মোল্লাহাটে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

0

 

মোল্লাহাট (বাগেরহাট)সংবাদদাতা॥ বাগেরহাটের মোল্লাহাটে উপজেলা দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার গাওলা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভায় সারুলিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের ভেতর ২০ জনকে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহমেদ বলেন, বিভিন্ন কারণে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সিকদার জামাল উদ্দিন নেতা-কর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সারুলিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে গাওলা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা চলছিল। এমন সময় অব্যাহতিপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান ও হারুন আল রশিদের নেতৃত্বে ২/৩শ সন্ত্রাসী চাইনিজ কুড়ালসহ সভাস্থলে এসে নেতা -কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন নেতা- কর্মী আহত হন। একপর্যায়ে বিএনপি কর্মীদের প্রতিবাদের মুখে স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয় সন্ত্রাসীরা। শান্তিশৃঙ্খলার কথা বিবেচনায় সভার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
অনুরূপ বক্তব্য দেন,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাহেদ আলী ও সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম মিয়া। তারা জানান, সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ৪০/৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনার জন্যে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিপক্ষ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক তালিম সাহেবের একক স্বাক্ষরিত পত্রে তাকে অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী ওই সভায় যান ও তার নামে মিছিল করেন। এ সময় তিনি নিজেই মিছিল থামাতে চেষ্টা করেন। এরই ভেতর নেতৃবৃন্দ মঞ্চ থেকে চলে যান। এ সময় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনায় তার অনুসারী বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।