লোকসমাজ ডেস্ক ॥ মটোরোলা ঘোষণা দিয়েছে যে তারা তাদের নতুন রেজর সিরিজ আরো কিছুদিন পর বাজারে ছাড়বে। ভার্টিকাল ফোল্ডিং স্ক্রিনসহ এই ফোনটি মটোরোলা’র ২০০৫ সালের জনপ্রিয় ফোন মটোরেজর’এর আধুনিক ভার্সন। প্রায় ১৫০০ ডলার দামের এই ডিভাইসটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সরবরাহ করা শুরু করার কথা ছিল ২৬ ডিসেম্বর। দেরি হওয়ার জন্য মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লেনোভো রেজর’এর জনপ্রিয়তাকে দায়ী করছে। তারা বলছে ফোনের চাহিদার পরিমাণ এর যোগানের চেয়ে অনেক বেশি।
তবে এই ফোল্ডিং ফোনেও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। এখনো ফোন বাজারজাত করার নতুন তারিখ না জানালেও মটোরোলা জানিয়েছে যে ফোন বাজারে ছাড়তে খুব বেশি দেরি হবে না।
বিবিসি’র ক্রিস ফক্স যখন ফোনটির পরীক্ষানাধীন মডেল ব্যবহার করেন, তখন এর হার্ডওয়্যারে কিছু সমস্যা খুঁজে পান। এটি প্রাথমিক ডিভাইস হিসেবে নয়, বরং ফ্যাশনেবল পণ্য হিসেবে মানুষ ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করবে। দাম হিসেবে ১৫০০ ডলার একটু বেশি মনে হলেও ফোল্ডিং সেটগুলোর মধ্যে এর প্রতিদ্বন্দ্বী ফোনগুলোর – স্যামসাং ফোল্ড (১৯৬০ ডলার) ও হুয়াওয়ে মেইট এক্স (২৬০০ ডলার) – চেয়ে এর দাম কমই। এপ্রিলে স্যামসাং-ও তাদের ফোল্ড সেটের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণের তারিখ স্থগিত করে, যখন পরীক্ষামূলক ব্যবহারকারীরা জানায় যে ফোনের স্ক্রিন ভেঙে গেছে।
স্যামসাংয়ে সমস্যা দেখা যাওয়ার পর হুয়াওয়েও জানায় যে তাদের আরো পরীক্ষা করতে হবে এবং তাদের মেইট এক্স’এর বাজারে ছাড়ার তারিখ পেছায় তারা। দেরিতে হলেও দু’টি ডিভাইসই শেষ পর্যন্ত বাজারে ছাড়া হয় – ফোল্ড আসে সেপ্টেম্বরে এবং মেইট এক্স নভেম্বরে। এবছরের শুরুতে ধারণা করা হয় যে, স্মার্টফোনের বাজারের মন্দার ভাব কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে নতুন এই ফোল্ডিং সেটগুলো। তবে ফোল্ডিং স্মার্টফোন প্রথম বাজারে আনার কৃতিত্ব কিন্তু কোনো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের নয়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়ার রয়্যাল কর্পোরেশন ফ্লেক্সপাই নামের একটি ফোল্ডিং সেট প্রকাশ করে বেইজিংয়ে। তবে ঐ সেটটি সেভাবে বাজারজাত করা হয়নি এবং এর রিভিউও খুব একটা ভাল ছিল না।
এবছরের জানুয়ারিতে শাওমি’র প্রেসিডেন্ট বিন লিনও একটি ফোল্ডিং ফোনের পরীক্ষামূলক ভার্সন প্রদর্শন করেন, কিন্তু চীনা প্রতিষ্ঠানটি এখনো ব্যবহারকারীদের জন্য পণ্যটি চূড়ান্ত করতে পারেনি। তবে আগামী দশকে স্মার্ট ডিভাইসের বাজারে ফোল্ডিং প্রযুক্তি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা পোষণ করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তি বিশ্লেষক বেন উড বলেন, শুধু স্মার্টফোনই নয়, আগামী এক দশকে নিত্য ব্যবহার্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যেই বিপ্লব ঘটাবে ফোল্ডিং স্ক্রিনের এই প্রযুক্তি। কিছুদিনের মধ্যেই সব ধরণের পণ্যে স্ক্রিন লাগানো দেখতে পাবো। আর এ ধরণের প্রযুক্তির বেশি দাম থাকার বিষয়টি নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের জন্যও একটি সুখবর রয়েছে। কলম্বিয়ার মাদক সম্রাট পাবলো এসকোবারের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান ‘এসকোবার ইনকর্পোরেটেড’ ঘোষণা দেয় যে ফোল্ডিং সেট দিয়ে তারা স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে এবং তাদের প্রথম পণ্যের দাম হবে ৩৪৯ ডলার।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
ফোল্ডিং স্মার্টফোন কি ব্যবসাসফল হবে?
আইফোনে হ্যাকিং আগ্রহ ১৬৭ গুণ বেশি!
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ অন্যান্য স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের চেয়ে আইফোন ব্যবহারকারীরা ১৬৭ গুণ বেশি হ্যাকিং লক্ষ্যে রয়েছেন বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। তৃতীয় পক্ষের অ্যাপের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে হ্যাকিংয়ের ঘটনা বাড়তে থাকায় শঙ্কা বেড়েছে আইফোনের নিরাপত্তা নিয়েও। খবর আইএএনএস’র। নতুন এই গবেষণাটি চালিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফোন কেইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কেইস২৪ ডটকমের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন অ্যাপ এবং স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে কীভাবে হ্যাকিং করা যায় তা নিয়ে যুক্তরাজ্যের গ্রাহকরা এক মাসে কী পরিমাণ গুগল সার্চ করছেন তার ডেটা বিশ্লেষণ করে ফলাফল জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে আইফোনের হ্যাকিং নিয়ে সার্চ হয়েছে ১০ হাজার ৪০ বার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্যামসাং নিয়ে সার্চ করা হয়েছে ৭০০ বার। প্রতিবেদনে বলা হয়, “এলজি, নোকিয়া এবং সনির ফোনগুলোতে সবচেয়ে কম আগ্রহ হ্যাকারদের। প্রতিটি ব্র্যান্ড নিয়ে মাসে সার্চ পড়েছে ১০০ বারের কম।”
এক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ঝুকিতে রয়েছে সনি। প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোন হ্যাকিং নিয়ে সার্চ হয়েছে সাকুল্যে ৫০ বার। অন্য আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো ব্যক্তির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট কীভাবে অনুপ্রবেশ করা যায় তা নিয়ে ব্রিটিশ নাগরিকরা অনুসন্ধান চালিয়েছেন ১২ হাজার ৩১০ বার। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্ন্যাপচ্যাট এবং তৃতীয় হোয়াটসঅ্যাপ। যে অ্যাপগুলোতে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি সবচেয়ে কম পাওয়া গেছে সেগুলো হলো ফেইসবুক (১১২০), অ্যামাজন (১০৭০) এবং নেটফ্লিক্স (৭৫০)। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, “আপনার নেটফ্লিক্স অ্যাকাউন্টের চেয়ে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ে আগ্রহ ১৬ গুণ বেশি।”
স্মার্টফোন শরীরের স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয় !
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ স্মার্টফোন আসক্তি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী একটি বড় সমস্যা। সব সময় সঙ্গে মোবাইল রাখা কিন্তু মোটেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। কী নোটিফিকেশন এল, স্ট্যাটাস আপডেট করার পরেও এখনো কেন নোটিফিকেশন এল না, এই চিন্তা আমাদের পিছু ছাড়ছে না। মোবাইলফোন নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাটি আমাদের স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়। এই স্ট্রেস হরমোনের কারণে ওজনও বেড়ে যায়! স্মার্টফোনের যেমন নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। তেমনি অতিমাত্রায় স্মার্টফোনের উপর নির্ভরতা আপনাকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে। সম্প্রতি স্মার্টফোনের উপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। এতে তারা হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সৃজনশীলতাকে হ্রাস করছে।
গবেষকরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে থাকে, তাহলে অন্যান্য কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, ফলে সেসব কাজে দক্ষতা কমে। দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না।
রাগ মোটেও ভাল নয়, জানুন রাগ কমানোর ১০ উপায়
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ রাগ মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। তবে তার প্রকাশ অনেক সময়েই অস্বাভাবিক হয়ে যায়। অনেকের আবার অল্পেই রাগ হয়। কথায় কথায় রেগে যান। একেবারেই রাগ নেই, এমন মানুষ পাওয়াই যাবে না। তবে অনেকেরই বহি:প্রকাশ কম থাকে। আর অতিরিক্ত রাগ মোটেও ভাল নয়। এর ফলে নিজের কিংবা অন্যের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা রাগ কমানোর নানা উপায় বলেন। এর মধ্যে ১০টি উপায় যে কেউই আয়ত্ত করতে পারেন। দেখে নেওয়া যাক কী কী বলেন বিশেষজ্ঞরা।
১। মনকে যতটা সম্ভব শান্ত রাখার চেষ্টা করুন, এক থেকে দশ পর্যন্ত উল্টো করে গুনতে পারেন, তাহলে মস্তিষ্ককে কিছুটা অন্যদিকে ব্যস্ত রাখা যাবে। এটা রাগ কমাতে সাহায্যে করে।
২। হঠাৎ করে রাগের মাথায় কোনও কথা বা কাজ করে বসবেন না, সময় নিন, প্রয়োজন হলে সেই মানুষটার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বন্ধ রাখুন অথবা রাগের কারণটি থেকে নিজের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন।
৩। আপনি যখন শান্ত হয়ে যাবেন, আপনার রাগের কারণগুলো তার সামনে তুলে ধরুন, ততক্ষণে অপরজনের মাথাও ঠাণ্ডা হয়ে যাবে, সে ভালভাবে আপনার কথা বুঝতে পারবে।
৪। নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে পারেন। এতেও রাগের প্রবণতা কমে। ক্ষণিকের রাগ কমাতে কিছুটা পথ হাঁটতে পারেন।
৫। আপনি যখন রেগে আছেন স্বাভাবিকভাবেই আপনার মধ্যে নমনীয়তা কাজ করবে না, আর তাই হঠাৎ করে এমন কিছু কথা বলে ফেলতে পারেন যা অন্যের কষ্টের কারণ হতে পারে, তাই রেগে থাকার সময়ে কোনও কথা না বলাই শ্রেয়।
৬। যে কোনও সমস্যারই সমাধান আছে, একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই সেটা বের করা যায়। সেটাই চেষ্টা করুন।
৭। নিজেকে নিয়ে বেশি হিসাব করতে গেলে রাগ আরও বাড়বে, তাই তাৎক্ষণিক ব্যাপারটা মেনে নিলে সমস্যা অনেকটা কমে যায়।
৮। রাগ কমাতে অনেকে ধূমপান করেন। অন্য নেশাও করেন। কিন্তু সেটা কোনও পথ নয়। তাতে মনটা আরও বিক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।
৯। রাগ বা টেনশন কমানোর জন্য খানিকটা হাসি ঠাট্টা করা যেতে পারে, তাতে মনটা হালকা হয়ে যায়।
১০। সব থেকে ভাল উপায় হল নিয়মিত মেডিটেশন। এতে শরীরের অন্য উপকারের সঙ্গে সঙ্গে রাগ নিয়ন্ত্রণও হয়।
বিবাদে না জড়িয়ে যেভাবে দ্বিমত প্রকাশ করবেন
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ মানুষকে অপমান করার ওপর লাগাম টানুন এবং কীভাবে বিবাদমান না হয়েই দ্বিমত পোষণ করবেন সে সম্পর্কে কিছু টিপস জেনে নিন।
১. আপনার একমত হতে হবে না
আমরা সব বিষয়ে একমত হই না এবং যদি সব সময় ওই বিষয়ে আমাদের দ্বিমত থাকে, সেটাও পুরোপুরি ঠিক আছে। আমরা যদি চিন্তা-ভাবনার স্বাধীনতাকে ভালবাসি তাহলে আমাদের এমন মানুষদের দরকার যারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।
২. মাঝামাঝি কোন মতে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখবেন না
কোন ঝগড়াঝাঁটি ছাড়া দ্বিমত পোষণ করার জন্য যে সমঝোতাই করতে হবে, বিষয়টা এমন নয়। কখনও মাঝামাঝি কোন মতে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখবেন না- যখন আপনি কোন বিষয়ে মৌলিকভাবে একমত হতে পারছেন না তখন মতপার্থক্যকে আলাদা করা কোন সমাধান নয়। বরং, একটি সাধারণ অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয় – তাই পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও অভিজ্ঞতা, আবেগ বা প্রত্যাশা ভাগ করে নেওয়াই ভাল।
৩. আপনি কি বলছেন, তার চেয়ে জরুরি আপনি কীভাবে বলছেন:
আপনি কোন বিষয় নিয়ে কথা বলছেন তার চাইতে অনেক বেশি জরুরি আপনি সেই বিষয়টি নিয়ে কীভাবে কথা বলছেন। যদি আমরা এমনভাবে কথা বলি যার মাধ্যমে একজন আরেকজনকে সবসময় বাদ দিয়ে দিচ্ছি, ছোট করে ফেলছি তাহলে কথা বলার এই বিষয়গুলো অপ্রাসঙ্গিক।
৪. সত্য কথা বলুন
ঘনিষ্ঠতা অর্জনের জন্য, অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করুন। যার সাথে আপনার মতের মিল নেই তার সাথেও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকুন। সম্পূর্ণ সৎ থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ। সৎ ও খোলামেলা কথোপকথন কখনও কখনও অনেক নির্মম ও অস্বস্তিকর হলেও এটা করতে হবে, অন্যথায়, আপনি কেবল একটা জায়গায় আটকে থাকবেন। সত্য কথা বলুন। সভ্যতা, সৌজন্যতা বা শিষ্টাচার ভাল, তবে প্রচণ্ড সততা এর চাইতে শক্তিশালী ভিত্তি।
৫. মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং সহানুভূতিশীল হওয়ার চেষ্টা করুন
সৎ কথোপকথন মানে সত্য কথা বলা এবং অপরজন কি বলছে সেটা আন্তরিকভাবে শোনা। আমাদের কৌতূহলী হতে হবে, খোলামেলা হতে হবে এবং সহানুভূতিশীল হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আপনি আপনার প্রতিপক্ষের জুতোয় নিজেকে দাঁড় করাতে পারেন এবং তার মতো করে বিষয়গুলো দেখতে পারেন।
৬. বাকবিতণ্ডা কমিয়ে দিন এবং অপমানে লাগাম টানুন
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো মানুষকে তাৎক্ষণিক অপমান করা খুব সহজ করে দিয়েছে। এই হিংসাত্মক ভাষাগুলো বাস্তব দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। ঘৃণা দেখানোর ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি তার প্রতিপক্ষের ধারণার চাইতে তার পরিচয়ের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়, এটি দ্বিমত পোষণ করার সবচেয়ে ক্ষতিকর উপায়। এটি কেবল অপ্রীতিকরই নয়, এটি গভীরভাবে অকার্যকরও বটে। বাকবিতণ্ডায় জড়ানো কমিয়ে ফেলতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং রাজনীতিবিদদের টিটকারির মুখে পড়ে আমরা এমন মানুষ হয়ে উঠছি যা আমরা হতে চাই না। এমন হওয়া বন্ধ করুন। এসবের বিরুদ্ধে দাঁড়ান।
৭. সত্য এবং মতামতের মধ্যে পার্থক্য বুঝুন
আমাদের মতামত হল যার যার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি যা প্রমাণের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হয় – এই মতামত কেবল আমাদের বিরোধীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তাক করা নয়।
কোথাও মতামত দেয়ার আগে সব সময় বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শের সন্ধান করুন।
৮. যান, ঝামেলা খুঁজে বের করুন
যেকোন ক্ষেত্রে পারদর্শী হতে, মতবিরোধের সন্ধান করুন। আপনি যদি দ্বিমত প্রকাশের ক্ষেত্রে পটু না হন, তাহলে হয়তো আপনার বন্ধুচক্র এতোটা বিস্তৃত এবং বৈচিত্রময় নয়। যান, কাউকে খুঁজে বের করুন। তার কথা সমবেদনা সহকারে শুনুন, আপনার দৃষ্টিভঙ্গি তার সঙ্গে শেয়ার করুন এবং ভালবাসা প্রকাশ করুন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
জেনে নিন চুলে তেল দেয়ার সঠিক নিয়ম
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ শরীরের মতো চুলেরও পুষ্টির প্রয়োজন আছে। সঠিক পুষ্টি ও পরিচর্যা না পেলে চুল লম্বা, শক্ত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হবে না। আর এ জন্য নিয়ম করে চুলে তেল দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই তেলকে কার্যকরী করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নিয়মে তেল লাগানো। হ্যাঁ, তেল দেয়ারও কিছু নিয়ম আছে। তেলের সম্পূর্ণ পুষ্টি পেতে জেনে নেই সেই ধাপগুলো।
১। চুলে তেল দেয়ার আগে তেল কিছুটা গরম করে নিন। কুসুম গরম তেল মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। এটি মাথার তালুতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
২। সাধারণ নারকেল তেলের সাথে কয়েকটি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। নতুন চুল গজানোর জন্য ক্যাস্টর অয়েল, রিল্যাক্সের জন্য ল্যাভেন্ডার অয়েল মেশাতে পারেন।
৩। তেলটি হালকা হাতে চুলে ম্যাসাজ করুন। খুব বেশি জোড়ে তেল মাথায় ম্যাসাজ করবেন না এতে চুল আরও বেশি জট বেঁধে যাবে আর চুল ছিঁড়ে যাবে।
৪। তেল দেয়ার পর ভালোভাবে চুল আঁচড়ে বেঁধে নিন। তবে খুব বেশি টাইট করে চুল বাঁধবেন না। এতে আগা ফেটে যায়। কিছুটা ঢিলে করে বেনী করে নিন।
৫। সাধারণত সবাই চুল তেল দেওয়ার পর আঁচড়ে থাকেন। কিন্তু তেল দেয়ার আগে চুল আঁচড়ানো ভালো। তাই তেল দেয়ার আগে চুল আঁচড়ে নিন।
৬। তেল দেয়ার পর কমপক্ষে এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। সবচেয়ে ভালো হয় তেল সারারাত মাথায় রাখুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন।
সূত্র: বোল্ডস্কাই
২৫ বছরের যুবকের সঙ্গে প্রেম করছেন ৬১ বছরের ম্যাডোনা!
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ হলিউডের জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনার সঙ্গে এবার জড়াল বছর ২৫ বছরের উইলিয়ামসের নাম। জানা গেছে, ৬১ বছরের মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনা নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন বছর ২৫ বছরের আহমালিক ইউলিয়ামসের সঙ্গে। ডেইলি মেলের খবর অনুযায়ী, ইউলিয়ামসের বাবা ড্রিউকে ইতিমধ্যেই ম্যাডোনা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলের প্রতি ভালবাসার কথা। সিনিয়র ইউলিয়ামস এবং তাঁর স্ত্রীকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে, তাদের ছেলের প্রতি ভালবাসার কথা জানিয়েছেন ম্যাডোনা।
ড্রিউ জানিয়েছেন, ম্যাডোনা তাঁর চেয়ে যেমন বয়সে বড়, তেমনি তাঁর স্ত্রীও বয়সে ছোট ম্যাডোনার চেয়ে। যদিও সিনিয়র ইউলিয়ামস এবং তার স্ত্রীর কোনও আপত্তি নেই এই সম্পর্কে। তাঁর ছেলের চেয়ে ম্যাডোনা ৩৬ বছরের বড় হলেও, মার্কিন পপ তারকার সঙ্গে তাঁর ছেলের সম্পর্কে উইলিয়ামসরা বেশ খুশি বলেই জানিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, ২০২০ সালে লন্ডন এবং ফ্রান্সে মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনার যে শো রয়েছে সেখানেও তাঁর ভালবাসার মানুষের বাবা, মাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ম্যাডোনা।
সাইফ তুমি বিশ্বাসঘাতক, আগেও ঠকিয়েছ : কাজল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বলিউডে নতুন বছরের শুরুতেই মুক্তি পেতে চলেছে ‘তানাজি’। শেষ সময়ে উঠেপড়ে ছবির প্রমোশনে ব্যস্ত অজয় দেবগণ ও কাজল। তবে প্রচারে কোথাও দেখা যাচ্ছে না সাইফ আলী খানকে। আর এতেই চটে গেলেন অজয়ের স্ত্রী, বললেন- সাইফ তুমি বিশ্বাসঘাতক, আগেও ঠকিয়েছ! সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, এর আগেও তুমি এমনটা করেছ। আর, আজ ঠিক সেই কাজই করলে। বিশ্বাসঘাতক! হঠাৎ কী হল কাজল এবং সাইফের মধ্যে? পুরো বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই খোলাসা করেছেন। আসলে ১০ জানুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে ‘তানাজি’। ওই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কাজ করেছেন অজয়, কাজল এবং সাইফ। কিন্তু মাঝপথেই ছবির প্রচার ছেড়ে সুইজারল্যান্ডে রওনা দেন সাইফ। আর এতেই বিরক্ত কাজল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘তুমি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে। যেমনটা করেছিলে ‘ওমকারা’ ছবির সময়ে। আশা করব, সুইজারল্যান্ডে বসে তুমি এই খবরটি পড়বে।’ তবে প্রমোশনকে পেছনে ফেলে নবাব বেগমকে নিয়ে ছুটি কাটাতে ব্যস্ত আছেন। আপাতত বরফের দেশে আনন্দ করছেন সাইফ-করিনা সঙ্গে রয়েছে তৈমুরও। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।
এবার সম্পর্কে জড়াল আরবাজ-মালাইকার ছেলে আরহান
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ মডেল অভিনেত্রী ওয়ালুসা ডিসুজার মেয়ের সঙ্গে ডেট করছে আরবাজ খান ও মালাইকা অরোরার ছেলে আরহান খান? সম্প্রতি এমন খবরই শোনা যাচ্ছে। বলিউড শাদির খবর অনুয়ায়ী, আরহান নাকি বর্তমানে ওয়ালুসা ডিসুজা এবং মার্ক রবিনসনের মেয়ে চ্যানেল রবিনসনের সঙ্গে ডেট করছে। আরহানের জন্মদিনের পার্টিতেও নাকি হাজির হয় চ্যানেল। শুধু তাই নয়, মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁয় মাঝে মধ্যেই বান্ধবীর সঙ্গে দেখা যায় আরহান খানকে। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি আরবাজ খান বা মালাইকা অরোরার কেউই। বি টাউনের খবর, আরহানের জন্মদিনের পার্টিতে অর্জুন এবং মালাইকার হাজিরাতেই নাকি বান্ধবীকে নিয়ে হাজির হন আরহান।
সম্প্রতি আরহানের ১৭ বছরের জন্মদিন পালন করেন মালাইকা অরোরা। যেখানে আরহানের ছোটবেলার ছবি শেয়ার করেন বলিউডের ছাইয়া ছাইয়া গার্ল। অন্যদিকে, আরবাজ খান সম্প্রতি আরহানের দায়িত্ব নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, ১৮ বছরে পড়লে আরহান নিজেই ঠিক করবে, বাবা না মায়ের সঙ্গে থাকবে। অর্থাৎ মালাইকার সঙ্গে বিচ্ছেদের সময় আরহানের বয়স কম থাকায়, তাকে মায়ের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ১৮ বছরে পড়লে আরহান কার কাছে থাকবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তার উপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেন সালমান খানের ভাই আরবাজ খান।
আশা পূরণ হল না ক্যাটরিনার
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সিনেমার কাজের দিক থেকে এই অভিনেত্রীর ২০১৯ সাল ভালোই কেটেছে। এ বছর মুক্তি পাওয়া তার ভারত সিনেমাটি বক্স অফিস হিট। পাশাপাশি একটি সিনেমার শুটিং করছেন তিনি। বছরের শুরুতে ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ক্যাটরিনা। সেখানে তিনটি ইচ্ছার কথা বলেছিলেন তিনি, যেগুলো এই বছর পূরণ করতে চান। ২০১৯ সালে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, নিজের একটি প্রোডাকশন হাউস ও একজন বয়ফ্রেন্ড চেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু তার আশাগুলো অপূর্ণই থেকে গেছে। এর মধ্যে জিরো সিনেমার জন্য ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পেলেও সেরার পুরস্কার পাননি। অন্যদিকে নিজের প্রোডাকশন হাউস খোলার পরিকল্পনা করলেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেননি। তবে নিজের কসমেটিকস ব্র্যান্ড চালু করেছেন ক্যাটরিনা। এছাড়া তার বয়ফ্রেন্ড বানানোর ইচ্ছাও অপূর্ণই রয়ে গেছে। যদিও বছরের শেষ দিকে এসে অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে টাইগার জিন্দা হ্যায় সিনেমাখ্যাত এই অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন বেশ জোরে-সোরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি ক্যাটরিনা। এর আগে রণবীর কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন ক্যাটরিনা। তবে কয়েক বছর হলো তাদের ব্রেকআপ হয়েছে। সালমান খানের সঙ্গেও এই অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও তা গুঞ্জন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বর্তমানে সূর্যবংশী সিনেমার শুটিং করছেন ক্যাটরিনা। এতে অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। ২০২০ সালে এই সিনেমা মুক্তির কথা রয়েছে।










