প্রাচ্যসংঘ যশোরে ইন্দো-বাংলা যৌথ চিত্র প্রদর্শনী শুরু

0

স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রাচ্যসংঘ যশোরে শুরু হয়েছে চারদিনের ইন্দো-বাংলা যৌথ চিত্র প্রদর্শনী ও আর্ট ক্যাম্প
২০২৪। শুক্রবার বিকেলে প্রাচ্য গ্যালারিতে ফিতে কেটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন যশোরের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যও রাখেন।
প্রদর্শনীর আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক তাপস কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইনিভার্সিটি অব লেবারাল আর্টস
বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্ট্যাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক
প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এ এফ এম মনিরুজ্জামান, প্রাচ্য আকাদেমির অধ্যক্ষ আশরাফ হোসেন,
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চিত্র-অঙ্গন এর প্রতিষ্ঠাতা স্বপন দেবনাথ ও আসামের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী
আফতার আলী রাজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাচ্যসংঘ যশোরের প্রতিষ্ঠাতা বেনজীন
খান।
এর আগে সকাল ৯টায় প্রাচ্যসংঘ ক্যাম্পাসে আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ইউল্যাব-এর
সহকারী অধ্যাপক এ এফ এম মনিরুজ্জামান। আর্টক্যাম্পে ভারত ও বাংলাদেশের ২৫ জন শিল্পী
অংশ নেন। আর্টক্যাম্পে অংশ নেওয়া শিল্পীদের চিত্রকর্মও প্রদর্শনীতে স্থান পাচ্ছে।
আয়োজকরা জানান, প্রাচ্যসংঘ যশোরে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এই
আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৬০ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম
স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ১০ জন শিশু শিল্পীসহ ২৫ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম রয়েছে।
চারদিনের এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য
উন্মুক্ত থাকবে।
আয়োজকরা বলেন, এবারের প্রদর্শনী বাংলাদেশের প্রাচ্যসংঘ যশোর ও ভারতের কলকাতার চিত্র-
অঙ্গন যৌথভাবে আয়োজন করেছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই ভারতের পারফর্মিং আর্টস
ডিপ্লোমা পরীক্ষা বোর্ড সর্বভারতীয় সংগীত-ও-সংস্কৃতি পরিষদ অনুমোদিত।
প্রদর্শনীর শেষদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করবেন
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল
হোসাইন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে শিল্পী তৈরিতে প্রাচ্যসংঘ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।
তাদের আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনীর এমন আয়োজন দেখে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এখান
থেকে একসময় বড় বড় শিল্পী তৈরি হবে। প্রাচ্যসংঘের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে
তিনি প্রত্যাশা করেন।