দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী গার্মেন্টসকর্মীদের ভিড়

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ দণিাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আজও ছিল ঢাকামুখী গার্মেন্টস কর্মীদের ভিড়। রোজার কারণে দুপুরের পর থেকে ভিড় কমে গেলেও সকালে যাত্রীদের ছিল চোখে পড়ার মতো। শর্ত সাপেে গার্মেন্টস খোলার ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন জেলা দৌলতদিয়া ঘাটে আসতে থাকে মানুষ। প্রশাসনিক নজরদারি থাকলেও জীবিকার প্রয়োজনে ছুটে আসা এসব মানুষের পারাপারের অনুমতি দেয় স্থানীয় প্রশাসন। গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবায়েত হায়াত শিপলু বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে আসা ঢাকামুখী যাত্রীদের অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী। মানবিক কারণেই তাদের পারপারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও চার থেকে পাঁচ গুণ অর্থ ব্যয় করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও মাহেন্দ্র নিয়ে বিভিন্ন ফিডার রোড দিয়ে ঘাটে আসছে মানুষ।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করার সুযোগে যাত্রীরা যেমন কর্মমুখী হচ্ছে, তেমনি ঢাকা থেকেও ফেরত আসছে অনেক যাত্রী। তবে গত কয়েক দিনের চেয়ে ঢাকাফেরত যাত্রীদের সংখ্যা কম দেখা যাচ্ছে। এছাড়া প্রাইভেটকার ও মাক্রোবাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সহজে টিকিট পাওয়ায় সুবাদে অনেকেই ফেরি পার হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, পণ্যবাহী ট্রাক নদী পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করছে। অনেকেই এই সুযোগ নিয়ে সামাজিক দূরত্ব লঙ্ঘন করছে। তিনি জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমান ১৬টি ছোটবড় ফেরি পর্যায়ক্রমে চলাচল করছে। এদিকে গত ১৬ এপ্রিল দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডব্লিউটিসিতে কর্মরত ২ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এখানকার অন্যদের মধ্যেও আতঙ্ক রয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির সকল স্টাফেরই নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার আইইডিসিআর এ পাঠান হয়েছে। তবে এখনও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।