সাতক্ষীরায় বৈকারী ইউপিতে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৭, গ্রেফতার ৮

0

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা ॥ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কোয়ারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ১৫ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈকারী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মোস্তফা কামাল মোটরসাইকেল প্রতীক পাওয়ার পর সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা থেকে মোটরসাইকেল শোডাউন নিয়ে এলাকায় যান। পথিমধ্যে ঘোনা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কোয়ারপাড়া এলাকায় পৌছালে নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান অসলের বড় ছেলে ইনজামুল হক ইমজা নৌকার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের শোডাউনে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় টহলরত সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ঘটনাস্থালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন, মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী আয়ুব আলী ভুট্টো, আনিসুর রহমান, মুনছুর আলী, শিমুল হোসেন, ছবুর আলী, রাশেদুজ্জামান, শাহীন, নৌকা প্রার্থীর ছেলে এনজামুল হক ইমজা ও হৃদয় হোসেনসহ ১৭ জন । বৈকারী ইউনিয়ন পরিষদের মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থ প্রার্থী আবু মোস্তফা কামাল জানান, বিকালে মোটরসাইকেলে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সাতক্ষীরা শহর থেকে এলাকায় যাচ্ছিলাম। এ সময় অসলের ছেলে ইমজার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের ওপর আক্রমণ করে। এতে আমার কমপক্ষে ৯ জন কর্মী আহত হন। এছাড়া সন্ত্রাসীরা বৃহস্পতিবার সকালেও আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। নৌকার প্রার্থী চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে জানান, মোস্তফা কামালের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার দুই ছেলে ইমজা ও হৃদয়সহ কমপক্ষে আটজন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে। রাতে আমার ঘর-বাড়ি ভাঙচুর করে তারা। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হুসেন জানান, বৈকারীর এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান অসলে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।