তরিকুল ইসলাম তার কর্মের মাধ্যমে এ জনপদের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন

দড়াটানা মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তারা

0
ছবি: লোকসমাজ।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম জনপদের উন্নয়নের কারিগর খ্যাত তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার বাদ আসর পরিবারের উদ্যোগে দড়াটানা জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বরেণ্য এই রাজনীতিকের দোয়া মাহফিলে যশোরের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। মুনাজাত পূর্বে যশোরের বিশিষ্ট আলেমগণ তরিকুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় তারা বলেন, তরিকুল ইসলাম তার কর্মের মাধ্যমে এই জনপদের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে তার আত্মার সম্পর্ক ছিল। বিশেষ করে যশোরের আলেম সমাজের সাথে তার সম্পর্কটা ছিল অত্যন্ত নিবিড়। তিনি আলেম সমাজকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখতেন।

আলেম সমাজও তাকে ইজ্জত সম্মান দিতেন। যশোরের আলেম সমাজ কোনো বিষয়ে তরিকুল ইসলামকে স্মরণ করলে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তাদের ডাকে সাড়া দিতেন। এমনিভাবে তিনি যশোরের সকল শ্রেণির পেশার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী ছিলেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা ইমাম পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মুফতি আবদুল মান্নান, জেলা ফতোয়া বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান এজাজী, দড়াটানা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, বারান্দীপাড়া মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি শামসুর রহমান প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, দড়াটানা জামে মসজিদের খতিব মুফতি আমানুল্লাহ কাসেমী।

দোয়া মাহফিলে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তরিকুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ ফেরদৌস জাহাঙ্গীর সুমন, সিভিল সার্জন মাসুদ রানা, ডেপুটি সিভিল সার্জন নাজমুস সাদিক, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হুসাইন শাফায়াত, আরএমও আহসান কবির বাপ্পি, যশোর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান, যশোর সরকারি এমএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুন অর রশিদ, সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুস সালাম আজাদ, তরিকুল ইসলামের বড় পুত্র বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও দৈনিক লোকসমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক, যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান, সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম সোহান, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইসহক, তৃণমূল জাগপার কেন্দ্রীয় সভাপতি নিজামউদ্দিন অমিত, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সম্পাদক নূর ইসলাম, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরাম-উদ-দ্দৌলা, সাধারণ সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন, প্রেস ক্লাব যশোরের সাবেক সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, আহসান কবির বাবু, দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক বেনজীন খান, দৈনিক কল্যাণ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এহসান উদ-দৌলা-মিথুন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি যশোর জেলা শাখার সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এবাদত খান, বিশিষ্ট আলেম মুফতি নাসিরুল্লাহ, নাসিব যশোরের সভাপতি সাকির আলী, ড. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের অধ্যক্ষ জে এম ইকবাল হোসেন, নতুনহাট পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রাশেদ খান, জেলা মৎস্য হ্যাচারি মালিক সমিতির সভাপতি জাহিদুর রহমান গোলদার প্রমুখ।