যশোরের কারাতেকাদের ৪ পদক, স্বর্ণ জিতলেন তাহমিদ আরোশ

0
যশোরের কারাতেকাদের ৪ পদক, স্বর্ণ জিতলেন তাহমিদ আরোশ

স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ : দ্বিতীয় জুনিয়র জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ চারটি পদক অর্জন করেছে যশোর জেলা কারাতে দল। পদকগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও দুটি ব্রোঞ্জ। গত ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর-১০-এর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার চিলড্রেন বিভাগে ফাইট ইভেন্টে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন তাহমিদ আরোশ। ক্যাডেট বিভাগে ফাইট ইভেন্টে রৌপ্যপদক জেতেন তাব্বিহা খান। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-২১ বিভাগে নয়ন ইসলাম রাতুল এবং অনূর্ধ্ব-১৩ বিভাগে লাবিবা খাতুন নিজ নিজ ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেন।

পদকজয়ী চার কারাতেকাই বাংলাদেশ কারাতে অর্গানাইজেশনের (বিকেও) শিক্ষার্থী। তাঁরা প্রশিক্ষক রফিকুল ইসলাম রফিকের অধীনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাঁদের এ সাফল্যে যশোরের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পদক ও সনদপত্র তুলে দেন নারী ও শিশু সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সুবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুজ্জামান, সাবেক সভাপতি শাহজাদ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন সেন্টুসহ কারাতে অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

যশোরের পদকজয়ী খেলোয়াড়দের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, যশোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশেক হাসান, যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় সাহা, অ্যাডহক কমিটির সদস্য মাহতাব নাসির পলাশ এবং জয়তী সোসাইটির পরিচালক অর্চনা বিশ্বাসসহ ক্রীড়া ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ প্রতিযোগিতায় যশোর জেলা কারাতে দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন রফিকুল ইসলাম রফিক। সহকারী কোচ ছিলেন নয়ন ইসলাম রাতুল, রফিকুল ইসলাম মিল্টন ও হাফিজুর রহমান হ্যাপি। টিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন আসিফ আহমেদ আকাশ ও আসিফ আহমেদ কোরাইশী।

বাংলাদেশ কারাতে অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকেও পদকজয়ী চার কারাতেকাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে, কঠোর অনুশীলন, নিয়মানুবর্তিতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে এ প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সাফল্য অর্জন করবেন এবং দেশের পাশাপাশি যশোরের সুনাম বৃদ্ধি করবেন।