মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হলে গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করতে হবে :অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পূর্ব শর্ত হচ্ছে জনগণের পছন্দের সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তাই শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্যে আন্দোলন করছে। যাতে করে জনগণ নির্ভয়ে তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিতে পারে। জনগণ দেশে বিরাজমান অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়েছে। জনগণ অচিরেই দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোর পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন একটি বিপ্লব ঘটাবে।  সোমবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের মাত্র চার বছরে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুন্ঠিত হতে বসেছিল ঠিত তখনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত জনগণ সেই চেতনা খুঁজে পাওয়ার অভিপ্রায় নিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বসিয়েছিলেন। সেদিন তিনি জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করেত সক্ষম হয়েছিলেন। সেদিন দেশের সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছিল,আর মেজর জিয়াউর রহমান সফল হয়েছিলেন। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তিনি শক্ত হাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হলে গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করতে হবে। আর গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে ৭ নভেম্বরের ইতিহাসকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বাঙালি জাতিকে নিজস্ব জাতিসত্ত্বা দিয়ে সমগ্র জাতিকে একতাবদ্ধ করেছিলেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাঙালি জাতিকে একটি শিক্ষিত আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করেছিলেন। তিনি বাকশালকে হটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথটি উন্মুক্ত করেন। ফিরিয়ে দেন সংবাদপত্রসহ জনগণের সকল মৌলিক অধিকার। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় শানিত হয়ে আরেকটি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুম, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রাশিদা রহমান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন বাবু প্রমুখ। আলোচনাসভা পরিচালনা করেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল।