মাসুদ রানা বাবু ॥ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে শুধু নির্বাচন হিসেবে দেখলে হবে না। নির্বাচনের ‘রাইট’ এবং ‘রং’ সাইড দেখতে হবে। এই নির্বাচন দেশপ্রেমিক এবং দেশবিরোধীদের মধ্যে। দেশের মানুষ অতীতে কখনো ভুল করেনি। তারা সবসময় দেশপ্রেমিকদের সমর্থন দিয়েছে। আমরাও আত্মবিশ্বাসী, বিএনপি ১২ তারিখে আপনাদের (জনগণ) সমর্থন পাবে। আপনাদের সমর্থন নিয়ে বিএনপি কাজ শুরু করবে। ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
তিনি বলেন, একটি দল মানুষকে অসৎ প্রস্তাব দিয়ে কীভাবে সৎ লোকের শাসন কায়েম করতে চায়? সেই দল নির্বাচনের আগে মা-বোনদের কাছে তাদের দলের কর্মীদের পাঠাচ্ছে এনআইডি এবং বিকাশ নম্বর নেওয়ার জন্য। তারাই কি না বলে সৎ লোকের শাসন কায়েম করবে! আরে ভাই, আপনাদের এই প্রস্তাবটা হলো সবচেয়ে অসৎ প্রস্তাব। আপনারা অসৎ প্রস্তাব দিয়ে কাজ শুরু করে কীভাবে মনে করেন সৎ লোকের শাসন কায়েম করবেন? তারা মা-বোনদের বিকাশ নম্বরে ১২ তারিখের আগে কিছু পাঠাবে, পরে আর খোঁজ নেবে না।
একাত্তরে আমরা সেই দলের ভূমিকা দেখেছি। কীভাবে তারা দেশের মানুষকে রেখে অন্যদিকে চলে গিয়েছিল। তাদের কারণে লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছিল। তাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মা-বোন তাদের ইজ্জত-সম্ভ্রম হারিয়েছিল।
সোমবার যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উদ্যানে অনুষ্ঠিত জনসভায় তারেক রহমান আরও বলেন, একটি দল সমগ্র জাতির সামনে মিথ্যা কথা বলছে। সেই দলের শীর্ষ নেতা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় মা-বোনদের আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করে এখন বলছেন, তাদের অ্যাকাউন্ট নাকি হ্যাক হয়ে গিয়েছিল? বিশেষজ্ঞরা প্রমাণ করেছেন তাদের কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়নি, অ্যাকাউন্ট হ্যাক হতে পারে না।
মা-বোনদের নামে আপত্তিকর কথা বলার পর দেশের মানুষের তীব্র প্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচার জন্য তারা জনগণের সামনে মিথ্যা কথা বলছেন। যারা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে মিথ্যা কথা বলতে পারে, তারা নির্বাচনের পরে কী পরিমাণ মিথ্যা কথা বলবে, এটি আমাদের সহজেই বোধগম্য হয়।
যারা নিজ দেশের মানুষদের আপত্তিকরভাবে বিশ্লেষণ করে, তাদের কাছ থেকে কি জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে? না, ভালো কিছু আশা করা সম্ভব না। সমগ্র জাতির সামনে নিজেদের রক্ষায় প্রকাশ্যে জনগণের সামনে জলজ্যান্ত মিথ্যা কথা বলে যারা সকাল-বিকেল মানুষের সামনে মিথ্যা কথা বলে, তারা আর যাই হোক জনগণের বন্ধু হতে পারে না।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পরে ধরেই নিয়েছিলাম রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল জনগণের মান-মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে কথা বলবে এবং রাজনীতি করবে। কিন্তু আমরা কষ্টের সাথে খেয়াল করলাম একটি রাজনৈতিক দল ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী মা এবং বোনদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলা শুরু করলো। তারা উঠেপড়ে লাগলো কীভাবে মা-বোনদের ঘরের মধ্যে আটকে রাখা যায়।
আমার প্রশ্ন, সেই রাজনৈতিক দলের তো নারী কর্মী রয়েছে। তাদের নারী কর্মীরাও তো ঘর থেকে বেরিয়ে দলের কাজে যান। তাহলে আমরাও তাদের নারী কর্মীদের কাছে প্রশ্ন করতে পারি, আপনাদের দলের নেতা আপনাদের সম্পর্কে কী নোংরা চিন্তা করেন? আমাদের প্রিয় নবী কারিম (সা.)-এর স্ত্রী বিবি খাদিজা (রা.) কর্মজীবী নারী ছিলেন। উনি ব্যবসা করতেন। বদরের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর লোক-লস্কর, যত প্রকার সরঞ্জামাদি, খাবার-দাবার সকল কিছু আয়োজন করেছিলেন হযরত আয়েশা (রা.) নিজের অবস্থান থেকে। শুধু তাই না, ওই যুদ্ধে আহত মুসলিম সৈনিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা হযরত আয়েশা (রা.)-এর মাধ্যমেই হয়েছিল। সেই নার্সিং সিস্টেম আমরা এখন দেখি, বদরের যুদ্ধে সেটি হয়েছিল হযরত আয়েশা (রা.)-এর নেতৃত্বে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের রাজনৈতিক কিংবা কথা বলার অধিকার এক যুগেরও অধিক সময় আগে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমরা দেখেছি স্বৈরাচার তাদের সময়ে কীভাবে গুণী ও সম্মানী মানুষদের কথায় কথায় তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অপমানিত করতো। কীভাবে ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অপমানিত করতো। মানুষ তার অধিকার প্রয়োগ করার জন্য হাজার হাজার মানুষ গুম-খুনের শিকার, লাখ লাখ গায়েবি মামলা এবং সীমাহীন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই অধিকার ইনশাআল্লাহ দেশের মানুষ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, যে দল নিজের দেশের নারীদের ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে চায়, তারা এখনো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করার জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে। কীভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা যায় সে চেষ্টায় তারা ব্যস্ত। তাই আমাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, সজাগ থাকতে হবে; যাতে করে তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যায়। যাতে কেউ ষড়যন্ত্র করে আপনাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে। নতুন গল্প শুনছি, এবার নাকি ভোট গণনা করতে অনেক সময় লাগবে।
এই দেশের মানুষ বিগত এক যুগ ভোট দিতে পারেনি, কিন্তু ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। তারা ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালে ভোট দিয়েছে। ভোট গণনা করতে কেমন সময় লাগে দেশের মানুষের সেই ধারণা আছে। কাজেই যদি ‘ভোট গণনায় দেরি হবে’ এই উছিলা দিয়ে কেউ কোনো সুযোগ নিতে চায়, আপনাদের সেটি প্রতিহত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে দেশকে উন্নত করতে এবং এগিয়ে নিতে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ রাখলে চলবে না। আজকে গার্মেন্টস শিল্প নিয়ে দেশের মানুষ সারা বিশ্বে গর্ব করে। এই শিল্প নারীরা চালাচ্ছে, সেখানে ৫০ লাখেরও বেশি নারী রয়েছে। তাদের প্রতিদিনের কষ্টের ফলে দেশের গার্মেন্টস শিল্প সারা বিশ্বে বিখ্যাত শিল্পে পরিণত হয়েছে।
নারী সমাজকে শুধু সহযোগিতার পাশাপাশি তাঁদের শিক্ষিত করার জন্য বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দল হিসেবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের (জনগণ) সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে ঘরে ঘরে নারীদের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেবো। যে কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্যরা সরকারের পক্ষ থেকে সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
কারণ আমরা বিশ্বাস করি পুরুষের পাশাপাশি নারীরা স্বাবলম্বী হলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব; অন্যথায় কোনোভাবেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব না। বাংলাদেশ তখনই উন্নতি করবে যখন নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। বিএনপি দেশের মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করে। বিএনপি জনগণের সমর্থন নিয়ে যতবার সরকার গঠন করেছে, প্রতিবারই চেষ্টা করেছে এমন কিছু করতে যা মানুষের উন্নয়ন হয়। রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
কিন্তু বিগত ১৫ বছর দেখেছি কীভাবে দেশের মানুষকে তার এলাকার উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা আগামী দিনে সারাদেশে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষকদের হাতে ‘কৃষি কার্ড’ তুলে দিতে চাই। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বীজ ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দিতে চাই; যার মাধ্যমে কৃষি ঋণ সহজ হবে। শুধু তাই না, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে এই মুহূর্তে যে সকল কৃষকের ১০ হাজার টাকা ঋণ আছে, তা সুদসহ মওকুফ করবো। বিএনপি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে সেটি হবে জনগণের সরকার।
সেই সরকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করবে। তিনি বলেন, আমাদের সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছেন যারা অত্যন্ত সম্মানী মানুষ; জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক, যারা মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরু।
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১২ তারিখে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে এই মানুষগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে ‘সম্মানিত ভাতা’ প্রদান করবো, যাতে করে তারা সম্মানের সাথে জীবন যাপন করতে পারেন।
তারেক রহমান বলেন, একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে চব্বিশে স্বাধীনতা রক্ষাসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা কিন্তু রাজপথ দখলের সময় কারও ধর্ম-বর্ণ দেখিনি। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষ মিলে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি। ঠিক একইভাবে সকল ধর্মের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সফল হয়েছি।
আমরা সকল ধর্মের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে এবং শান্তিতে বসবাস করতে চাই। দেশের মালিক জনগণের সমর্থন থাকলে তবেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। জনগণের সমর্থন হচ্ছে একটি দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা জনগণের কাছে সবসময় জবাবদিহি করতে বাধ্য। সেই কারণে আমরা সবসময় বলে থাকি জনগণই আমাদের সকল ক্ষমতার উৎস।
যশোর প্রসঙ্গে তারেক রহমান তাঁর আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনায় বলেন, এখানে একটি সুন্দর শিল্প আছে, সেটি ফুল চাষ। আমরা এই শিল্পকে দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না; এই শিল্পকে গার্মেন্টসের মতো রপ্তানি করতে চাই। উলাশী খাল খননের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের হাজার হাজার খাল খনন করেছিলেন, যার সুবিধা দেশের কৃষকরা পেয়েছে। খাল সংস্কারের অভাবে এই অঞ্চলের কৃষক ভাইদের চাষাবাদ ব্যাহত হয়। বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন খাল ও বিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
আমরা ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে বিএনপি সরকার গঠন করলে উলাশীসহ সারাদেশের খাল খনন করতে চাই। খাল খননের মাধ্যমে আপনাদের সাথে দেখা হবে। এই এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জিকে প্রকল্প চালু করেছিলেন। এই যশোর অঞ্চলের কৃষক ভাইদের বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন খাল ও বিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
এই এলাকায় প্রচুর আখ চাষ হয়, কিন্তু আমাদের চিনিকলগুলো পড়ে থাকে। আমরা এই চিনিকলগুলোকে আবার চালু করতে চাই। এর মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রাকে সাশ্রয় করতে চাই।
এভাবে দেশের প্রতিটি জেলাকে সামগ্রিকভাবে ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে চাই, যার ফলে আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। এই অঞ্চলসহ সারাদেশে একটি সমস্যা আছে তরুণ যুবকদের। সেখানে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি ভোকেশনাল এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করবো, যাতে করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়।
তিনি জনসভায় উপস্থিত লাখ লাখ জনতার উদ্দেশ্যে যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের ২২ জন ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থীর কথা উল্লেখ করে তাঁদের আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দুই হাত উঁচিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা ২২ জনকে ১২ তারিখ পর্যন্ত খেয়াল রাখবেন। তারা জয়ী হলে ১৩ তারিখ থেকে আপনাদের খেয়াল রাখবে, আপনাদের এলাকার উন্নয়ন ও সকল সমস্যার সমাধান করবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জনসভায় সভাপতিত্ব করেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জনসভা পরিচালনা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।





