অর্ডিন্যান্স হলেই ইকসু নির্বাচন: উপাচার্য

0

ইবি সংবাদদাতা॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) গঠনের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইনে ইকসুর কোনো বিধান নেই। তাই এটিকে কীভাবে করা যায় তার জন্যে আমরা গঠনতন্ত্রের খসড়া তৈরির জন্যে শিক্ষক-ছাত্র প্রতিনিধি নিয়ে কমিটি গঠন করবো। পরে সিন্ডিকেটে খসড়া পাশ করে ইউজিসিতে পাঠাবো। ইউজিসি থেকে অনুমোদন হলে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যাবে। পরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে এটি অর্ডিন্যান্স আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অর্গানমে যুক্ত হবে। অর্ডিন্যান্স পাশ হলেই শিক্ষার্থীরা চাইলেই আমরা ১৫ দিনের মধ্যে ইকসু নির্বাচনের আয়োজন করবো।
ইকসু গঠনের খসড়া তৈরি ও অর্ডিন্যান্স আকারে পাশের সকল প্রক্রিয়া আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করবো।

সোমবার দুপুরে উপাচার্যের অফিস কক্ষে মুভমেন্ট ফর ইকসু প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সাজিদ হত্যার বিচার, জুলাই বিরোধীদের বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লগো সম্বলিত ভুয়া পেইজ বন্ধের পদক্ষেপের আশ্বাস দেন তিনি।

আইনের জটিলতা ছাড়াও ইকসু গঠনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বাজেটে ডাকসুর জন্যে বাজেট বরাদ্দ থাকে যেখানে ডাকসুর প্রত্যেক পদধারীর জন্য বরাদ্দ থাকে। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বাজেটে এমন কোন আলাদা বরাদ্দ নেই। তাহলে এই টাকাটা কাকে, কীভাবে দেবে? এজন্যেই দরকার একটা লিগ্যাল এন্টিটি। আর এই লিগ্যাল এন্টিটি হলেই এ বিশ্ববিদ্যালয় যতদিন থাকবে ততদিন ইকসু হবে-এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাজিদ হত্যা, জুলাই বিরোধীদের বিচার ও ভুয়া পেইজ পরিচালনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ইস্যুকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।