চোরাচালান সিন্ডিকেটের হোতা সোহেলকে খুঁজছে ডিবি বেনাপোলে স্বর্ণ বহনকারী সুমন হত্যাকাণ্ডে আটক স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাসহ ৩ জনের স্বীকারোক্তি

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চোরাচালানের স্বর্ণের বার বহনকারী ওমর ফারুক সুমন হত্যার প্রধান আসামি শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও বেনাপোল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল হোসেনসহ আটক ৩ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।  মঙ্গলবার তারা পৃথক আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মুরাদ হোসেন জানান, ওমর ফারুক সুমন হত্যার প্রধান আসামি কামাল হোসেনসহ আটক ইজাজ ও ইসরাফিলকে মঙ্গলবার তারা আদালতে সোপর্দ করেন। এ সময় আটক তিনজনই ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহম্মেদ আসামি কামাল হোসেনের এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অবন্তিকা রায় আসামি ইজাজ ও ইসরাফিলের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। তিনি আরো জানান, ইতোপূর্বে ওমর ফারুক সুমন হত্যায় আটক অঞ্জন নিয়োগির মঙ্গলবার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অবন্তিকা রায় আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে তিনি তার ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবি পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ওমর ফারুক সুমন হত্যায় জড়িত সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে তারা খুঁজছেন। সোহেল শার্শা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শার্শা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনের ভাই। মূলত সোহেল ঢাকায় থাকেন। সেখান থেকেই তিনি স্বর্ণ চোরাচালানের একটি সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন। সিন্ডিকেটের ৩ কেজি স্বর্ণ খোয়া গেছে বেনাপোলের কামাল হোসেনের কাছ থেকে এ খবর পেয়ে তিনি দুই সঙ্গী অঞ্জন নিয়োগি ও ডালিম কুমার দাসকে সাথে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে ছুটে এসেছিলেন। বেনাপোলের একটি স্থানের সিসিটিভি’র ফুটেজে ধরা পড়া ভিডিওতে মাইক্রোবাসে তোলার আগে ওমর ফারুক সুমনকে চড় থাপ্পড় মারতে দেখা যায় সোহেলকে। সূত্র জানায়, ওমর ফারুক সুমন হত্যা ও লাশ গুমের সাথে জড়িত আরও ৪ জনকে খুঁজছে ডিবি পুলিশ। এরা হলেন-তরিকুল, পলাশ, রাব্বি ও প্রাইভেটকার চালক চঞ্চল।