প্রফেসর ড. এম এ মান্নান
আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বহুল-উচ্চারিত একটি শব্দ ‘উন্নয়ন’। অর্থনীতি শাস্ত্রে জিডিপি বা জিএনপি দিয়ে উন্নয়নকে পরিমাপ করা হয়। কিন্তু এই উন্নয়নের চূড়ান্ত ফলকে আমরা কিভাবে বিচার করছি সেটি একটি প্রশ্ন। আমরা যখন ‘ন্যাশনাল ইনকাম একাউন্টিং’ করি তখন এমন অনেক কিছু বাদ দেয়া হয়; যেগুলো হিসাবের খাতায় যোগ হলে আমাদের মতো দেশগুলোর প্রকৃত আয় অনেক বেড়ে যেত। সমাজের সব অর্থনৈতিক কমকাণ্ড আমাদের মাথাপিছু আয়ের হিসাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের উন্নয়নকে কি আমরা ‘মাথাপিছু সামাজিক শান্তি’ (per capita social peace) দিয়ে বিচার করতে পারি না? সামাজিক শান্তিই তো উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। আর বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রাষ্ট্রীয় অর্থ তথা গরিব করদাতাদের যে টাকা নিয়ে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করে সেটা আসলে একধরনের সামাজিক ঋণ। ওই শিক্ষার্থী তার কর্মজীবনে প্রবেশের পর কিভাবে এই ঋণ পরিশোধ করবে সেটি যেমন একটি বিকল্প চিন্তাধারা হতে পারে, তেমনি পারে সমাজে শান্তির প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করতে।
পশ্চিমা বিশ্বে এখন আর কোনো কল্যাণ রাষ্ট্র নেই। ইংল্যান্ডে একসময় কিছুটা ছিল। তখন শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি দেয়া হতো। কিন্তু মার্গারেট থেচার এসে সেগুলো বন্ধ করে দেন। ফলে শিক্ষাও এখন সেখানে বাজারের পণ্য। তুমি যদি মূল্য পরিশোধ করতে পারো তাহলে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। আমেরিকার ক্ষেত্রে এ কথা সত্য। পশ্চিমা সমাজে এ ধরনের খাতে খেটে খাওয়া মানুষের অবদান কম। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিক্ষা খাতে বিপুল পরিমাণে ভর্তুকি দেয়া হয়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা খাতে। ভর্তুকির এই টাকা আসে খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে। আমাদের কর কাঠামোটিই এমন। সরকার একজন কারখানা মালিকের কাছ থেকে যে কর আদায় করছে তা ওই মালিক কৌশলে ক্রেতার ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে। আর পণ্য ব্যবহারকারী হলো গরিব। এভাবে উপাদনগত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ৮০-৯০ ভাগ কর গরিবের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। তাই আমি মনে করি যারা এসব গরিবের পয়সায় উচ্চশিক্ষা নিতে পেরেছে তাদের উচিত হবে এসব গরিবের ঋণ শোধ করা। এ জন্য তাদের অনুপ্রাণিত করতে হবে। অথবা এমন কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ম্যাকানিজম থাকা উচিত, যার মাধ্যমে তারা ওই ঋণ পরিশোধ করতে পারে। একে আমি সামাজিক ঋণ বলি, যা একজন নাগরিকের নিজস্ব দায়িত্ব বোধ থেকে পরিশোধ করা উচিত।
উন্নয়নের ধারণায় সম্প্রতি যে বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে তা হলো উন্নয়নের চূড়ান্ত ফলটি কী হওয়া উচিত। উন্নয়ন মানে কি শুধু দৃশ্যমান বস্তুগত উন্নয়ন নাকি মানসিক প্রশান্তি অর্জন। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে চায়। যে উন্নয়ন বিষণœœতা তৈরি করে, ঘুম নষ্ট করে, নারী নির্যাতন বৃদ্ধি করে, নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে, সড়কে বের হলে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা থাকে না, অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করে, হানাহানির জন্ম দেয় সেটি আসলেই উন্নয়ন কি না সেই প্রশ্ন উঠেছে। আমি মনে করি, আমাদের উচিত হবে মাথাপিছু সামাজিক শান্তি কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে তার ভিত্তিতে উন্নয়নকে বিবেচনা করা। বিষয়টি নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে। এই মাথাপিছু সামাজিক শান্তি কিন্তু গণনাযোগ্য একটি বিষয়। দু’টি গ্রুপের মধ্যে পরীক্ষাকালে এর একটি হয় নিয়ন্ত্রিত গ্রুপ আর অন্যটি হয় উন্মুক্ত গ্রুপ। নিয়ন্ত্রিত গ্রুপের উপর ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, অন্যটির উপর হয় না। এর মাধ্যমে ওষুধটির সুফল-কুফল পরীক্ষা করা হয়। একই পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সামাজিক শান্তি কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে তা-ও সহজে পরীক্ষা করা সম্ভব। যেমন দেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। আমরা দেখতে পারি সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ জেলা কোনটি। যেখানে হানাহানি কম, পারিবারিক সম্পর্ক ভালো, প্রতিবেশীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বেশি, আদালতে মামলার সংখ্যা কম, ইত্যাদি দিয়ে সহজেই একটি জেলার শান্তিপূর্ণ অবস্থার মূল্যায়ন করা হবে। মাথাপিছু আয় দিয়ে আর্থিক সামর্থ্যরে একটি হিসাব আমরা করছি। আমরা এভাবে মাথাপিছু সামাজিক শান্তির বিষয়টিও পরিমাপ করতে পারি। এই সামাজিক শান্তি পরিমাপের ব্যবস্থা হলো উন্নয়নের বিকল্প চিন্তাধারা।
এটি দিয়ে আমরা দৃশ্যমান উন্নয়নের চূড়ান্ত ফলটি দেখতে চাচ্ছি। আমরা যেসব কাজ করছি তা সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে সেটি দিয়েও উন্নয়নকে বিচার করতে হবে। শুধু গগনচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করলেই হবে না। মানুষ যেন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। এমন উন্নয়ন করা হলো, যে কারণে শব্দদূষণ ঘটে মানুষের ঘুম কেড়ে নিল। এমন সড়ক, মেট্রোরেল, পাতাল রেল তৈরি করা হলো যে কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেল। মানুষ বিশুদ্ধ বাতাসের অভাবে রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। ঢাকা এরই মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। তাহলে আমরা কিভাবে উন্নত হচ্ছি? যে উন্নয়নে জীবনের নিরাপত্তা নেই, ঘর থেকে বের হওয়ার পর নিরাপদে চলার নিশ্চয়তা থাকবে না সেটা উন্নয়ন হতে পারে না। তাই আমি আমাদের নীতি প্রণেতাদের অনুরোধ করব একটি সামাজিক শান্তি সূচক তৈরি করতে। উন্নয়নের চূড়ান্ত লক্ষ্যটি হবে আমাদের বিচার্য বিষয়। যে উন্নয়ন বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয় সেটি উন্নয়ন নয়। আমাদের দৈন্য এখানেই। আমাদের দৈন্য সম্পদের নয়, ধ্যানধারণার। এই অবস্থা তৈরি হয়েছে কারণ আমরা পশ্চিমাদের উচ্ছিষ্ট ধ্যানধারণাগুলো গ্রহণ করছি। এটা প্রায় প্রতিটি স্বল্পোন্নত দেশের একটি দুঃখজনক প্রবণতা ও ধরন। আমরা তাদের কাছ থেকে এসব ধ্যানধারণা গ্রহণ করছি, যারা এখন সেগুলো বাতিল করে দিচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলো এক হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন করেছে, অভিন্ন মুদ্রা ইউরো চালু করেছে। যদিও এটা নিয়ে সমস্যা চলছে; কিন্তু তারা বুঝতে পেরেছে জাতিরাষ্ট্র ধারণা দিয়ে আগামীতে চলা যাবে না।
সেটি নিশ্চিত হওয়ার পরেই তা থেকে বেরিয়ে আসতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। ঠিক তখনই আমরা জাতিরাষ্ট্র ধারণাকে আরো আঁকড়ে ধরতে হানাহানি করছি। তাই আমি বলছি, একবিংশ শতকে ওই উচ্ছিষ্ট ধ্যানধারণা দিয়ে কোনো অনুন্নত দেশের পক্ষে কথিত উন্নত দেশ হওয়া সম্ভব নয়। এসব দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর উচিত হবে তাদের নিজের সমাজ, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও চেতনার আলোকে একটি নিজস্ব উন্নয়নের মডেল তৈরি করা। তার ওপরেই উন্নয়নের বুনিয়াদটি তৈরি করতে হবে। আমরা যদি সেই বুনিয়াদটি তৈরি করতে পারতাম তাহলে অনেক শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের পথে অগ্রসর হতে পারতাম। সেটি না থাকায় উন্নয়নের পথে অগ্রসর হওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী ভারতে আজকের পরিস্থিতি ঠিক সেই কারণেই। বাহ্যিক দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে সেখানে মুসলমানদের আঘাত করতে নতুন নাগরিকত্ব আইন করা হয়েছে। কিন্তু সেই আঘাত লেগেছে সেখানকার সনাতন মূল্যবোধ, সমাজ, সংস্কৃতি ও জাতিগত বৈচিত্র্যের ওপর। ফলে সব বিশ্বাসী মানুষ আইনটির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। সবার বিশ্বাস, ধারণা, সংস্কৃতি, মূল্যবোধকে নাড়িয়ে দিয়েছে এই বিল। এই আইন যে কাউকে আঘাত করতে পারে- সেই ভীতি তৈরি হয়েছে সবার মনে। এটা একান্তভাবে পশ্চিমা ধারণা থেকে এসেছে। আর সেটি করতে গিয়ে পুরো ভারতে এক বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছে। আসলে আমরা অনুকরণ করা শিখেছি। কিন্তু আত্মস্থ করা শিখিনি। অনুকরণ করা চুরি করারই নামান্তর। অন্যদিকে আত্মস্থ করার মানে হলো অন্যের কাছে থেকে গ্রহণ করা বিষয়গুলো নিজের উপযোগী করে তৈরি করে নেয়া। অনুকরণ করা সহজ কিন্তু আত্মস্থ করা কঠিন। প্রকৃত উন্নয়নে সেই কঠিন কাজটি করতে হবে আমাদের।হ
লেখক : প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড; সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক, জেদ্দা
hmct2004@yahoo.com
উন্নয়ন পরিমাপে ‘মাথাপিছু সামাজিক শান্তি’
কলারোয়ায় উত্তরণের ওয়াশ মেলা অনুষ্ঠিত
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা ॥ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ওয়াশ মেলা উপলে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে র্যালিটি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিণ করে। এরপর কলারোয়া গার্লস হাইস্কুল চত্বরে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। মেলায় ৮টি স্টলে সচেতনতামূলক প্রদর্শনীর আয়োজন ছিল। কলারোয়া পৌরসভা, এনজিও সংস্থা উত্তরণ-সফল প্রকল্প, হোপ ফর দি পুওরেস্ট (এইচপি) ও প্র্যাকটিক্যাল একশনের যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র প্রধান শিক মনিরুজ্জামান বুলবুল, সহকারী মাধ্যমিক শিা অফিসার হারুন-অর-রশীদ, কলারোয়া গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক বদরুজ্জামান বিপ্লব, পৌর সচিব তোষার কান্তি দাশ, প্রকৌশলী ওজিহুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার সোরওয়ার্দ্দী, পৌর কাউন্সিলর মেজবাহ উদ্দিন লিলু, শেখ জামিল হোসেন, আলফাজ উদ্দীন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গার্লস হাইস্কুলের সহকারী শিক শেখ মাহফুজুর রহমান মাফুজ।
নতুন বছরে ভিভোর প্রথম ফোন এস১ প্রো
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের শুরুতে দেশের বাজারে আসছে বহুজাতিক চীনা কোম্পানি ভিভোর নতুন ফোন এস১প্রো। আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ফোনটি কেনার জন্য প্রিবুকিং দিতে পারবেন আগ্রহী ক্রেতারা।
ভিভো বাংলাদেশ জানায়, কোম্পানির মধ্য ক্রয়সীমার ফোনগুলোর মধ্যে ক্যামেরা ও অন্যান্য প্রযুক্তি বিবেচনায় এস১প্রো অনেক উন্নত ও সুসংহত। ভিভোর এস সিরিজের এ তৃতীয় ফোনটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ হাজার ৯৯০ টাকা। এ মূল্যসীমার মধ্যে বাজারের সেরা ফোন হিসেবে এটিকে গ্রাহকরা গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী। গত শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) এর প্রিবুকিং শুরু হয়েছে।
ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির এই ফোনে পাঁচটি ক্যামেরা যুক্ত করেছে ভিভো। এর মধ্যে রিয়ার ক্যামেরা চারটি এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা একটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রিয়ার ক্যামেরাগুলো যথাক্রমে ৪৮, ৮, ২, ২ মেগাপিক্সেলের এবং সেলফি ক্যামেরাটি ৩২ মেগাপিক্সেলের। ফোনটির ক্যামেরায় সুপার ম্যাক্রো প্রযুক্তিও যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনেক ছোট বস্তুও ক্যামেরায় ধারণ করা যাবে।
আট জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি রমের এস১ প্রো’র মেমোরি মাইক্রো এসডির মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। আরও রয়েছে চার হাজার ৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি। সুপার অ্যামোলয়েড টাচস্ক্রিন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ফোনটির ডিসপ্লে ৬ দশমিক ৩৮ ইঞ্চি এবং রেজ্যুলুশন ১০৮০ বাই ২৩৪০ পিক্সেল।
আবার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ আর কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে নতুন বছর। আর নতুন এই বছরে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের ‘গাঙচিল’ সিনেমার বাকি অংশের কাজ আবার শুরু করতে যাচ্ছেন পূর্ণিমা। তিনি বলেন, চলতি বছর দুটি সিনেমা নিয়ে সময় কেটেছে। একটির নাম ‘জ্যাম’, অন্যটি ‘গাঙচিল’। দুটি সিনেমায় দুই ধরনের চরিত্রে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন। এরমধ্যে গত মাসে ‘গাঙচিল’-এর বেশকিছু অংশের কাজ শেষ হয়েছে। নতুন বছরে আবার এ সিনেমার কাজ শুরু হচ্ছে। নোয়াখালীতে সিনেমাটির শুটিংয়ে অংশ নেব আমি।
এখানে এনজিওকর্মী হিসেবে অভিনয় করছি। এবার টানা ছবিটির কাজ শেষ করবেন নির্মাতা। আর এরপর ‘জ্যাম’ ছবির কাজ শুরু হবে বলে জানা যায়। পূর্ণিমার এ দুটি সিনেমার পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের বাসিন্দাদের জীবনের নানা ঘটনা ‘গাঙচিল’ ছবির প্রধান উপজীব্য। এদিকে, পূর্ণিমা চলতি বছর শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচারণামূলক কাজে অংশ নিয়েও আলোচনায় ছিলেন। ‘প্রাণ আপ’-এর বিশেষ উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সাত দিনব্যাপী কম্বল বিতরণ করেন তিনি। বছর শেষে আবারো ‘ছড়াই ভালোবাসার উষ্ণতা’ শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেন তিনি। পূর্ণিমা এ প্রসঙ্গে বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব তো রয়েছেই, পাশাপাশি একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেও দেশের মানুষের জন্য সব সময়ই আমি কিছু না কিছু করার চেষ্টা করি। ‘ছড়াই ভালোবাসার উষ্ণতা’ ঠিক তেমনই একটি কাজ। আমি চাই শীতার্ত মানুষের পাশে সকলে থাকুক। উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের অবাক করেন পূর্ণিমা। অল্প বয়সে রূপালি পর্দায় নায়িকা হিসেবে ঝলমলে এক অভিষেক হয়েছিল তার। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবিতে পূর্ণিমা নায়ক হিসেবে পান চিত্রনায়ক রিয়াজকে। এরপর ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, ‘মেঘলা আকাশ’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, টাকা’, ‘সুভা’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘মাটির ঠিকানা’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় বাংলা সিনেমায় অভিনয় করে তিনি পান দর্শকপ্রিয়তা। ২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে দফতরি কাম প্রহরীদের অবস্থান কর্মসূচি
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ চাকরি জাতীয়করণসহ সার্বক্ষণিক ডিউটি বাদ দিয়ে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নির্ধারণসহ ৫ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরা। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল থেকেই এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান। অবস্থান কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রায় ৩৭ হাজার কর্মচারীকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের পর থেকেই দাফতরিক কাজ ও রাতের প্রহরী দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করলেও তারা ন্যায্য বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত।
দফতরি কাম প্রহরীরা জানান, তাদের প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। নেই কোনও নৈমিত্তিক ছুটি। এসব সমস্যা নিয়ে তারা চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে ২০১৭ সালে উচ্চ আদালতে একটি রিট দায়ের করেন। ২০১৯ সালে ওই মামলার রায়ে ২৪ ঘণ্টার পরিবর্তে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নির্ধারণ করতে বলেন আদালত। তারা আরও জানান, কিন্তু এই ঘটনার এক বছর পার হতে চললেও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনও কিছু জানানো হয়নি। তাই তাদের পাঁচ দফা দাবি নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। পাঁচ দফ দাবি হলো—দফতরি কাম প্রহরীদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা, আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা, আইন অনুযায়ী কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা, বেতন বৈষম্য দূর করা এবং নৈমিত্তিক ছুটির ব্যবস্থা করা। অবস্থান কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় দেড় হাজারের বেশি দফতরি কাম প্রহরী অংশ নেন।
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। একই সময় ফুটপাতে পাওয়া গেছে আরও তিনটি ককটেল। গতকাল রবিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে কার্যালয়ের সামনে ফুটপাতের কাছে একটি মোটরসাইকেলের ওপর ককটেলটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে পথচারী ও যানবাহনের চালকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। এরপর কাছেই ফুটপাতে আরও তিনটি কালো টেপে মোড়া ককটেল পাওয়া যায়। পুলিশ তখন পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। পরে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিটও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনটি ককটেলের নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটান। পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহেদুল ইসলাম সারোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, মোটরসাইকেলে করে এসে এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুপুর ১টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বিএনপিসহ বিরোধী দলকে হয়রানি করার জন্য এটি সরকারের একটি ষড়যন্ত্র। এটা পরিকল্পিত মনে হচ্ছে।’
‘ওহির জন্য বসে থাইকেন না, রাস্তায় নামেন’
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ কোনো ওহির জন্য বসে না থেকে বিএনপিকে রাস্তায় নামতে বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিএনপির উদ্দেশে বলতে চাই, ‘ওহির জন্য থাইকেন না, রাস্তায় নামেন। জনগণের সাথে থাকেন, বিজয় আমাদের হবেই।’ বিগত জাতীয় নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে’ রোববার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ এ কথা বলেন। গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ঐক্যফ্রন্টের এ নেতা বলেন, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোট ডাকাতির পর থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে এক এক করে কারও সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারি দল এবং তার দোসর দল সমাবেশ-সম্মেলন করতে পারবে, কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি ও অন্যান্য দল করতে পারবে না- এটা কি তাদের বাবার সম্পত্তি পেয়েছে?
‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্য হলো জাতি যখন বিপদে পড়ে তখন বিচারকরা ঘুমিয়ে পড়েন। গত বছর নির্বাচনের ওপর এতগুলো মামলা হয়েছে, একটারও শুনানি হয়নি। এই বিচারকরা জনসাধারণের কাছে কী জবাব দেবেন? তাই এই বিচারকদের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা বলা নিরর্থক। খালেদা জিয়ার মুক্তি হতে পারে একমাত্র জনগণের মাধ্যমে। যেদিন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে সেদিন এই বিচারকদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে, খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্টটা ঠিক মতো পড়েছেন কি-না।’ তিনি বলেন, যখন জাতি ঘুমিয়ে পড়ে, তখন দুর্যোগ দেশের দিকে এগিয়ে আসে। তাই আজকে সবার সহযোগিতার মাধ্যমে রাজপথে নেমে এই দুর্যোগ থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে। তাহলে অন্যায়ের পতন হবে এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে। বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।
রামপালে কলেজছাত্রীকে মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ বাগেরহাটের রামপালে কলেজছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে মারপিটের ঘটনায় গত রোববার রামপাল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আহত ওই ছাত্রীকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, রামপাল উপজেলার শ্রীকলস গ্রামে রেজাউল সরদারের কন্যা ও সুন্দরবন মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী (২০) কলেজে যাওয়া আসার পথে একই এলাকার মৃত মান্নাফ সরদারের পুত্র এবাদুল সরদার (২২) উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। শনিবার কলেজে তিনি কলেজে আসার পথে শ্রীকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে এবাদুল পথরোধ করেন এবং কু-প্রস্তাব দেন। এর প্রতিবাদ করায় ওই ছাত্রীকে বেধড়ক কিলঘুষি মেরে আহত করেন তিনি। একই দিন ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে ইবাদুল, তার বড় ভাই ইমদাদুলসহ অন্যরা ধারালো দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এসময় ছাত্রীর ভাই রমজান সরদার প্রতিবাদ করলে তাকেও মারপিট করা হয়। হামলায় আহত কলেজছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রামপাল থানা পুলিশের ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।
সেরা চারের আশায় বছর শেষ ম্যানইউর
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ এই বছরটা ভালো কিছুর আশায় শেষ করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মৌসুমে বার বার হোঁচট খাওয়া দলটি প্রিমিয়ার লিগে আদায় করে নিয়েছে টানা দ্বিতীয় জয়। বার্নলিকে তারা হারিয়েছে ২-০ গোলে। এই জয়ের পর সেরা চার থেকে এক পয়েন্ট দূরে রেড ডেভিলরা। তাই নতুন বছরটা সেরা চার নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে শুরু করবেন ম্যানইউ কোচ ওলে গানার সুলশার। অবশ্য ম্যানইউর এমন জয়ের নেপথ্যে ছিল মার্শিয়াল ও র্যাশফোর্ডের আক্রমণাত্মক ভূমিকা। পল পগবা ও স্কট ম্যাকটমিনের অনুপস্থিতিতে মিডফিল্ড দুর্বল হয়ে পড়েছিল দলটির। কিন্তু বার্নলির রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে তেমন কোনো বিপদের মুখোমুখি হতে হয়নি। উল্টো আক্রমণে গিয়ে ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ম্যানইউর। মার্শিয়ালের শট লাইন থেকে ক্লিয়ার করেছেন ফিল বার্ডসলে। ৪৪ মিনিটে অবশ্য আর কোনো ভুল হয়নি ফরাসি ফরোয়ার্ডের। বার্নলি ডিফেন্ডার চার্লি টেইলরের ভুলে প্রথম গোলটি করেছেন। বিরতির পর শেষ দিকে কিছু চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেছিল স্বাগতিক বার্নলি। উল্টো যোগ করা সময়ে প্রতি আক্রমণে উঠে দলের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন র্যাশফোর্ড। ২০ খেলায় ৩১ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে উঠেছে ম্যানইউ। রবিবার অবশ্য এই অবস্থানের পরিবর্তন হতে পারে উলভস ও শেফিল্ডের মধ্যকার ম্যাচের ফলে। তবে ম্যানইউ কোচ খুব আত্মবিশ্বাসী সেরা চারে যাবে তার দল। ১৮ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে আছে লিভারপুল। ২০ খেলায় ৪২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লিস্টার। ১৯ খেলায় ৩৮ পয়েন্টে তিনে ম্যানসিটি, সমান খেলায় ৩২ পয়েন্টে চারে চেলসি।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল রবি-টেন মিনিট স্কুল
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বছরের সেরা ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড (আইইএ) পেল দেশের বৃহত্তম ডিজিটাল স্কুল রবি-টেন মিনিট স্কুল (www.robi10minuteschool.com) । সম্প্রতি ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত আইইএ সামিটে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
বিনামূল্যে দেশের সকল তরুণদের মানসম্মত ডিজিটাল শিক্ষা কনটেন্ট পৌঁছে দেয়ায় ‘বেস্ট ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম অব ২০১৯’ পুরস্কার পেয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। ডিজিটাল স্কুলের অনন্য বৈশিষ্ট্য হচেছ দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা।
আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলনের একটি অংশ হচ্ছে আইইএ যার মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শিক্ষকদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ভারত থেকে আইএ পুরস্কার ছাড়াও সম্প্রতি দ্য ডেইলি স্টার আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯-এ ‘আইসিটি স্টার্ট-আপ অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।









