়ের আওতায় আনার লক্ষ্যে ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু দিয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনার পরিপ্রেক্ষিতে পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্প-১ (ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা) এবং প্রকল্প-২ (ভাঙ্গা-নড়াইল-যশোর) নামের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সরকারের এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
মেগা প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম আরেকটি হলো মেট্রোরেল প্রকল্প। ঢাকা মাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট (এমআরটি) লাইন- ৬ প্রকল্প বা মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে। রাজধানীর যানজট কমানোর লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মিত হবে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন চলাচল চালু করার কথা থাকলেও হয়নি। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত পিলার নির্মাণের কাজ শেষ, চলছে স্প্যান বসানোর কাজ। উত্তরার কিছু অংশে স্প্যান বসানো শুরু হয়েছে। আগারগাঁও থেকে ফার্মগেট হয়ে কাওরান বাজার, বাংলামোটর ও শাহবাগ পুরানা পল্টন, দৈনিক বাংলা হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত কাজ শুরু হয়েছে। পাইলিং শেষে এসব এলাকায় পিলার বসানোর কাজ চলছে।
ফুলতলায় স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন
ফুলতলা (খুলনা) অফিস ॥ ফুলতলার আব্দুল লতিফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন রোববার সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন-জেসমিন বেগম, মো. হাদিউজ্জামান, মো. শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, আবুল কালাম শেখ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। এদিন সকাল ৯টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ৪৮৯ অভিভাবক ভোটারের মধ্যে ৩৯১ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম বদিউজ্জামান নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।









