প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক সফরে আগামীকাল যশোরে আসছেন তারেক রহমান

0
দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমানের যশোর আগমনকে ঘিরে জেলা বিএনপির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত তুলে ধরছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।। ছবি: লোকসমাজ

মাসুদ রানা বাবু ॥ আগামীকাল সোমবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক কোন কর্মসূচিতে যোগ দিতে যশোরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। রোববার প্রেসক্লাবে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর -৩ ( সদর) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি যশোরে আসছেন। দুপুর দেড়টা নাগাদ হেলিকপ্টার যোগে যশোর আসবেন। তিনি যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া এই সাত জেলার ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। আগামীতে বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সেক্ষেত্রে দলের কর্ম পরিকল্পনা অর্থাৎ দেশ ও জাতি এবং সমাজের সকল শ্রেণির পেশার মানুষের জন্য বিএনপির ভাবনা গুলো তুলে ধরবেন। তারেক রহমানের কাছে যশোরবাসীর প্রত্যাশার কথাটি জেলা বিএনপির মাধ্যমে লিখিত ভাবে জানানো হবে। যশোরবাসীর প্রয়োজনীয় বিষয় আমাদের জানা আছে। তারপরও আমাদের জানার বাইরেও যদি কোন বিষয় থেকে থাকে তাহলে আপনাদের ( সাংবাদিক) মাধ্যমে জানতে পারলে সেটিও অবশ্যই জানাবো। আমাদের যে তালিকা আছে তারমধ্যে প্রথমেই ভবদহ সম্যার কথা বলা আছে। কৃষি প্রধান এলাকা যশোরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং হিমাগারের বিষয়টি আমাদের তালিকার মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন প্রথমবারের কোন রাজনৈতিক দল শহরের বাইরে সমাবেশ করছে। আমরা মনে করছি তারেক রহমানকে ঘিরে মানুষের যে আবেগ এবং উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে শহরের কেন্দ্র বিন্দুতে তার জনসভার আয়োজন করতাম তাহলে ব্যাপক এলাকা জুড়ে মানুষ অবস্থান করতেন। এরমধ্যে দিয়ে জন দুর্ভোগ সৃষ্টি হতো যা মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতো। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। তাদের কষ্ট এবং বিরক্তি বিবেচনায় নিয়েই সুপরিকল্পিত ভাবে শহরের বাইরে সমাবেশ টি করছি। যাতে করে মানুষের কষ্ট এবং ভোগান্তির মাত্রা কম হয়।
তারপরও কিছু টা

হলেও কষ্ট হবে তার জন্য ওই এলাকাবাসীর কাছে আগাম ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মানুষের যেন কষ্ট এবং ভোগান্তি কম হয় তার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন অত্যান্ত স্বল্প সময়ের নোটিশে জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমানকে ঘিরে সারাদেশে যে আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, যশোর তার বাইরে নয়। ঐতিহাসিক জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী বিধি বিবেচনায় নিয়ে এবং আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যু বরণ করেছেন সে কারণ আমরা আড়ম্বর পরিহার করছি। আমরা আশা করছি যশোরবাসীর সহযোগিতায় স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশ আয়োজন করতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য তারেক রহমান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় যশোরের ওপর দিয়ে খুলনা হয়ে বাগেরহাটে যান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত প্রমুখ।