স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্বগতকণ্ঠ যশোর তিনদিনব্যাপী সঙ্গীত বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করেছে। ৫, ৬ ও ৭ জানুয়ারি যশোর শিল্পকলা একাডেমিতে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারতের গুণী শিল্পী ইন্ডিয়ার আইডল একাডেমির মেন্টর ও জি বাংলা সা-রে-গা-মা-পা’র গ্রুমার কল্যাণ ভট্টাচার্য্য। সহযোগী প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কলকাতার প্রভাতী সঙ্গীত নিকেতনের অধ্যক্ষ ও গায়ক সঙ্গীত কলা কেন্দ্র, বারাসাত এর পরীক্ষক চন্দন ভট্টাচার্য্য।
প্রশিক্ষণের বিষয় : ভয়েস ট্রেইনিং, পারফর্মিং আর্ট, রিয়েলিটি শো গ্রুমিং, ট্রাডিশনাল কাসিক মিউজিক শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণকক্ষে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।
যশোরে স্বগতকন্ঠের তিনদিনব্যাপী সঙ্গীত কর্মশালা আজ শুরু
অভিনেত্রী কাজলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিল মেয়ে
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি কাজল-অজয় দেবগন। তাদের সংসারে রয়েছে দুই সন্তান নিশা ও নাইশা। সম্প্রতি ছোট মেয়ে নাইশাকে ঘিরে ঘটেছে অন্যরকম এক ঘটনা। কারিনা কাপুরের রেডিও শোয়ে হাজির হয়ে সেই গল্প শোনালেন কাজল।
একবার সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে গিয়ে নাকি কাঁদতে শুরু করেছিলো নাইশা। সিনেমা হলে তার কান্না থামানো যাচ্ছিলো না। সিনেমায় মা কাজলের একটি দৃশ্য দেখে ভীষণ রকম ভেঙে পড়েছিলো সে। সিদ্ধার্থ মালহোত্রা নির্মাণ করেছিলেন ‘উই আর ফ্যামিলি’ সিনেমাটি। কাজল এতে মায়া চরিত্রে অভিনয় করেন। এই সিনেমায় আরও ছিলেন অর্জুন রামপাল, কারিনা কাপুর প্রমুখ৷ কাজল বলেন, নাইশাকে নিয়ে আমার অভিনীত ‘উই আর ফ্যামিলি’ সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলাম। সিনেমা দেখতে গিয়ে আচমকাই কাদতে শুরু করে দেয় নাইশা। ওই সিনেমায় দেখানো হয়, ৩ সন্তানকে রেখে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাই আমি। পর্দায় মায়ের মৃত্যু দেখে সহ্য করতে পারেনি আমার মেয়ে। ফলে সিনেমার মাঝেই কাঁদতে শুরু করে নাইশা।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়াল ছাত্রলীগের দু’গ্রুপ
ফরিদপুর সংবাদদাতা ॥ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে। শনিবার দুপুরে ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সমর্থকদের মধ্যে এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর সমর্থক ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর সমর্থকরা পৃথক পৃথকভাবে মিছিল বের করে। সদরপুর স্টেডিয়ামের সামনে দু’পক্ষ মুখোমুখি হলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে ও সদরপুর স্টেডিয়ামে মুজিব বর্ষ ২০২০ প্রীতি ফুটবল ম্যাচের মঞ্চ ভাংচুর করে। এতে চার পুলিশসহ উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়। আহতদেরকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়। আহতরা হলেন- এসআই ফরহাদ, এসআই কামরুজ্জামান, এএসআই রবিউল ইলাম, কনেস্টবল জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার ফকির, যুবলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, বাপ্পি, জুয়েল হাওলাদার ও শাওন আহমেদ।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মশিউর রহমান মীম অভিযোগ করে বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনে (স্বতন্ত্র) সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে এ হামলা চালায়। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরীর সমর্থক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান জানান, আমি ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। দীর্ঘদিন এ উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কিভাবে আমি ছাত্রলীগের মিছিলে হামলা করতে পারি। তিনি বলেন, হামলার খবর পেয়ে আমি সেখানে গিয়ে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। গত তিনদিন আগে কাজী জাফরউল্লাহ সাহেব সদরপুরে জনসভা করে উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছিলেন। এ কারণে সংর্ঘষ হতে পারে। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ লুৎফর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরকারের পতন ঘটাতে হবে : সেলিমা রহমান
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ দেশে দুঃশাসন চলছে অভিযোগ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। এজন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন সফল করতে সবাইকে সংগঠিত হওয়ার আহবান জানান তিনি। শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ছনকান্দায় বিগত নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত বিএনপিকর্মী আব্দুর রশিদের স্মরণসভায় তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হাতে আব্দুর রশিদসহ বিএনপির ১৯ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন।
ফুলবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, জেলা বিএনপির আহবায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন বাবলু ও আলমগীর মাহমুদ। সভা শেষে মরহুম আব্দুর রশিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, যতবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ততবারই দেশে দুঃশাসন নেমে আসে। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং এখন ভোট না পেয়েও অবৈধভাবে জোর করে প্রশাসনের মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় বহাল আছেন এবং একই ভাবে দুঃশাসনে জুলুম নির্যাতন করে মানুষকে নিপীড়ন করছে। আজকে সরকারের হাতে মানুষ গুম খুন হচ্ছে, নারী-শিশুরাও ধর্ষণ হচ্ছে। ধর্ষণ ও হত্যাকারিরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। দেশে কোনো বিচার নেই। এখন ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা ভার্সিটিকে টর্চারসেল বানিয়ে মেধাবী ছাত্রদের হত্যা করছে। লেখাপড়ার পরিবেশ নেই। এখন দুঃশাসন চলছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে থেকে দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় নীল নকশা বাস্তবায়নের জন্যই খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রেখেছে। খুব অসুস্থ্য থাকার পরও খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয়ে জামিন পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্বেও তাকে জামিন দিচ্ছে না।
তিনি বলেন, সরকার আমাদেরকে মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ করতে দেয়না। আমাদেরকে কথা বলতেও দেয়া হচ্ছে না। প্রতিবাদ করলে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দিচ্ছে। দেশে গণতন্ত্র মরবে না। সরকারের পতন হবেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজপথে থেকে সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে। সুস্থ্য অবস্থায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এজন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন সফল করতে সকলকে সংগঠিত হওয়ার আহবান জানান তিনি। স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার চারদিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে। তাই দেশের মানুষ এখন বলে ‘ভোট ছাড়া প্রধানমন্ত্রী হয়, অপরাধ ছাড়া জেল হয়, পেঁয়াজ ছাড়া রান্না হয়, বাংলাদেশে সবই সম্ভব হয়।’ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বর্তমান সরকার মধ্যরাতের সরকার। এজন্যই তারা বিএনপি ও জনগণকে ভয় পায়। তারা দেশের রাজনীতিকে সংকুচিত করে রেখেছে। আজকে দেশে রাজনীতি বলে কিছু নেই। প্রশাসন বলে কিছু নেই। সরকার বলেও কিছু নেই। দেশকে আজ পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। সভায় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেজ আলী মামুন, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকরুদ্দিন আহমদ বাচ্চু, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রোকনুজ্জামান সরকার রুকন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দিদারুল ইসলাম রাজু, শ্রমিকদলের সভাপতি আবু সাঈদ, ছাত্রদলের জেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমান রানাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
‘ভারমুক্ত’ হলেন ছাত্রলীগের জয় ও লেখক
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে কার্যকরী সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে কার্যকরী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন সংগঠনটির সাংগঠনিক অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানে জয় ও লেখককে ভারমুক্ত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বরে ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে দুর্নীতির অভিযোগে সংগঠনের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকে আল নাহিয়ান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য সংগঠনের প্রধান দুটি পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী ও পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত পুণর্মিলনীর অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করবেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী। গতকাল দুপুর ২টায় ছাত্রলীগের আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির সিনিয়র নেতবৃন্দ, দলীয় ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে ছিলো। এর আগে সকাল সাড়ে ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব সাংগঠনিক কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটা হয়।
নাশতা কিংবা রাতের খাবারে চিলি ফুলকপি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ফুলকপি যতদিন পর্যন্ত বাজারে সহজলভ্য থাকে বিভিন্ন ধরনের খাবারে তো বটেই, ফুলকপিতে তৈরি বিভিন্ন খাবার থাকে প্রতিদিনের খাবারের মেন্যুতে। এই ফুলকপিতে তৈরি এক খাবারে একইসাথে বিকালের নাশতা ও রাতের খাবার হয়ে যাবে। দেখে নিন ঝাল স্বাদের চিলি ফুলকপির রেসিপিটি।
চিলি ফুলকপি তৈরিতে যা লাগবে
চিলি ফুলকপি
১. একটি মাঝারি আকৃতির ফুলকপি ছোট করে কাটা।
২. আড়াই কাপ পানি।
৩. এক কাপ ময়দা।
৪. চার টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার।
৫. এক চা চামচ মরিচ গুঁড়া।
৬. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।
৭. এক চা চামচ সয়া সস।
৮. দুই চা চামচ রেড চিলি সস।
৯. এক টেবিল চামচ পিনাট অয়েল।
১০. আধা কাপ স্প্রিং অনিয়ন।
১১. ১/৩ কাপ ক্যাপসিকাম।
১২. এক টেবিল চামচ রসুন কুঁচি।
১২. এক টেবিল চামচ আদা কুঁচি।
১৩. ৩-৪টি কাঁচামরিচ ফালি।
১৪. এক চা চামচ সাদা ভিনেগার।
১৫. এক চা চামচ সয়া সস।
১৬. স্বাদমতো লবণ ও চিনি।
১৭. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।
চিলি ফুলকপি যেভাবে তৈরি করতে হবে
চিলি ফুলকপি
১. বড় একটি পাত্রে পানি নিয়ে এতে অল্প লবণ মিশিয়ে ফুলকপি টুকরা দিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে জ্বাল বন্ধ করে সেভাবেই পাঁচ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর পানি ঝড়িয়ে ফুলকপিগুলো শুকাতে হবে।
২. এবারে ভিন্ন একটি পাত্রে ময়দা ও কর্ন ফ্লাওয়ার নিয়ে এতে স্বাদমতো লবণ, মরিচ গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া, সয়া সস ও রেড চিলি সস মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণে এক কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করতে হবে। ব্যাটার খুব বেশি ঘন বা পাতলা হওয়া যাবে না।
৩. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে সিদ্ধ ফুলকপির টুকরা ব্যাটারে মিশিয়ে প্রতিটি টুকরা সোনালি করে ভেজে তেল ঝড়িয়ে নিতে হবে।
৪. ফুলকপি ভাজার কড়াইয়ের তেলে রসুন কুঁচি, আদা কুঁচি ও কাঁচামরিচ ফালি হালকা করে ভেজে নিতে হবে। এরপর এতে স্প্রিং অনিয়ম ও ক্যাপসিকাম কুঁচি দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ নেড়ে নিতে হবে।
৫. পেঁয়াজ নরম হয়ে আসলে এতে সয়া সস ও রেড চিলি সস দিয়ে নেড়ে আগে থেকে ভেজে রাখা ফুলকপি দিয়ে দিতে হবে।
চিলি ফুলকপি
৬. ভালোভাবে নেড়েচেড়ে ফুলকপিতে অল্প চিনি, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও প্রয়োজনমতো লবণ ছড়িয়ে দিতে হবে। হালকা জ্বালে কিছুক্ষণ নাড়ার পর সবশেষে হোয়াইট ভিনেগার দিতে হবে ফুলকপিতে। চুলার জ্বাল বন্ধ করে নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।
পুরনো ১১টি কূপে আবারও গ্যাস খুঁজবে সরকার
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে পুরনো কূপ পুনর্মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এক্ষেত্রে যেসব জায়গায় কূপ খনন করে কম গ্যাস মিলেছে বা গ্যাস শেষ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, সে জায়গায় আরও গ্যাস রয়েছে কিনা তা অনুসন্ধান করা হবে। গ্যাস পাওয়া গেলে সেখানে নতুন করে কূপ খননের পক্ষে মত দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। এতে গ্যাসের উৎপাদন বাড়বে বলে ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলেও গ্যাসের ক্ষেত্রে এখনও সেই অবস্থা তৈরি হয়নি। চাহিদার তুলনায় গ্যাসের ঘাটতি এখনও আছে। তাই দেশীয় গ্যাসের পাশাপাশি বিদেশ থেকে বেশি দাম দিয়ে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের ১১টি পুরনো কূপ আবার নতুন করে খনন করে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বাপেক্স সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে মোট ৩৪টি কূপ ড্রাই এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। এছাড়া সাসপেন্ডেন্ট (নানা জটিলতায় কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে) আছে আরও ১৮টি কূপ। এরমধ্যে ১১টি কূপ আবার যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। এই ১১টি কূপের মধ্যে আছে কসবা-১, মোবারকপুর-১, শ্রিকাইল-১, রূপগঞ্জ-১, সুন্দলপুর-১, সালদানদী-১, সালদানদী-২, মুলাদি-১, মুলাদি-২, সেমুতাং-১ এবং হালদা-২ । জানতে চাইলে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, আমরা গ্যাসের চাহিদা পূরণ করতে যেমন বাইরে থেকে গ্যাস আমদানি করছি তেমনি দেশের মধ্যে পুরনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর কূপ থেকে এখনও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেগুলো রিভিজিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে এখন এমন কূপ আছে যেখানে গ্যাস আছে কিন্তু প্রযুক্তির সমস্যার কারণে আমরা উত্তোলন করতে পারছি না। কিন্তু উন্নত বিশ্ব এমন সব জায়গা থেকে গ্যাস তুলছে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে বাপেক্স অন্য কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে সেসব জায়গায় কাজ করতে পারে এবং যদি গ্যাস উত্তোলন করতে পারে তাহলে আমরা লাভবান হবো।
জানা যায়, কূপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কূপ আছে মুলাদিতে। ১৯৭৬ সালে মুলাদী-১ কূপটিতে ৪ হাজার ৭৩২ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। একইভাবে ১৯৮১ সালে মুলাদি-২ কূপটি খনন করা হয়। কূপটির ৪ হাজার ৫৫৬ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। একইভাবে ১৯৯৬ সালে সালদানদী-১ কূপে ২ হাজার ৮৩৯ মিটার , ১৯৯৮ সালে হালদা-১ এ ৪ হাজার ৫১৯ মিটার, ১৯৯৯ সালে সালদানদী-২ কূপে ২ হাজার ৪৫৮ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। ২০০৪ সালে শ্রীকাইল-১ কূপটির ৩ হাজার ৫৮৩ মিটার পর্যন্ত, ২০১১ সালে সুন্দলপুর-১ এর ৩ হাজার ৩২৭ মিটার পর্যন্ত, ২০১৪ সালে রূপগঞ্জ-১ এর ৩ হাজার ৬১৫ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে মোবারকপুর-১ কূপটিতে ৪ হাজার ৬২৪ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। একইভাবে ২০১৮ সালে সেমুতাং-১ কূপে ৩ হাজার ২০ মিটার এবং একই বছর কসবা-১ এর কূপটিতে ২ হাজার ৫৫৭ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়। কূপগুলোর অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে বাপেক্সের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কসবার কূপটি খননের পর গ্যাস পাওয়া যায়। তবে সেটি থেকে মাত্র ৩ মিলিয়ন ঘনফুট করে গ্যাস ওঠে, এরপর আর ওঠেনি। ফলে এটি পাইপ লাইন করে গ্রিডে দেওয়া বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে না বলেই সিদ্ধান্ত নেয় বাপেক্স। তবে স্থানীয়ভাবে সরবরাহ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, কূপের ভেতরে যে কাঠামো থেকে গ্যাস তোলা হয় সেখানে সাধারণত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। সেই ছিদ্রের একটা থেকে অন্যটির দূরত্ব বেশি এবং যুক্ত নয়। এই অবস্থাকে টাইট স্যান্ড (অপেক্ষাকৃত শক্ত ভূ-কাঠামো) বলে। উন্নত বিশ্বের অনেক কোম্পানি এমন কাঠামো থেকে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্যাস উত্তোলন করে থাকে। কিন্তু, বাপেক্সের কাছে এই ধরনের কোনও প্রযুক্তি নেই। তাই কূপটি রিভিউ করে অন্য কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে বাপেক্সের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, একইভাবে সুন্দলপুরেরও টাইট স্যান্ড, মোবারকপুরের কূপের মুখে আগুন দিয়ে গ্যাসের চাপ পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রেসার (চাপ) কম থাকায় কূপ থেকে গ্যাস তোলা বন্ধ রাখা হয়। শ্রীকাইলেও টাইট স্যান্ড আবার কূপ খননের সময় পানি উঠে আসায় গ্যাস উত্তোলনে যেতে পারেনি বাপেক্স। রূপগঞ্জে প্রথমদিকে গ্যাস উঠলেও পরে প্রেসার কমে যায়। এখনও সেখানে গ্যাস আছে। টাইট স্যান্ড থাকার কারণে আমরা কাজ করতে পারছি না। সেমুতাংয়ে অনেক কম্পার্টমেন্ট আছে। একটি কম্পার্টমেন্ট থেকে গ্যাস শেষ হয়ে গেছে। অন্য কম্পার্টমেন্টগুলো জটিল। তাই আমরা আর গ্যাস তুলতে পারিনি। বাপেক্সের সেই অভিজ্ঞতা নেই। মুলাদির দুটি কূপ অনেক আগের। প্রথমদিকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আর তোলা যায়নি। এগুলোতে এখন যৌথ ব্যবস্থায় পুনর্খননের পরিকল্পনা করছে বাপেক্স।
এবার ডাবল সেঞ্চুরি করেই ছাড়লেন লাবুশানে
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ক্যারিয়ারটা শুরু হয়েছিল শূন্য দিয়ে। গত বছর দুইবাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে শূন্য, দ্বিতীয় ইনিংসে খেললেন মাত্র ১৩ রানের ইনিংস। পরের টেস্টেও ভালো কিছু করতে পারলেন না। ২৫ ও ৪৩ রানের দুটি ইনিংস খেললেন তিনি। প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন চতুর্থ টেস্টে এসে। ব্রিসবেনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে খেলেছিলেন ৮১ রানের ইনিংস। ব্যাটিংয়ে সেই যে তাগড়া ঘোড়া ছুটিয়ে দিয়েছেন মার্নাস লাবুশানে, সেটা চলছে তো চলছেই। বরং, দিনে দিনে যেন আর গতি বাড়ছে।
তবে, তিন অংকের দেখা পেতে লাবুশানেকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১০ম টেস্ট পর্যন্ত। ঘরের মাঠে, প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া সেই ব্রিসবেনেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। আউট হয়ে যান ১৮৫ রান করে। এরপর কেটে গেছে আরও তিনটি টেস্ট। টানা তিনটি সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই ১৮৫ রানই ছিল সেরা। এরপর বাকি দুই সেঞ্চুরিও ছিল বিগ স্কোরের। একটা ১৬২, অন্যটা ১৪৩ রানের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মেলবোর্নে খেলেছিলেন ৬৩ রানের ইনিংস। সিডনিতে এসে আবারও দেখা পেলেন সেঞ্চুরির। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিন তিনি সেঞ্চুরি করেই থেমে যাননি। ১৩০ রানে ছিলেন অপরাজিত। লাবুশানের কাছে মনে হচ্ছিল যেন, ‘এবার আর থামতে চাই না। যে করেই হোক, নিজের সেরাটাকে ছাড়িয়ে যেতে হবে।’ ব্যক্তিগত প্রতিজ্ঞাই বড় শক্তি। সেই শক্তিতে বলিয়ান হয়েই সিডনি টেস্টের দ্বিতীয়দিন সেঞ্চুরিটাকে ডাবল সেঞ্চুরিতে পরিণত করে ছাড়েন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের নতুন সেনসেশন। ৩৬৩ বল খেলে টস অ্যাসলের হাতে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মার্নাস লাবুশানে। রান করেছেন ২১৫। মাত্র ১৩ টেস্টের ক্যারিয়ারে এখন এটাই তার সেরা। বাউন্ডারি মেরেছেন ১৯টি এবং ছক্কা মেরেছেন ১টি।
গেমের বাজারে এক নম্বরে ফোর্টনাইট
লোকসমাজ ডেস্ক॥ তরুণরা দিন দিন গেমের প্রতি ঝুঁকছে। ২০১৯ সাল ছিল গেম নির্মাতা ও প্রকাশকদের জন্য ছিল দারুণ একটি বছর। আয়ের দিক দিয়ে শীর্ষস্থানে ভিডিও গেম ফোর্টনাইট। গেমটি সদ্য বিদায়ী বছরে আয় করেছে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার।
ফোর্টনাইট ২০১৮ সালের আয়ের দিক থেকে শীর্ষে ছিল। গেমের বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সুপারডাটার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ফোর্টনাইট নির্মাতা এপিক গেমস শুধু এ গেমটি থেকে ২৪০ কোটি মার্কিন ডলার মুনাফা করেছে। তবে ২০১৯ সালে ৬০ কোটি মার্কিন ডলার কম আয় করেছে এর আগের বছরের চেয়ে। বিনা মূল্যের গেম হিসেবে ফোর্টনাইট বাজারের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে।
শুরুটা প্লেয়ার আননোনস ব্যাটল গ্রাউন্ডস দিয়ে হলেও, এ ধরনের গেইমের মধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে ফোর্টনাইট ব্যাটল রয়্যাল। ২০১৮ সালের আগস্টে সেটি অ্যানড্রয়েডের জন্যও প্রকাশ করেছে এটির নির্মাতা এপিক গেমস। শুধু মাল্টিপ্লেয়ার মোডেই খেলা যাচ্ছে ফোর্টনাইট, নেই কোনো কাহিনী বা সিঙ্গেল প্লেয়ার মোড। খেলার লক্ষ্য একটিই, দলবদ্ধভাবে বা একাই একটি ম্যাচের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে।
একসঙ্গে ১০০ জন পর্যন্ত গেমার একটি ম্যাচে অংশ নিতে পারেন। ম্যাচ শুরুর আগে সবাইকে একটি দ্বীপে একত্রিত করা হবে, যেটাকে গেমের লবি বলা যেতে পারে। ম্যাচ শুরু হয়ে গেলে ফোর্টনাইটের মূল দ্বীপে সবাইকে উড়ন্ত বাসে করে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর গেমাররা মন মতো জায়গার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় লাফ দিয়ে সঙ্গে থাকা গ্লাইডারে ভেসে অবতরণ করতে পারবেন। গেমের শুরুতে কোনো অস্ত্র দেয়া হবে না, দ্বীপে থাকা বাড়িঘর বা অন্যান্য স্থান থেকে অস্ত্রশস্ত্র বা বর্ম যোগার করতে হবে। সেগুলো ব্যবহার করে গেমারদের একে অপরকে দমন করে টিকে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
ফোর্টনাইট গেম নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনা হয়েছে। এমনকি কয়েকটি দেশে প্রথম দিকে গেমটি নিষিদ্ধের কথাও ওঠে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে অল্প সময়েই এটি জনপ্রিয় হয়। ২০১৮ সালেই গেমটির অ্যানড্রয়েড সংস্করণ বাজারে ছাড়া হয়। এরপর অল্প সময়েই এর জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে যায় সবকিছু। আর দুবছর ধরে আয়েও সবার উপরে গেমটি।
এস ১ প্রো আনল ভিভো
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ভিভো এস ১ প্রো উদ্বোধন করেন তাহসান। ছবি: ভিভোর সৌজন্যেভিভো এস ১ প্রো উদ্বোধন করেন তাহসান। ছবি: ভিভোর সৌজন্যেদেশের বাজারে পাঁচ ক্যামেরার নতুন ফোন এস ১ প্রো এনেছে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিভো। ফোনটির দাম ২৬ হাজার ৯৯০ টাকা। ভিভোর এস সিরিজের তৃতীয় ফোন এস ১ প্রোতে রয়েছে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি।
এর পেছনে ক্যামেরা চারটি আর সামনে একটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন পেছনের ক্যামেরাগুলো যথাক্রমে ৪৮, ৮, ২ ও ২ মেগাপিক্সেলের এবং সেলফি ক্যামেরাটি ৩২ মেগাপিক্সেলের।
ভিভোর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপার অ্যামোলেড টাচস্ক্রিন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ৬ দশমিক ৩৮ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটির সুপার ম্যাক্রো প্রযুক্তিতে অনেক ছোট বস্তু ক্যামেরায় ধারণ করা যাবে। এ ছাড়া ওয়াইড অ্যাঙ্গেল দিয়ে অনেক বেশি জায়গা ধারণ করা যাবে।
এস ১ প্রো ফোনটিতে সুপার নাইট সেলফি মোড এবং ভিডিওর জন্যে সুপার ইআইএস প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। আট জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি রমের ফোনটির ব্যাটারি চার হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। এতে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।









