ঝিকরগাছা বিএনপির সভাপতি সাবিরা ও সাধারণ সম্পাদক নিপুন

0

 

ঝিকরগাছা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ ঝিকরগাছায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উপজেলা বিএনপির শীর্ষ চার পদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নি, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান সামাদ নিপুন এবং ২টি সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদুন্নবী মুরাদ ও কাজী আব্দুস সাত্তার।
শনিবার কড়া নিরাপত্তায় ঝিকরগাছা বিএম হাইস্কুলে উৎসব এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হয়। সকাল ৯ থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত কাউন্সিলররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে ঝিকরগাছা বাজার, উপজেলা মোড়, হাসপাতাল মোড়সহ গোটা ঝিকরগাছা শহর বিএনপি কর্মী সমর্থকদের পদচারণায় মুখরিত ছিল। শীর্ষ চার পদের নির্বাচনে সভাপতি পদে ২জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৩জন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৫জনসহ মোট ১০জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে সাবিরা সুলতানা মুন্নি ৪৩৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মোর্তজা এলাহী টিপু পেয়েছেন ২৯০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ৩জনের মধ্যে ইমরান হাসান সামাদ নিপুন ২৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। আর ২জন প্রতিদ্বন্দ্বী খোরশেদ আলম পেয়েছেন ২৪৩ ও আশফাকুজ্জামান খান রনি পেয়েছেন ২২৩ ভোট।
এছাড়া দুটি সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মুরুদুন্নবী মুরাদ ৩৬৮ ভোট পেয়ে প্রথম ও কাজী আব্দুস সাত্তার ৩৪৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী গোলাম কাদের বাবলু ২৯৯, ইমামুল হক ২৩০ ও শাহিন আহম্মেদ ১৩৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। নির্বাচনে ৭৮১ জন ভোটারের মধ্যে ৭৫০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কু-ুু সার্বক্ষণিক ভোট গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। এছাড়া নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুনির আহম্মেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, কাজী আজম, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল।
এদিকে নির্বাচন চলাকালে জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাড. মো. ইসহক, গোলাম রেজা দুলু, এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু, মিজানুর রহমান খান, আব্দুস সালাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ফলাফল ঘোষণা করেন। এদিকে উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। ২০০৯ সালে সর্বশেষ এ উপজেলায় বিএনপির কাউন্সিল হয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বচনে ভোট দিতে না পারা বিএনপির দলীয় কাউন্সিলররা উৎসাহ উদ্দীপনায় এদিন ভোট প্রদান করেন। প্রবীণ ও গুরুতর অসুস্থরা ব্যক্তিরাও ভোট দিতে আসেন। নিজ দলের গণতান্ত্রিক চর্চার এই ভোট দিতে পেরে খুশি কাউন্সিলরা।